a দারিদ্র ও বেকারত্ব বাড়তে পারে চলমান সংকটে:সিপিডি
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দারিদ্র ও বেকারত্ব বাড়তে পারে চলমান সংকটে:সিপিডি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২, ১০:২৯
দারিদ্র ও বেকারত্ব বাড়তে পারে চলমান সংকটে:সিপিডি

ফাইল ছবি

বর্তমান সংকটে সরকারের উদ্যোগগুলো সঠিক, কিন্তু পর্যাপ্ত নয় বলে উল্লেখ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সমস্যা মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি হলেও সংকট সমাধানে সরকার স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ নিচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি সংকট, বিদ্যুত্ সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট পরবর্তীকালে আরো অন্যান্য খাতেও দেখা দিতে পারে। এর প্রভাবে দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

‘বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আভাস এবং বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ উত্তরণ কোন পথে?’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা বলা হয়। ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে দুর্ভিক্ষের কথা বলছেন, সেটি যৌক্তিক কথা। কারণ বিশ্ববাজারে খাদ্য একটি রাজনৈতিক পণ্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে খাদ্যপণ্য কেনায় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, নিজের মজুত নিশ্চিত না করে কোনো দেশ পণ্য রপ্তানি করতে চাইবে না। তাই ভবিষ্যতে ডলার থাকলেও বিশ্ববাজারে পর্যাপ্ত খাদ্যপণ্য না-ও থাকতে পারে।

বাংলাদেশের মতো যারা খাদ্য আমদানি নির্ভর দেশ, মূলত তারাই খাদ্যের ঝুঁকিতে রয়েছে। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে—সরকারের এই মোহ ভঙ্গ হওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যসংকট, জ্বালানিসংকট, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট আগামী দিনে প্রলম্বিত হবে কর্মসংস্থানে। এর ফলে দারিদ্র্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে, বেকারত্বের আশঙ্কাও রয়েছে। যদি সেটি হয়. তাহলে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হবে। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে সরকারের উদ্যোগগুলো ঢেলে সাজাতে হবে।

মূল উপস্থাপনায় ফাহমিদা খাতুন বলেন, ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকায় চার সদস্যের একটি পরিবারের অত্যাবশ্যকীয় সব খাদ্যপণ্যসহ সার্বিক খরচ ছিল ১৭ হাজার ৫৩০ টাকা। জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে রাজধানীতে বসবাসরত চার সদস্যের একটি পরিবারের মাসে খাদ্য খাতে ব্যয় করতে হচ্ছে গড়ে ২২ হাজার ৪২১ টাকা। মাছ-মাংস বাদ দিলেও খাদ্যের পেছনে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৫৯ টাকা। এটা ‘কম্প্রোমাইজড ডায়েট’ বা আপসের খাদ্য তালিকা। মূল্যস্ফীতির লাগামহীন অবস্থা। দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শুধু আমদানি পণ্য নয়, দেশে উত্পাদিত পণ্যের মূল্যও বেশি। এটা কমার কোনো লক্ষণ নেই। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে বাজারের চিত্রে দেখা যায় পণ্যমূল্য প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। এজন্য প্রকৃত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মূল্যস্ফীতি নির্ধারণ করা উচিত।

তিনি বলেন, ২৯টি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে কর হার অনেক বেশি। এজন্য এটার প্রভাব পড়ছে মূল্যস্ফীতির ওপর। এটা কমানো গেলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমত। মূল্যস্ফীতির সমাধানে সব শিল্পে ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই। এছাড়া ব্যক্তি খাতেও যারা কাজ করছেন, তাদের জীবনমানে এত ধস নেমেছে যে, এ আয় দিয়ে তারা চলতে পারছেন না। তাদের বেতনও পুনর্বিবেচনা করতে হবে। সরকার ওএমএসসহ যেসব পণ্য দিয়েছে, তা সারা দেশে সহজলভ্য করতে হবে। এখানে দুর্নীতি যেন না হয়, সেটাও দেখতে হবে। তিনি আরো বলেন, একেবারেই দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ কমপক্ষে ১ হাজার টাকা করতে হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

জ্বালানি সংকট সমাধানে সিপিডি বিভিন্ন কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনে মনোযোগী হওয়া, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সুপারিশ করেছে। ফাহমিদা খাতুন বলেন, সাধারণত ৬০ দিনের জ্বালানি মজুতকে আদর্শ ধরা হয়। কিন্তু আমাদের ডিজেল ৬১ দিন, অকটেন ১৯ দশমিক ৬ দিন, পেট্রোল ৩৮ দশমিক ৪ দিন, ফার্নেস ওয়েল ২৭ দশমিক ৯ দিনের মজুত আছে। বিপিসির হাতে ২৩ হাজার কোটি টাকা আছে। টাকা একদম নেই বিষয়টা তেমন নয়। এ জন্য জ্বালানি তেলের দর পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা। জ্বালানি তেলের ঘাটতি মেটাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খাদ্যসংকটের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলছে, ভবিষ্যতে বিশ্বের ৪২টি দেশে খাদ্যসংকট হতে পারে। এই তালিকায় বাংলাদেশও আছে। এই আশঙ্কা শুধু আমাদের নয়, আন্তর্জাতিক সংস্থারও। এজন্য মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে আমাদের অর্থনীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এক বছরের মধ্যে পরিত্রাণ পাব এটা আশা করা যায় না।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিদ্যুতে ভর্তুকি বেশি। এর বড় কারণ হলো বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জ। সরকারকে এই ক্যাপাসিটি চার্জভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র থেকে সরে আসতে হবে। আইএমএফের যে শর্ত, তাতে বিদ্যুতের ভর্তুকি কমানোর কথা বলা হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জভিত্তিক বিদ্যুত্ থেকে নো ইলেক্ট্রিসিটি নো চার্জ—এই ব্যবস্থায় আসতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সারা দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টিপাত


আবহাওয়া ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০১ জুন, ২০২১, ০৯:৩৪
সারা দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টিপাত

ফাইল ছবি


 
রাজধানীসহ সারাদেশে সোমবার মধ্যরাত থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ঝড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টিপাত।

ফলে অফিসগামী লোকজন দুর্ভোগে পড়েন। টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে রাস্তা তলিয়ে গেছে।  

সোমবার এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দেশে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। এ কারণে দেশের নদীবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এক্ষেত্রে কোথাও ২ নম্বর সতর্ক সংকেত, আবারও কোথাও এক নম্বর হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে- পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্য স্থানে একই দিক থেকে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত  


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১, ০৯:১৪
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত  

ফাইল ফটো

ফিলিস্তিনের গাজার উত্তরে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি সংবাদ মাধ্যম 'ফিলিস্তিন আল ইয়াউম' জানায়, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগ্রামীরা বুধবার রাতে ইসরায়েলের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

সংবাদ মাধ্যম জানায়, গাজার আকাশসীমায় প্রবেশের পর পরই সেটিকে ধ্বংস করা হয়। এর আগেও ফিলিস্তিনি সংগ্রামীরা ইহুদিবাদী ইসরায়েলের ড্রোন ভূপাতিত করেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ১৫ দিনে চারটি ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত করলো ফিলিস্তিনিরা।

ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় গোয়েন্দা তৎপরতা চালাতে সচরাচর ড্রোন ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী মাঝে মধ্যেই গাজায় বিক্ষিপ্তভাবে জঙ্গি বিমান, হেলিকপ্টার ও কামানের সাহায্যে হামলা চালিয়ে থাকে।

২০১৭ সাল থেকে ইসরায়েল গাজায় বিমান হামলা বাড়াতে থাকে। ফলে এ পর্যন্ত বহু নিরীহ ফিলিস্তিনির হতাহত হয়েছে। এছাড়া গাজার উপর রয়েছে সর্বাত্মক অবরোধের ফলে গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারাগার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়