a
ছবি:মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন
দেশের সঙ্গীত ভুবনে ইতিমধ্যে সারা ফেলেছেন এক ঝাঁক তরুন সঙ্গীত শিল্পী। এবার ভিন্ন রকম একটি নতুন গান ও মিউজিক ভিডিও নিয়ে আসছেন সাফাওয়াত আলম। গানের শিরোনাম ''তুমি নেই''। নোমান ফিল্মস এর ব্যানারে সম্পূর্ণ নতুন রুপে আসছে "তুমি নেই'' শিরোনামের এই মিউজিক ভিডিওটি।
গানটির কথা লিখেছেন এই প্রজন্মের প্রতিভাবান পরিচালক ও গীতিকবি নিজাম উদ্দিন রনি। ভোকাল দিয়েছেন সাফাওয়াত আলম এবং মিউজিক করেছেন স্বনামধন্য কম্পোজার পিরান খান। বাংলা সঙ্গীত অঙ্গনে পিরান খান ইতিমধ্যেই অনেক হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি তার কাজ দ্বারা স্বাক্ষরতার প্রমাণ দিয়েছেন।
নির্মাতা নিজাম উদ্দিন রনি'র পরিচালনায় এবং আব্দুল্লাহ আল নোমানের প্রযোজনায় আসছে "তুমি নেই "। পরিচালক জানিয়েছেন এই মাঝে সকল শুটিং ও কম্পোজিশনের কাজ শেষ হয়েছে। অভিনয়ে ছিলেন শেহজাদ ওমর এবং লিয়না লুবায়না ইসলাম। ডিওপি হিসেবে আছেন এইচ আর হানিফ, সম্পাদনায় রুমি ও পোস্টার ডিজাইন করেছেন সোহান আহমেদ।
পরিচালকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান— এ বছর চিন্তা করেছি অনেক কাজ করবো। এরই ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাচ্ছি। অসাধারণ সুন্দর এই সুন্দর মিউজিক ভিডিওটি দেখতে পাবেন খুব শীঘ্রই নোমান ফিল্মস ইউটিউব চ্যানেলে।
ফাইল ছবি
আগামী রবিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে দোকানপাট ও শপিংমল স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। শুক্রবার দুপুরে উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার অথবা সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনী সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিধিনিষেধের মধ্যেই দোকানপাট ও শপিংমল খোলার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশে দ্বিতীয় দফায় গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ‘লকডাউন’ শুরু হয় এবঙ তা চলবে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত।
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম এড়াতে প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরও দুই দিন বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সে সময় সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, গণপরিবহন চালু ছিল।
পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল থেকে ১ সপ্তাহের জন্য সব ধরনের অফিস ও পরিবহন বন্ধে রাখার পাশাপাশি বাজার-মার্কেট, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রদান করা হয়। তবে উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।
বুশরা অ্যামিওয়ালা
যুক্তরাষ্ট্রের কনিষ্ঠতম মুসলিম কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সবার নজর কাড়েন শিকাগোর বাসিন্দা বুশরা অ্যামিওয়ালা। মাত্র ২১ বছর বয়সে স্কোক স্কুল বোর্ডের সদস্য হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ‘আওয়ার আমেরিকা : উইম্যান ফরওয়ার্ড’ নামের হুলু ডকুমেন্টারিতে তাঁর কৃতিত্ব তুলে ধরা হয়।
বুশরার মা-বাবা কয়েক দশক আগে পাকিস্তানের করাচি শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হন। প্রথমে তার বাবা দেশটিতে কাপড়ের দোকানসহ অন্যান্য পেশায় কাজ করেন। তার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে। তখন থেকে তার মা-বাবার স্বপ্ন ছিল তাদের মেয়ে একদিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ক্যারিয়ার তৈরি করবেন।
বুশরা ১০ বছর বয়স থেকে সপরিবারে ইলিনয়সের স্কোক কুক কাউন্টিতে বসবাস শুরু করেন। এখানের নাইলস নর্থ হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ডেপাউল বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বিষয়ে স্নাতকপর্যায়ে পড়াশোনা করেন। তা ছাড়া সমাজসেবা ও সরকারি নীতি বিষয়েও পড়াশোনা করেন।
২০১৮ সালে বুশরা স্কোকি ইলিনয় শহরের প্রাথমিক নির্বাচনে কাউন্টি বোর্ড অব কমিশনার্সের কনিষ্ঠতম ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট লাভ করেন। এ নির্বাচনে তিনি ল্যারি সাফরেডিনের কাছে হেরে যান। এরপর সাফরেডিনের পরামর্শে ইলিনয়ের শিক্ষা অফিসের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচন করে জয়ী হোন।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সমাজসেবা ও শ্রেষ্ঠ তরুণ হিসেবে উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন সম্মাননা পুরস্কার এশিয়ান আমেরিকান কোয়ালিশন অব শিকাগো (এএসিসি) লাভ করেন। চেঞ্জিং আমেরিকা’র এক সাক্ষাৎকারে বুশরা বলেন, ‘সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে উদার মনোভাব নিয়ে নারীরা নিজেদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছেন, তা সত্যিই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
বুশরা বলেন, নারী হিসেবে আমাদের পোশাক হিজাবকে অনেক ক্ষেত্রে খাটো করে উপস্থাপন করা হয়। তাই সব সময় মানুষকে বলতে শোনা যায়, মুসলিম তরুণী সরকারি পদপ্রার্থী হয়ে কাজ করছেন। অথচ তারা আমার নামও জানেন না। বুশরা সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। প্রথমে বুশরা সমাজের দারিদ্র্য, ক্ষুধা, গৃহহীন, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং শিক্ষাগত বৈষম্যের বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন তিনি।
বুশরা বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকলেও ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ে নিজের অবস্থানের জানান দিয়েছেন ও স্থায়ী প্রভাব তৈরি করছেন তিনি। বিশেষত কংগ্রেস উইম্যান ইলহাম ওমরের অনুপ্রেরণা বুশরাকে নিজেকে সামনে এগিয়ে চলতে সহায়তা করে।