a পুলিশের সঙ্গে নারী চিকিৎসকের তুলকালাম কান্ড ও পরে মন্ত্রীকে ফোন
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পুলিশের সঙ্গে নারী চিকিৎসকের তুলকালাম কান্ড ও পরে মন্ত্রীকে ফোন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:২০
পুলিশের সঙ্গে নারী চিকিৎসকের তুলকালাম কান্ড ও পরে মন্ত্রীকে ফোন

ফাইল ছবি

সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে রাজধানীতে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রীতিমতো এক নারী চিকিৎসক তুলকালাম কাণ্ড করেছেন। পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বার বার অনুরোধ করেও মুভমেন্ট পাস বা কোন মেডিকেলের চিকিৎসক পরিচয়পত্র বের করতে পারেননি তার কাছ থেকে।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইবা শওকত জিমি এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালে  ভ্রাম্যমাণ আদালতের চেকে পড়েন। ঢাকা জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার শেখ মো. মামুনুর রশিদ সেখানে আদালত পরিচালনা করছিলেন। নিউ মার্কেট থানার একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে  সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন একাধিক পুলিশ সদস্য।

চেক পোস্টে চিকিৎসকের কাছে তার আইডি কার্ড দেখতে চান পুলিশ সদস্যরা। চিকিৎসক জিমি  সঙ্গে আইডি কার্ড আনেননি বলে জানান। এরপর মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া হয়  তার কাছে। এ সময় জিমি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস লাগে? এ কথা জিজ্ঞাসা করেন তিনি।

এলিফ্যান্ড রোডে পুলিশ চেকপোস্টে পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিশ ওই নারীর কাছে । এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে উঠেন। পুলিশের কাছে তিনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি বীর বিক্রমের মেয়ে। তোমরা পুলিশ হয়েছ আমার বাবা যুদ্ধ করেছিল বলেই।’ পাল্টা জবাব, ‘আমরাও ভেসে আসিনি। আমিও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আপনার বাবা একা যুদ্ধ করে নাই।’

এক পর্যায়ে  তিনি গালিগালাজ করতে থাকেন পুলিশ সদস্যদের। চাকরি হারানোর হুমকি দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বার বার নমনীয়ভাবে কথা বলতে দেখা যায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটকে। কিন্তু তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে থাকেন ওই নারী ।

৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী পুলিশকে বলেছেন, ‘করোনায় কয়জন ডাক্তারের জীবন গেছে, আর কতজন মরছেন আপনারা। আমার কাছে চান মুভমেন্ট পাস আবার।’

এরপরই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ওই নারীকে  পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘আপনি ধমক দিচ্ছেন কেনো আমাদের?’ জবাবে নারী বলেন, ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর মেয়ে।’ পুলিশও বলে, ‘আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। মুক্তিযোদ্ধার কথা শোনাচ্ছেন আপনি আমাকে।’

এসময় নিজেকে চিকিৎসক দাবি করা ওই নারী পুলিশকে বলেন, ‘ বন্ধ করতে হবে ডাক্তার হয়রানি। আমি বিএসএমএমইউ প্রফেসর, বীর বিক্রমের মেয়ে। আপনারা আমাকে  হয়রানি করতে পারেন না।’ পরে পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, ‘আপা আপনাকে তো হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে।’

এর পরে ওই নারী চিকিৎসক নিজ গাড়িতে ওঠে যান। তখন পুলিশের এক সদস্য বারবার ওই নারীকে বলেন, ‘আমাকে আপনি তুই তুই করে কেন বলছেন?’ এক পর্যায়ে ‌‍‍হয়রানি করলে তিনি পুলিশকে আন্দোলনের হুমকি দেন। পুলিশ জবাবে বলছে, ‘আমাদের আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন।’

‘আর আমি কে, এখন সেটা তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা।’ এই কথা বলে তিনি এক ‘মন্ত্রীকে’ ফোন করেন । ফোনে তাকে হয়রানি করার কথা বলেই তার ফোন তুলে দেন পুলিশ সদস্যের হাতে  কথা বলার জন্য। তারপরও তিনি পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাননি ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রয়াস আয়োজনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা


আবু হানিফ, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০২২, ১০:১৪
প্রয়াস আয়োজনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ফাইল ছবি

শরীয়তপুরে থেকে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ জুলাই (সোমবার)  বিকাল ৪টায় সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজ মাঠে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪০ জন শিক্ষার্থীকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী জনাব এ কে এম এনামুল হক শামীম উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ব্যস্ততার কারনে উপস্থিত হতে পারেননি কিন্তু তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সকলের উদ্দেশ্যে কথা বলেছেন। তিনি বলেন প্রোগ্রামে উপস্থিত হতে না পেরে প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের সখিপুর এখন সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় তারুনদের প্রধান্য দিচ্ছেন। লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিতে শিক্ষার্থীদের তিনি আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন উন্নত সখিপুর গড়ে তুলতে চাইলে গুনগত মানের ক্ষেত্রে কোন কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।

বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্স অনুষদের ডিন, সিনেট সদস্য  অধ্যাপক ড.মোঃ জিল্লুর রহমান, ঢাকা সিটি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.মোঃআনোয়ার হোসেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এইচ এম মোশাররফ হোসেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড.শাহরিয়ার আহম্মেদ। আরো উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও বাংলাভিশনের বার্তা সম্পাদক জনাব, বেনজির আহমেদ প্রমূখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমান বলেন, আগে খুব কমসংখ্যক শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিত আর এখন সে সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে গেছে সেখান থেকে লড়াই করে যারা ভর্তি হয় তারা নিশ্চয়ই মেধাবী শিক্ষার্থী। তোমরা সেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের অংশ।আমরা বিভিন্ন সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আমরা যদি আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারি তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিনত হতে পারবো। ২০৪১ সালে ইউরোপকে ছাড়িয়ে যাবে আমাদের দেশ। দেশকে উন্নত শিখরে এগিয়ে নিতে হলে দায়িত্ব হবে শিক্ষার্থীদের।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিরাজ সিকদার কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান জনাব পলাশ রাউত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রয়াস সংগঠন এর সভাপতি মোঃ মোতালেব মাঝি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবী কর্তৃক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালসহ থানার মিথ্যা মামলা দায়ের থেকে প্রতিবাদ


কামরুল হোসেন, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ১০:৪০
ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবী কর্তৃক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালসহ থানার মিথ্যা মামলা দ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

কামরুল হোসেন, ঢাকা:  ক্ষমতার বড়াই থাকলে কত কিছু করা যায় তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ দিলেন কথিত ভন্ড পীর এবং পীরের কিছু লোকজন। আজ ৩ বছরের শিশুকে নিয়ে শারমিন জাহানের ক্রন্দনের ধ্বনি স্তম্ভিত করে দেয় উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের।

আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, দুপুর ২ টায় রাজধানী ঢাকার "ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ" এর হলে ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবী কর্তৃক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালসহ থানার মিথ্যা মামলা দায়ের থেকে প্রতিবাদে প্রেস কনফারেন্স করেন শারমিন জাহান।

সংবাদ সম্মেলনে সকলকে তিনি বলেন, উপস্থিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সম্মানিতে সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আমার সালাম ও আদার ! আমি শারমিন জাহান, স্বামী- এমডি জিয়াউদ্দিন রিপন, সাং- বাসা নং-১৯, রোড-৭/২, ব্লক-সি, সেকশন-৬, থানা- পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা। এ মর্মে বলছি যে, আমার স্বামী এমডি জিয়াউদ্দিন রিপন একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি, কখনোই কোন রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। আমার স্বামী বাংলাদেশের স্বনামধন্য শীর্ষ গ্রুপ অব কোম্পানী যমুনা গ্রুপের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিক্স এন্ড অটোমোবাইলস লিং এর সিনিয়র জিএম (কর্পোরেট সেলস) পদে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে কর্মরত আছেন। যার উপর অর্পিত আছে উক্ত কোম্পানীর বাৎসরিক প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা।

কোম্পানী নির্ধারিত সকাল ৯.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬.০০ টা পর্যন্ত চাকুরীর শর্ত মোতাবেক কোম্পানীর হেড অফিসে তাকে উপস্থিত থাকতে হয় এবং প্রতিদিনের কর্ম শেষে নিয়মিত রাত্র অনুমান ৮.০০ টা নাগাদ তিনি বাসায় ফিরে আসেন। প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, প্রতিদিনের ন্যায় বিগত ১৯/১২/২০২৫ ইং তারিখেও তিনি যথারীতি বাসায় ফিরে এসে আমাদের একমাত্র সন্তান আনাহিতা মনিকে (বয়স ৩ বছর) নিয়ে খুঁনসুটি করে ঘুম পারিয়ে দেন। ওই দিন অর্থাৎ গত- ১৯/১২/২০২৪ ইং দিবাগত রাত ১.৩০ দিকে হঠাৎ কিছু পুলিশ সাথে ভন্ড পীরের কিছু লোকজন সাথে নিয়ে আমার স্বামীকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

পরে কাফরুল থানায় গিয়ে জানতে পারি গত-১৯/০৭/২০২৪ ইং তারিখের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন ভুক্তভোগীকে দিয়ে আমার স্বামীকে ১ নং আসামী করে আরো ৭ জনকে এজাহারভুক্ত আসামী করে সাথে ১০০-১৫০ অজ্ঞাতনামা আসামী করে গত-১০/১২/২০২৪ ইং তারিখে কাফরুল থানার মামলা নং-০৯ (১২) ২৪. ধারা-১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩২৬/৩০৭/১০৯/৩৪ দন্ডবিধি দায়ের করে। আমরা পরের দিন বিজ্ঞ আদালতে জামিনের জন্য গেলে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারি।

প্রকৃত ঘটনাঃ আমার স্বামীর পারিবারিক সম্পত্তি মিরপুর ৬ নং -এ ব্লক সি, রোড নং-৭/২ - এ আপাতত একটি বিল্ডিং পীর সাহেব জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে ঢাকার ১ম সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা- ১৬৩/২৪ বিচারাধীন আছে। তা স্বত্ত্বেও গত ২৯/১১/২০২৪ ইং তারিখে মিরপুর আর্মি ক্যাম্পের তার (স্বামী) পরিচিত এক সেনা কর্মকর্তার মাধ্যমে আমার স্বামীকে ডেকে নেওয়া হয়। যেহেতু দেওয়ানী মামলা চলমান আছে সেই কারণে তারা এ বিষয়ে আর কোন কথা বাড়ায় নি কিন্তু তার পরে গত-১০/১২/২০২৪ ইং তারিখে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করে এবং ১৯/১২/২০২৫ ইং তারিখে গ্রেফতার করে। এ পর্যন্ত অনেকবার বিশিষ্ট আইনজীবী নিয়োগ করে জামিন শুনানী করেছে কিন্তু কোন লাভ হয় নি। ইতিমধ্যে বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন লোক মারফত আমাদের জানানো হয়েছে যে কোনভাবেই আমার স্বামী জামিন পাবে না।

কারণ, উক্ত ভন্ড পীর সৈয়দ এম সাইদুর রহমান আল মাহবুবীর হাত অনেক লম্বা, যে ইতিপূর্বে বিতর্কিত দেওয়ানবাগী পীর সাহেবের ক্যাশিয়ার ছিল। তার পক্ষ থেকে জনানো হয় যে সিএমএম কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, এমনকি এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় পর্যন্ত তাদের লোক রয়েছে যাতে আমার স্বামীর জামিন না হয়। এমনকি বলা হয়েছে যদি আমার স্বামী যদি তাদের সাথে উক্ত সম্পত্তি নিয়ে ঐ ভন্ড পীরকে বুঝিয়ে না ছেড়ে দেয় তাহলে সে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় আসামী করে ফাঁশিতে ঝুলাবে। ইতিমধ্যে তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের অজান্তে মহামান্য হাইকোর্টে এক বেঞ্চ থেকে আরেক বেঞ্চে আমার স্বামীর জামিনের আবেদন করে যাচ্ছেন এবং আমাদের জানানো হয়েছে যে গত-১৬/০২/২০২৫ ইং তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক অপরাধ মামলা নং ১৬ দায়ের করা হয়েছে। এখনো যদি আমরা উক্ত ভন্ড পীরের কথায় রাজি হই তাহলে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাই্যুনালসহ অন্যান্য মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বন্দ্যোবস্ত করবেন, অন্যথায় আমার স্বামীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় ফাঁশিতে ঝুলিয়ে মারার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।

আমি একজন কম বয়সী নারী সেই সাথে ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান নিয়ে এই ভন্ড পীরের লোকজনের ভয়ে আমার বাবার বাড়ীতে বসবাস করছি। এই ভন্ড পীর তার নেটওয়ার্ক মাধ্যমে আমার স্বামী সম্পর্কে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল-হাজতে রেখেছে, যেখান থেকে জামিনের ব্যবস্থা করতে পারছি না, অন্যদিকে আরো মামলা মোকদ্দমা ও জীবনের ভয়-ভীতি, হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা হুমকি- দুমকির ভয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে নিজের বাসা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করছি। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছি।

এই সময় শারমিন জাহান (এমডি জিয়াউদ্দিন রিপনের স্ত্রী) বলেন, আমি একজন মেয়ে হয়ে ছোট কন্যা শিশুকে নিয়ে এই কষ্ট এবং অত্যাচার সহ্য করতে পারছি না। আপনারা জাতির বিবেক, আপনারা প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুন। একজন পীরের ভয়ে যদি বাড়ি ছাড়তে হয় নারীদের তাহলে এই দেশে আইন আর আদালতের উপর মানুষের কিভাবে ভরসা থাকবে?

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অন্যান্য

সর্বোচ্চ পঠিত - অন্যান্য

অন্যান্য এর সব খবর