a ভাষানচর বালুমহলের উপর চাঁদপুর নৌ- প্রশাসনের হয়রানি বন্ধের আহবান
ঢাকা রবিবার, ২১ চৈত্র ১৪৩২, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ভাষানচর বালুমহলের উপর চাঁদপুর নৌ- প্রশাসনের হয়রানি বন্ধের আহবান


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৩
ভাষানচর বালুমহলের উপর চাঁদপুর নৌ- প্রশাসনের হয়রানি বন্ধের আহবান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ইজারাদার মেসার্স মনির এন্টারপ্রাইজ এর মুন্সিগঞ্জ সদর ভাষানচর বালুমহল এর উপরে চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ- প্রশাসন কর্তৃক বার বার হয়রানি এবং সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারী অসৎ উদ্দেশ্যে ভাষানচর বালুমহল, সরকারী রাজস্ব বন্ধের পায়তারা, গত ১২/১১/২০২৫ ইং তারিখে মতলব উত্তর থানা, চাঁদপুরে ষড়যন্ত্র ও হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলায় ভাষানচর বালুমহল পরিচালনাকারী মেসার্স সূচনা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক মোঃ গোলাম কিবরিয়া মিয়াজীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আজ ১৪/১১/২০২৫ইং সকাল ১০:৩০ ঘাটিকায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ব্যবসায়ী সমাজ।
 
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মেসার্স সূচনা এন্টারপ্রাইজ এর সমন্বয়কারী মোঃ মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, মেসার্স মনির এন্টারপ্রাইজ ও সূচনা এন্টারপ্রাইজর আয়োজনে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আমরা জানাচ্ছি যে গত ১৮ই মে ২০২৫ ইং তারিখে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কর্তৃক ৬ কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকার মূল্যে ভাষানচর বালু মহল মনির এন্টারপ্রাইজ এর নামে ইজারা পাই।

আমাদের সরকার কর্তৃক ইজারাকৃত মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ভাষানচর বালু মহলটি বুঝিয়ে পাওয়ার পরে তাহা বন্ধের জন্য একটি সন্ত্রাসী গুষ্টি আমাদের ব্যাবসায়ীক প্রতিপক্ষ চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ-প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে বারবার হয়রানি ও বালু মহলটি বন্ধের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

 আমরা উক্ত বিষয়টি মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ করার পরেও তাদের হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না। মহল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সূচনা এন্টারপ্রাইজের কর্মকর্তা কর্মচারিচারীদের উপরে প্রায় সময়ে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায়। বালুরমহলে থাকা ড্রেজার ও বাল্কহেড উপর হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে । ইহাতে আমাদের কোম্পানি ও বাল্কহেড ড্রেজার ব্যবসায়ীগণ মারাত্মকভাবে যান মালের ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

আমরা ইজারাকৃত সরকারি রাজস্ব সরকারের কোষাগারে জমা দানে মারাত্মক ভাবে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছি। উল্লেখ থাকে যে গত ১২ই নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকার সময়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চাঁদপুর জোন এর একটি টহল টিম মহনপুর মতলব উত্তর লঞ্চ ঘাট সংলগ্ন হইতে একটি স্পিডবোর্ডে অবস্থান করা পাঁচ জন ব্যক্তিকে সন্দেহ মূলক ভাবে আটক করে, যাহা আমাদের বালু মহলের সীমানায় কয়েক কিলোমিটার বাহিরে।

আটককৃত ব্যক্তিদের নামে মতলব উত্তর থানা চাঁদপুর ১২/১১/২০২৫ ইং তারিখে কোস্ট গার্ড মোহনপুর আউট পোস্ট মোহনপুর বাংলাদেশ কোর্ড গার্ড এর সদস্য সানোয়ার হোসেন (৪৭) পিও এফসি -অন একটি মামলার রুজু করে।উক্ত মামলায় ভাষান চর বালুমহল মুন্সিগঞ্জ এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সূচনা এন্টারপ্রাইজ এর মালিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব গোলাম কিবরিয়া মিয়াজীকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে আসামি করা হয়। যাহাতে আমরা গভীর উদ্বেগ ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১০ মে, ২০২১, ০৪:৩৯
ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ফাইল ছবি

বেতন বোনাসের দাবিতে গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে কয়েক দফা বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। আজ ১০মে সোমবার সকাল থেকে গাজীপুর সদরের হোতাপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ করেন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ বলেন, সোমবার ফুয়াং ফুড লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের চলতি মে মাসের বেতন পরিশোধের কথা ছিল। বেতন ছাড়াও তাদেরকে  আগামীকাল মঙ্গলবার ঈদ বোনাস দেওয়ার কথাও ছিল মালিকপক্ষের। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ নানা আজুহাত দেখাতে শুরু করলে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস এবং চলতি মাসের বেতন চাইলে তারা বেতন ও বোনাস দিবে কি দিবে না সে বিষয়ে শ্রমিকরা মালিক পক্ষ থেকে আশ্বাস না পেয়ে এই বিক্ষোভ করেন।

শ্রমিকরা জানান, এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস না পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রথমে তারা কর্মবিরতি পালন করেন, পরে তাদের কথা তেমন গুরুত্ব না দেওয়ায় তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন।

মহাসড়ক অবরোধের ফলে সেখানে উভয় দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। ওসি মামুন আল রশিদ জানান, শ্রমিকদের অবরোধ চলাকালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বেতন ও ঈদ বোনাসের আশ্বাস দিয়ে তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলা হয়। পরে শ্রমিকরা কাজে যোগদেন। 

কারখানার ম্যানেজার শুক্কুর মাহবুব বলেন, শ্রমিকদের কোনো বেতন বকেয়া রাখা হবে না। নির্ধারিত সময়েই তাদের বেতন, বোনাস পরিশোধ করবে মালিকপক্ষ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের দাবির মুখে কারখানা কর্তৃপক্ষ ঈদ বোনাস দিতেও একমত হয়েছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

ক্ষুদ্র-মাঝারিদের টিকে থাকাই দায়, সংবাদপত্র শিল্প উপেক্ষিত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১, ১১:২০
ক্ষুদ্র-মাঝারিদের টিকে থাকাই দায়, সংবাদপত্র শিল্প উপেক্ষিত

ফাইল ফটো

করোনার প্রভাব যতই বাড়ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা আবারও নতুন করে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার বিস্তার অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের টিকে থাকা কষ্টকর হবে।

ইতিমধ্যে প্রণোদনার নামে ঋণসুবিধা দেওয়া হলেও তা সবাই পায়নি। এমনকি সংবাদপত্রকে শিল্প বলা হলেও এই শিল্পের জন্য কোনো সুবিধাই ঘোষণা করা হয়নি। করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংবাদপত্রশিল্পে। করোনায় ঝুঁকি নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজ করলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছিল উপেক্ষিত।

এখানকার কর্মীদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ডও আইনগত কারণে বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলেন, সংবাদপত্রশিল্পের বিনিয়োগও কম নয়। করোনায় অন্যান্য খাতের মতো সংবাদপত্রশিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব খাতের সমস্যা সংবাদপত্রগুলো সামনে নিয়ে এলেও সংবাদপত্রের সমস্যা সমস্যাই রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদপত্রের কাঁচামালের দামও বেড়েছে। 

একইভাবে অসংগঠিত খাত, ক্ষুদ্র কুটিরশিল্পসহ মাঝারি শিল্পগুলোও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত মাঝে পড়েছে। চাকরি হারিয়ে বেকার জনগোষ্ঠীও অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের হাতে টাকা নেই। বিশ্বের অপরাপর দেশ ব্যক্তি পর্যায়েও টাকা দিয়েছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানকেও নগদ অর্থ দিয়েছে এবং দিচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, করোনার কষাঘাতে স্থবির অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে সমাজের সবার হাতেই টাকার সরবরাহ থাকতে হবে। যেমনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও করা হচ্ছে। কারণ, শুধু উত্পাদকদের হাতে টাকা গেলে হবে না। উত্পাদিত পণ্য কিনবেন যিনি, তার হাতেও টাকা থাকতে হবে। নইলে পণ্য কিনবেন কে? উত্পাদক-ভোক্তা কাউকে এখানে খাটো করে দেখার কোন রকম সুযোগ নেই।

একইভাবে একজন চা-দোকানি থেকে শুরু করে মাঝারি উদ্যোক্তা পর্যন্ত—সবার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। সবাইকে আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা খাত শ্রমঘন। প্রচুর কর্মী এসব খাতে কাজ করেন। ফলে শুধু বড় উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিলেই অর্থনীতি ঠিক থাকবে এমন ধারণা ভুল। সব খাতকেই প্রণোদনার আওতায় এনে আর্থিক সহায়তা দিলে সব খাত যখন চাঙ্গা হবে, তখনই বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। 

তদুপরি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভোগব্যয়ের ওপর অধিকতর নির্ভরশীল। ভোগব্যয় বাড়াতে হলে ক্রেতাশ্রেণির হাতে অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে বিশাল এক কর্মীবাহিনী। ইতিমধ্যে অনেকেই আয়ের সংস্থান না থাকায় শহর থেকে গ্রামমুখী হয়েছেন। সব দিক বিবেচনা করেই সরকারকে সুবিধা প্রদান করতে হবে।

এদিকে, অনেকেই ব্যাবসায়িক মন্দায় ব্যাংকের কিস্তি দিতে পারছেন না। অনেকে একটু নাড়াচাড়া দিলেও করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঝুঁকিতে পড়ে গেছেন। এ অবস্থায় ঋণ পরিশোধে সময় বর্ধিতকরণের দাবি জানিয়ে উদ্যোক্তারা বলেছেন, অতীতেও ক্ষেত্রেবিশেষে ঋণ পরিশোধে লম্বা সময় দেওয়া হয়েছিল। অনেক উদ্যোক্তাই এই সুবিধা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কিস্তি পরিশোধ করেছেন। ঋণ পরিশোধে সময়সীমা বাড়িয়ে দিলে উদ্যোক্তা যেমন বাঁচবেন, ব্যাংকও আটকা পড়বে না। ব্যাংকের বিনিয়োগের টাকা ফেরতে এটিই হতে পারে কার্যকর পদক্ষেপ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি প্রদানে শিথিলতা ছিল। পরে মার্চ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে বাড়ানো হলেও সবাই এই সুবিধা নিতে পারেননি। তাই আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধের সময় বৃদ্ধি করার জোর দাবি উঠেছে।

এই দাবিকে যৌক্তিক বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এই সময়ে ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে নমনীয় হতে হবে। ব্যবসায়ীদের সুযোগ দিতে হবে, যাতে কলকারখানা চালু রাখা যায়। কর্মসংস্থান ঠিক রাখা যায়। সবকিছু কঠিন করে ফেললে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাতে করে প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণ হবে না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ