a
ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জরুরিভিত্তিতে সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জুলাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াসহ সম্পদ বিবরণী জরুরিভিত্তিতে সংস্থাপন অধিশাখায় পাঠানোর নির্দেশনা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ অনুযায়ী পাঁচ বছর পর পর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ বিবরণী দাখিল এবং স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ নিয়ম মানছেন না।
এ প্রেক্ষাপটে বিধিমালাটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির নিয়ম মানতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৪ জুন চিঠি পাঠানো হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-৪ শাখার উপসচিব নাফিসা আরেফীন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর বিধি ১১, ১২ ও ১৩-তে সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর সম্পত্তি অর্জন, বিক্রয় ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লিখিত বিধিসমূহ কার্যকরভাবে কর্মকর্তাদের অনুসরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে জোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
এমতাবস্থায়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর আওতাভুক্তদের তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/দফতর/অধীনস্থ সংস্থায় কর্মরত সব সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী দাখিল, উক্ত সম্পদ বিবরণীর ডাটাবেজ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন ও বিক্রয়ের অনুমতি গ্রহণের বিষয়ে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর ১১, ১২ এবং ১৩ বিধি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয় ওই চিঠিতে।
এছাড়া সরকারি কর্মচারীর জমি/বাড়ি/ফ্ল্যাট/সম্পত্তি ক্রয় বা অর্জন ও বিক্রির অনুমতির জন্য আবেদনপত্রের নমুনা ফরম এবং বিদ্যমান সম্পদ বিবরণী দাখিলের ছকও চিঠির সঙ্গে পাঠানো হয়েছে। সেই চিঠির প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই উদ্যোগ নিল। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এজন্য সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মধ্য ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে এখন উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
সম্প্রতি ভারতের আগ্রার একটি ছবি সবার চোখে পানি এনে দিয়েছে। হঠাৎ করেই রেনু সিংঘালের স্বামীর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত নিজের মুখ দিয়ে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করেন স্বামীকে বাঁচাতে। কিন্তু ততক্ষণে না ফেরার দেশে তার স্বামী রবি সিংঘাল চলে যান।
আগ্রার একটি হাসপাতালের বাইরে অটোর মধ্যেই মৃত্যু হয় রবি সিংঘালের। যেন তখন বাতাসও ভারী হয়ে উঠেছিলো রেনুর স্বামী হারানোর দুঃখে।স্বামীর দম বন্ধ হয়ে আসছিল চোখের সামনে, নিঃশ্বাস নিতে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল। এভাবে স্বামীকে মৃত্যুর মুখে দেখে রেনু সহ্য করতে পারছিলেন না। কোনোভাবে তিনি স্বামীকে বাঁচাতে চাইছিলেন। কোনো উপায় না পেয়ে শেষ পর্যন্ত মুখ দিয়ে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টাও করেন স্বামীকে। কিন্তু তার এই প্রচেষ্টা কোনো কাজেই লাগেনি। রবিকেবাঁচানো যায়নি।
স্বামীর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে রেনু একটি অটোতে করে রবিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন হাসপাতালের উদ্দেশ্যে। তারা সরকারি ওই হাসপাতালের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরপরই খারাপ হতে থাকে রবির অবস্থা। রেনু আপ্রাণ চেষ্টা করেন যেন হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায় রবিকে। যখন দেখলেন কিছুতেই শ্বাস নিতে পারছেন না রবি; তখন তিনি মুখ দিয়ে অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করতে থাকেন স্বামীর মুখে। কিন্তু এতেও কোনো কাজ হয়নি। তিনি বাঁচাতে পারেননি রবিকে।
স্বামীকে বাঁচাতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রেনুর এ আপ্রাণ প্রচেষ্টার ছবি দেশটির সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ভারতে দ্বিতীয় দফায় মহামারি করোনায় কতটা নাজুক অবস্থায় ভারত এ ঘটনায় তা ফুটে উঠছে।