a
ফাইল ছবি
রাজশাহীর ওপর দিয়ে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। এরপর মৃদু তাপপ্রবাহ এবঙ সর্বশেষ মাঝারি তাপপ্রবাহ তীব্র তাপপ্রবাহে পরিণত হয়।
রাজশাহীর তাপমাত্রার পারদ ওঠে ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য হাহাকার পড়ে গিয়েছিল। অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মিলেছে। স্বস্তির বৃষ্টিতে হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন রাজশাহীর মানুষ।
আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে, এর দুপরের পর আকাশে মেঘ জমতে শুরু করে। বিকাল সাড়ে ৫টার পর রাজশাহীর পুরো আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। এরপর সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নামে সেই বহুল কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে, কখনও গুঁড়িগুঁড়ি কখনও বা মুষলধারে। আজকের বজ্রসহ বৃষ্টি মানুষের মনে প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল রাজশাহীর পার্শ্ববর্তী উপজেলা এলাকায় ৭ দশমিক ৪ মিলিমিটার এবং ৯ এপ্রিল ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
টানা তাপদাহের পর বুধবারের এই বৃষ্টি জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আপাতত আর বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা।
এদিকে, বৃষ্টি শুরুর পর থেকেই রাজশাহী বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে এবং কোথাও বিদ্যুৎ আসলেও চলছে লোড শেডিং।
ফাইল ছবি
বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় ধানমন্ডির ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ফেনীর সদর আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জয়নাল হাজারী ১৯৮৪ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ফাইল ছবি
মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের ডাকা সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে সমাবেশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় সমাবেশ স্থগিতের ঘোষণা করা হয়।
এর আগে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোনেম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৪৪ ধারা অমান্য করে হেফাজতে ইসলাম সভা-সমাবেশ করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হেফাজতে ইসলামের সহকারী প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে এবং মুন্সীগঞ্জের ওই এলাকায় হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা জড়ো না হওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে আমরা নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়া, প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমাদের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছিল।