a পুলিশের সঙ্গে নারী চিকিৎসকের তুলকালাম কান্ড ও পরে মন্ত্রীকে ফোন
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ পৌষ ১৪৩২, ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পুলিশের সঙ্গে নারী চিকিৎসকের তুলকালাম কান্ড ও পরে মন্ত্রীকে ফোন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:২০
পুলিশের সঙ্গে নারী চিকিৎসকের তুলকালাম কান্ড ও পরে মন্ত্রীকে ফোন

ফাইল ছবি

সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে রাজধানীতে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রীতিমতো এক নারী চিকিৎসক তুলকালাম কাণ্ড করেছেন। পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বার বার অনুরোধ করেও মুভমেন্ট পাস বা কোন মেডিকেলের চিকিৎসক পরিচয়পত্র বের করতে পারেননি তার কাছ থেকে।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইবা শওকত জিমি এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালে  ভ্রাম্যমাণ আদালতের চেকে পড়েন। ঢাকা জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার শেখ মো. মামুনুর রশিদ সেখানে আদালত পরিচালনা করছিলেন। নিউ মার্কেট থানার একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে  সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন একাধিক পুলিশ সদস্য।

চেক পোস্টে চিকিৎসকের কাছে তার আইডি কার্ড দেখতে চান পুলিশ সদস্যরা। চিকিৎসক জিমি  সঙ্গে আইডি কার্ড আনেননি বলে জানান। এরপর মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া হয়  তার কাছে। এ সময় জিমি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস লাগে? এ কথা জিজ্ঞাসা করেন তিনি।

এলিফ্যান্ড রোডে পুলিশ চেকপোস্টে পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিশ ওই নারীর কাছে । এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে উঠেন। পুলিশের কাছে তিনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি বীর বিক্রমের মেয়ে। তোমরা পুলিশ হয়েছ আমার বাবা যুদ্ধ করেছিল বলেই।’ পাল্টা জবাব, ‘আমরাও ভেসে আসিনি। আমিও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আপনার বাবা একা যুদ্ধ করে নাই।’

এক পর্যায়ে  তিনি গালিগালাজ করতে থাকেন পুলিশ সদস্যদের। চাকরি হারানোর হুমকি দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বার বার নমনীয়ভাবে কথা বলতে দেখা যায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটকে। কিন্তু তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে থাকেন ওই নারী ।

৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী পুলিশকে বলেছেন, ‘করোনায় কয়জন ডাক্তারের জীবন গেছে, আর কতজন মরছেন আপনারা। আমার কাছে চান মুভমেন্ট পাস আবার।’

এরপরই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ওই নারীকে  পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘আপনি ধমক দিচ্ছেন কেনো আমাদের?’ জবাবে নারী বলেন, ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর মেয়ে।’ পুলিশও বলে, ‘আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। মুক্তিযোদ্ধার কথা শোনাচ্ছেন আপনি আমাকে।’

এসময় নিজেকে চিকিৎসক দাবি করা ওই নারী পুলিশকে বলেন, ‘ বন্ধ করতে হবে ডাক্তার হয়রানি। আমি বিএসএমএমইউ প্রফেসর, বীর বিক্রমের মেয়ে। আপনারা আমাকে  হয়রানি করতে পারেন না।’ পরে পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, ‘আপা আপনাকে তো হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে।’

এর পরে ওই নারী চিকিৎসক নিজ গাড়িতে ওঠে যান। তখন পুলিশের এক সদস্য বারবার ওই নারীকে বলেন, ‘আমাকে আপনি তুই তুই করে কেন বলছেন?’ এক পর্যায়ে ‌‍‍হয়রানি করলে তিনি পুলিশকে আন্দোলনের হুমকি দেন। পুলিশ জবাবে বলছে, ‘আমাদের আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন।’

‘আর আমি কে, এখন সেটা তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা।’ এই কথা বলে তিনি এক ‘মন্ত্রীকে’ ফোন করেন । ফোনে তাকে হয়রানি করার কথা বলেই তার ফোন তুলে দেন পুলিশ সদস্যের হাতে  কথা বলার জন্য। তারপরও তিনি পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাননি ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গুগল ম্যাপ দেখে অন্য বিয়েবাড়িতে বরযাত্রী, হুলস্থূল গ্রামে



বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৪৭
গুগল ম্যাপ দেখে অন্য বিয়েবাড়িতে বরযাত্রী, হুলস্থূল গ্রামে

তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে রাস্তা খুঁজতেও আমরা গুগলের আশ্রয় নেই। কোনও অচেনা জায়গায় গেলেই গুগল ম্যাপ-ই যেন প্রধান ভরসা। তবে কখনও কখনও এই গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে অনেকে বিপাকেও পড়েছেন। যাওয়ার কথা এক কনের বাড়ি, বরযাত্রী গিয়ে হাজির হল অন্য এক বিয়েবাড়িতে। প্রথমটায় ঘুণাক্ষরেও টের পেল না কেউ। একে অপরের মধ্যে উপহার দেওয়া নেওয়ায় হয়ে গেল। শেষে ভুল ধরলেন কনের কাকা। তারপরে তো দু’পক্ষেরই মাথায় হাত। বোঝা গেল, দোষ গুগল ম্যাপের। ম্যাপ দেখে বিয়েবাড়ি খুঁজতে গিয়েই এই হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। বরপক্ষ বিয়েবাড়ি খুঁজতে সাহায্য নিয়েছিল গুগল ম্যাপের। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার পাকিস জেলার ওই গ্রামে একই সঙ্গে দু’টি বিয়েবাড়ি আয়োজিত হয়েছিল। একটিতে ছিল বিয়ে, অন্যটিতে বাগ্‌দান পর্ব। দু’টিই কনেপক্ষের বাড়ি। যে বরপক্ষের বিয়েবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল, তারা গুগল ম্যাপের সাহায্যে গন্তব্য খুঁজতে থাকেন। ম্যাপ নির্দিষ্ট করে দেখায় যে বাড়িটিকে, সেটিতে আসলে চলছিল বাগ্‌দানের আয়োজন। সেখানেই ঢুকে পড়েন তাঁরা। ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের প্লেট আসে, আসে ফুল। উপহার লেনদেন হয়। কিন্তু ভুল ভাঙান কনের কাকা। দেখা যায়, এই বরযাত্রীর দলের আসলে অন্য মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা। শেষে ওই বাড়ির লোকই গ্রামের অপর প্রান্তে ঠিক বাড়িতে পৌঁছে দেন বরযাত্রীর দলকে।

নেট দুনিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে এই ঘটনাটি বিশেষ করে একটি ভিডিও। স্বাভাবিক ভাবে হাসির রোল উঠেছে এই ভিডিয়ো ঘিরে। অনেকেই বলছেন, ভাগ্যিস বিয়ে পিঁড়ি পর্যন্ত ঘটনা গড়ায়নি, তাহলে যা হত, তা সেলুলয়েডের গল্পকেও হার মানাবে।

পরবর্তীতে অবশ্য উলফার বাড়ির লোকজনই ওই বরযাত্রীদের সঠিক বাড়িতে পৌঁছতে সাহায্য করে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / saiful islam

প্ল্যাকার্ড হাতে একা দাঁড়িয়ে যৌন হয়রানির বিচার চাইলেন জবি শিক্ষার্থী


মাহাদী সিয়াম, জবি প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৭:৩৯
প্ল্যাকার্ড হাতে একা দাঁড়িয়ে যৌন হয়রানির বিচার চাইলেন জবি শিক্ষার্থী

ছবি:মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের-(জবি) ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের শিক্ষক আবু শাহেদ ইমনের বিরুদ্ধে হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন। ২০১৭-১৮ সেশনের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা এই অভিযোগের বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে দাড়িয়ে বিচার দাবি করেন।

ফারজানা অভিযোগ, ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর শিক্ষক জনাব আবু শাহেদ ইমন নিকতনের ব্লক-এ এর দুই নাম্বার রোডের ৮২ নাম্বার বাসায় অবস্থিত ব্যক্তিগত অফিস কার্যালয়ে তাকে ডেকে ফ্রেন্ডশিপের প্রস্তাব দিয়ে শারীরিকভাবে নিগৃহীত করেন।

ফারজানার ভাষায় শিক্ষক আবু শাহেদ ইমন তার শরীরে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বলেন, আমাকে দেখে তোমার কি কখনও কিছু অনুভব হয়নি? এ কথা বলতে বলতে তিনি নিজের চেয়ার থেকে উঠে এসে আমার চেয়ারের পেছনে এসে যৌন অঙ্গভঙ্গিতে আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে মেসেজ করতে শুরু করেন। তিনি তার যৌন তাড়না প্রকাশ করে বলতে থাকেন ভয় পেয়ো না। এখানে কেউ দেখতে পাবে না, কেউ শুনতেও পাবে না। উনার আচরণে আমি ভয় পেয়ে যাই এবং তৎক্ষণাৎ আমার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াতেই আবারও আমাকে জোরপূর্বক শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন। আমাকে তার সাথে নোংরা কাজে লিপ্ত হওয়ার জোর করেন। আমাকে নিজেকে রক্ষা করতে চিৎকার করে বলতে থাকি স্যার আপনি যা চাচ্ছেন আমি তা চাচ্ছিনা। আমি পুলিশ ডাকার ভয় দেখালে তিনি আমাকে ছাড়তে বাধ্য হোন।

ফারজানা আরোও বলেন, “আমি তার পরের দিন এক সহপাঠীসহ বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে এই ঘটনা জানাই। তিনি জানান উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া বিচার করা সম্ভব না। উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া উপাচার্য বরাবর অভিযোগ করলে তা প্রমাণ করতে না পারলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে ছাত্রত্ব বাতিল হতে পারে।”

এই শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন তার পরবর্তীতে ক্লাসে লাঞ্চনা, এসাইনমেন্ট ও উপস্থিতির বৈষম্যের শিকার এবং পরীক্ষার স্বল্প মার্কসের ঘটনা ঘটলে ফারজানা ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে উপাচার্যের কাছে এই বিষয়ে বিচারের জন্যেক লিখিত অভিযোগ করেন। তার অভিযোগ অন্যান্য সহপাঠীদের প্রলোভন দেখিয়ে এবং কাউকে কাউকে ভয় দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি যৌন হয়রানির অভিযোগ সেলেও ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে। সুপরিচিত হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষক প্রশাসনের আস্থাভাজন হওয়ায় বিভাগীয় চেয়ারম্যান এই বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদেরকেও সংবাদ না করার চাপ দেয়া হয়। সর্বশেষ বাধ্য হয়ে একাই এই শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করতে দাঁড়ান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানির প্রতিরোধ কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে, তারা ব্যবস্থা নেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানির প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা বলেন, এটি নিয়ে আমাদের সামনের সপ্তাহে মিটিং আছে, তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এর আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অন্যান্য

সর্বোচ্চ পঠিত - অন্যান্য

অন্যান্য এর সব খবর