a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
হবিগঞ্জ শহরের আমির চাঁন কমপ্লেক্সের বাসায় মিলেছে জুলি আক্তার ২৪ এর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় যায়। গত ০৯-০৯-২০২১ ইং হবিগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন। এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। আত্মহত্যা না কি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড?
নিহত ঝুলি আমির চাঁন কমপ্লেক্স এর মালিক এর আত্মীয় বলে জানা যায়। জানা যায় যে, পোষ্টমর্ডেম রিপোর্ট আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টায় এক শ্রেণীর প্রভাব শালীদের চেষ্টা চলছে। রাতে মারা গেলেও লাশ উদ্ধার হয় ঐ দিন দুপুর ২-৩০ মিনিটে, তাতে জনমনে নানান সন্দেহ এবং আলোচনা-সমালোচনা চলছে লোক মুখে ও চায়ের টেবিলে।
শিক্ষার্থীদের জন্য হেলথ কার্ড ও ভ্যাক্সিন প্রদানের দাবিসহ মোট ৪ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সংসদ। বাংলাবাজার মোড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই মৌন মানবন্ধন করে ছাত্র ইউনিয়ন জবি সংসদের নেতৃবৃন্দ।
মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা প্লেকার্ডে তাদের চারটি দাবি তুলে ধরেন। সকল শিক্ষার্থীর জন্য হেলথ কার্ড প্রদান করতে হবে, শিক্ষার্থীদের করোনার ভ্যাক্সিন প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে, লকডাউনে শ্রমজীবি মানুষের আর্থিক দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে এবং শ্রমিক হেনস্থা বন্ধ করতে হবে, কথায় কথায় রিক্সা উল্টানো যাবেনা ইত্যাদি দাবি তুলে ধরেন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কে এম মুত্তাকী বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরিকল্পিত লকডাউনের ফলে শ্রমজীবী মানুষের আয় নেমে গেছে প্রায় শ্যূন্যের কোটায়। এই অবস্থায় দ্রুত নিম্নআয়ের মানুষদের আর্থিক দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শ্রমিকদের হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে। নিতান্তই পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষরা খাদ্যের নিশ্চয়তা তো পাচ্ছেই না, রিক্সাওয়ালাদের রিক্সা উল্টিয়ে রাখা হচ্ছে। বিভিন্ন অংকের জরিমানাও করা হচ্ছে। সকল প্রকার শ্রমিক হেনস্থা বন্ধ করতে হবে।
সংগৃহীত ছবিঃ মৃত আব্দুল আউয়াল (৩০)
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঁঙ্গা ইউনিয়নে হাকাম খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় আব্দুল আউয়াল (৩০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।
বুধবার (১মার্চ) সকালে হাকাম খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয় লোকজন লাশ দেখতে পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে জানালে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ডালিম আহমেদের নির্দেশনায় একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। আব্দুল আউয়াল কালিয়ারভাঁঙ্গা ইউনিয়নের টুকচানপুর গ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল আউয়াল মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাননি। আব্দুল আউয়াল নিখোঁজের পরদিন বুধবার সকালে হাকাম খালে স্থানীয়রা ভাসমান অবস্থা দেখতে পান। নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশটি উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন।
আব্দুল আউয়ালের ভাই আবুল কালাম জানায়, আমার ভাই আউয়াল মৃগী রুগী ও মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। সে নেশাগ্রস্ত করত। সে প্রায় সময় বাড়ির বাহিরে রাত্রি যাপন করে এবং এলোপাতাড়ি ঘুরাঘুরি করত। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ডালিম আহমেদ।