a নারী উদ্যোক্তারা ঋণ পাবেন ৫% সুদে
ঢাকা শুক্রবার, ৯ মাঘ ১৪৩২, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নারী উদ্যোক্তারা ঋণ পাবেন ৫% সুদে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ০৪ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৩৬
নারী উদ্যোক্তারা ঋণ পাবেন ৫% সুদে

সংগৃহীত ছবি

নারী উদ্যোক্তারা যাতে কম সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন, সে জন্য ঋণের সুদহার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দশমিক ৫ শতাংশ সুদে টাকা নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সেই টাকা গ্রাহকদের দিতে হবে ৫ শতাংশ সুদে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিম’–এর আওতায় এ সুবিধা চালু করা হয়েছে।

আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এসএমই খাতের ঋণের কমপক্ষে ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাদের দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য দফায় দফায় এ স্কিমের সুদহার কমানো হয়েছে। আজ বুধবার ব্যাংক বন্ধের দিনে আবারও এই স্কিমের সুদহার কমিয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দশমিক ৫ শতাংশ সুদে টাকা নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সেই টাকা গ্রাহকদের দিতে হবে ৫ শতাংশ সুদে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের এসএমই খাতের ঋণের ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নারী উদ্যোক্তাদের স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনঃ অর্থায়নসুবিধা দেওয়া হয়। 

পরবর্তীকালে করোনা মহামারির কারণে নারী উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণসুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে সুদের হার ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৩ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ পুনর্নির্ধারণ করা হয়। আজ সেটি আবারও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় এ স্কিমের আওতায় পুনঃ অর্থায়নের সুদহার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো।

ব্যাংকাররা বলছেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে নারী উদ্যোক্তারা কম সুদের ঋণ পাচ্ছেন না। আর উদ্যোক্তারা বলছেন, ব্যাংকাররা নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে আগ্রহী নন। এ কারণে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ব্যাংকঋণ পৌঁছাচ্ছে না। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ২১ জুলাই, ২০২১, ০১:১৯
আজ মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা

ফাইল ছবি

মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। বৈশ্বিক করোনা মহামারির মধ্যে ভিন্ন মাত্রা ও আবহে এ বছর আসছে এই ঈদ। করোনার প্রভাব ঈদ পালনের অনুষঙ্গগুলোর ছন্দপতন ঘটাচ্ছে। উৎসবের সেই রোশনাই, বর্ণচ্ছটা ম্রিয়মাণ হয়ে আছে। মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে কোরবানির রেওয়াজ।

পবিত্র হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে বিশ্ব মুসলিম ময়দানে নামাজ আদায়ের পর যার যা সাধ্য ও পছন্দ অনুযায়ী পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। আরবি আজহা এবং কোরবান উভয় শব্দের অর্থ হচ্ছে উত্সর্গ। কোরবানি শব্দের উত্পত্তিগত অর্থ হচ্ছে আত্মত্যাগ, আত্মোৎসর্গ, নিজেকে বিসর্জন, নৈকট্য লাভের চেষ্টা, অতিশয় নিকটবর্তী হওয়া প্রভৃতি।

সুরা হাজ্জে বলা হয়েছে, ‘এগুলোর (কোরবানির পশুর) গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, কিন্তু তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায়।’ আল্লাহর বান্দারা কে কতটুকু ত্যাগ ও খোদাভীতির পরিচয় দিতে প্রস্তুত এবং আল্লাহপাকের নির্দেশ পালন করেন তিনি তা-ই প্রত্যক্ষ করেন কেবল। প্রত্যেক আর্থিক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি দিল না, সে যেন আমার ঈদগাহে না আসে (মুসনাদে আহমদ)। আল কোরআনের সুরা কাউসারে বলা হয়েছে, ‘অতএব, তোমার পালনকর্তার উদ্দেশে নামাজ পড়ো এবং কোরবানি করো।’ সুরা হাজ্জে বলা হয়েছে, ‘কোরবানি করার পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা।’

জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোনো এক দিন কোরবানি করা যায়। কোরবানিকৃত পশুর তিন ভাগের এক ভাগ গরিব-মিসকিন, এক ভাগ আত্মীয়স্বজনের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার বিধান আছে। আবার পুরোটাই বিলিয়ে দেওয়া যায়। এদিকে ৯ জিলহজ ফজরের নামাজের পর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তালবিয়াহ পাঠ করা ওয়াজিব। তালবিয়াহ হলো, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।’

হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক জাতির বাৎসরিক আনন্দ-ফুর্তির দিন আছে। এই দিনে ধনী-গরিব, বাদশা-ফকিরনির্বিশেষে সব মুসলমান এক কাতারে ঈদের নামাজ আদায় করে, একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে। ঈদ মুসলিম উম্মাহর জাতীয় উত্সব। আজ থেকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিন দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে।
 
দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা এ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাবি'র শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতি অবৈধ: হাইকোর্ট


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪, ০৫:১৬
ঢাবি'র শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতি অবৈধ: হাইকোর্ট

ফাইল ছবি : সামিয়া রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


গবেষণা জালিয়াতির ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। রোববার (২৬ মে) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ঢাবির আপিল অকার্যকর বলে খারিজ করে দেন।

এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা, পাশাপাশি তাকে সকল সুযোগ-সুবিধাসহ পদ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।

এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

এছাড়াও বুদ্ধিজীবী অ্যাডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইমপেরিয়ালিজম’ গ্রন্থের পাতার পর পাতাও সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত বছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর তাদের একাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি গবেষণায় জালিয়াতির শাস্তি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনমন ঘটে। পরে ৩১ আগস্ট সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করে দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

এছাড়াও পিএইচডি থিসিসে জালিয়াতির আরেক ঘটনায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুককে সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে অবনমন ঘটানো হয়েছে। তার ডিগ্রিও বাতিল করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। ফেসবুকের দুটি ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই তিন শিক্ষকের শাস্তি নির্ধারণে দুটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

পরে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সামিয়া রহমান।

সে রিটের শুনানি নিয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, গঠিত ট্রাইব্যুনালের নথিসহ সব কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতেও বলা হয়েছিল। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়