a
ছবি সংগৃহীত: খালেদা জিয়া ও সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেন সেনাপ্রধান। এ সময় সেনাপ্রধানের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী বেগম সারাহনাজ কামালিকা রহমান।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রাত সাড়ে আটটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবনে প্রবেশ করেন। সেখানে তাকে স্বাগত জানান খালেদা জিয়ার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাক্ষাতের কথা নিশ্চিত করেন।
শায়রুল কবির খান জানান, রাত সাড়ে আটটা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন ও বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে অবহিত হন সেনাপ্রধান ও তার সহধর্মিণী। সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, সেই দোয়া করেছেন সেনাপ্রধান ও তার স্ত্রী। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
আসাদুজ্জামান খান কামাল । ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা যাচ্ছেনা। কারণ সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার কোনো সুযোগ আইনে নেই।
রবিবার (৯ মে) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদন পর্যালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল রবিবার সকালে মতামতের জন্য কপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।
খালেদা জিয়া গত ১০ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হন। গত ২৭ এপ্রিল তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গত সোমবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
ফাইল ছবি
শিল্পোন্নত ৭ জাতি গোষ্ঠীর সংগঠন জি-সেভেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে আগ্রাসী এবং ভিত্তিহীন সমালোচনার মাধ্যমে বিপজ্জনক খেলা খেলায় মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রিটেনে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিন।
কেলিন বলেন, জি-সেভেনের এই অপতৎপরতার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়ে যাবে। ফলে দু’টি দেশ ঐক্যবদ্ধভাবে পশ্চিমাদের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।
ব্রিটেনে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। জি-সেভেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা চীন ও রাশিয়াকে কঠোর সমালোচনা করেছেন চলতি মাসের গোড়ার দিকে।
ইউক্রেন এবং চীনা তাইপের বিষয়ে মস্কো এবং বেইজিংকে তারা বলদর্পী ও বিদ্বেষী শক্তি হিসেবে কটাক্ষ করে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, জি-সেভেন তাদের দীর্ঘ ঘোষণাপত্রে পক্ষপাতপূর্ণ, সাংঘর্ষিক ও সারবত্তাহীন বক্তব্য প্রদান করেছে। এতে করে চীন ও রাশিয়ার জনগণের মধ্যে পশ্চিমা-বিরোধী ধ্যান-ধারণার উদ্বুদ্ধ করছে।