a রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায় সংক্রান্ত বিষয়ে বিচারককে এজলাসে না বসার নির্দেশ
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায় সংক্রান্ত বিষয়ে বিচারককে এজলাসে না বসার নির্দেশ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১, ১০:৩৩
রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায় সংক্রান্ত বিষয়ে বিচারককে এজলাসে না বসার নির্দেশ

ফাইল ছবি

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলার রায় দেওয়া ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোছা: কামরুন্নাহারকে আজ রবিবার সাড়ে ৯টা থেকে এজলাসে না বসার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বিচারক কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা সাময়িকভাবে স্থগিতও করা হয়েছে। 

বিচারক কামরুন্নাহারকে আদালত থেকে প্রত্যাহার করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি এ নির্দেশ দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।  

গত ১১ নভেম্বর দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক বেগম মোছা: কামরুন্নাহার। রায়ে সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেনের ছেলে শাফাত আহমেদ, শাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, শাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, মামলার দুই ভিকটিম আগে থেকেই সেক্সুয়াল কাজে অভ্যস্ত। তারা স্বেচ্ছায় হোটেলে গিয়েছেন। সেখানে গিয়ে সুইমিং করেছেন। ঘটনার ৩৮ দিন পর তারা বললেন, ‘আমরা ধর্ষণের শিকার হয়েছি’। অহেতুক তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন। এতে আদালতের ৯৪ কার্যদিবস নষ্ট হয়েছে। এরপর থেকে পুলিশকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। এ ছাড়া এরপর থেকে ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর যদি কেউ মামলা করতে যায়- তা না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

বিচারকের পর্যবেক্ষণের প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘আমি রায়ের বিষয়বস্তু নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। অবজারভেশনে (৭২ ঘণ্টা পরে পুলিশ যেন কোনো ধর্ষণ মামলার এজাহার না নেয়) বিচারক যে বক্তব্য দিয়েছেন এ সম্পর্কে আমি বলতে পারি, এটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অসাংবিধানিক।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়াতে আইনমন্ত্রীর সম্মতি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৮
খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়াতে আইনমন্ত্রীর সম্মতি

ফাইল ফটো:খালেদা জিয়া

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ ফের ছয় মাস বাড়ছে।  খালেদার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার সাজা স্থগিত করার মেয়াদ বৃদ্ধির এই মতামত দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে গত বছর ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের মুক্তি দেওয়া হয়।

শর্তগুলো:
 ১। খালেদা জিয়া কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না।

২। পরিবারের সদস্য ছাড়া কারও সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না।

৩। নিজ বাসায় থেকে তিনি চিকিৎসা নেবেন এবং দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো ও সাজা মওকুফ এবং শর্ত শিথিলের আবেদন গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম

খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আইনে নেই- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ০৯ মে, ২০২১, ০৫:০৯
খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আইনে নেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আসাদুজ্জামান খান কামাল । ফাইল ছবি

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা যাচ্ছেনা। কারণ সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার কোনো সুযোগ আইনে নেই।

রবিবার (৯ মে) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদন পর্যালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল রবিবার সকালে মতামতের জন্য কপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।

খালেদা জিয়া গত ১০ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন। গত ২৭ এপ্রিল তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গত সোমবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আইন