a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
হবিগঞ্জ শহরের আমির চাঁন কমপ্লেক্সের বাসায় মিলেছে জুলি আক্তার ২৪ এর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় যায়। গত ০৯-০৯-২০২১ ইং হবিগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন। এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। আত্মহত্যা না কি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড?
নিহত ঝুলি আমির চাঁন কমপ্লেক্স এর মালিক এর আত্মীয় বলে জানা যায়। জানা যায় যে, পোষ্টমর্ডেম রিপোর্ট আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টায় এক শ্রেণীর প্রভাব শালীদের চেষ্টা চলছে। রাতে মারা গেলেও লাশ উদ্ধার হয় ঐ দিন দুপুর ২-৩০ মিনিটে, তাতে জনমনে নানান সন্দেহ এবং আলোচনা-সমালোচনা চলছে লোক মুখে ও চায়ের টেবিলে।
ছবি: এম.এস.প্রতিদিন
সদরঘাটের সাথে পরিচিত নন এমন লোক বাংলাদেশে হয়ত খুজেই পাওয়া যাবে না। সদরঘাট হলো দক্ষিণবঙ্গগামী সকল মানুষের জন্য নদীপথে ঢাকা ত্যাগের প্রধান ফটক। ২২টি জেলার মানুষের কাছে প্রধান চলাচল মাধ্যম সদরঘাট। পূর্বে সদরঘাটের নাম শুনলেই চোখে ভেসে আসতো এদিক সেদিক ময়লার ভাগাড় কিন্তু বর্তমান সদরঘাটের চিত্র দেখে অনেকেই বিশ্বাস করতে পারবে না তারা কোথায় চলে এসেছে।
বাংলাদেশ সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিআইডব্লিউটিআইর সাবেক যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিনের প্রচেষ্টায় ২০১৯ সালে দখলদারদের থেকে সদরঘাটের বিভিন্ন যায়গা উদ্ধার করে গ্রিন সদরঘাট করা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন তার সেই পদক্ষেপ আজ মানুষের সামনে দৃশ্যমান।
বর্তমানে দেশের এই নদী বন্দরকে সর্বদা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৩২টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যেকোনো সময় যাত্রী সেবা দিতে চালু করা হয়েছে হটলাইন নম্বর। দখলি স্থান উদ্ধার করে সেখানে লাগানো হয়েছে নানা ধরনের গাছ, ঝাউ গাছ, বট গাছ, কৃষ্ণচূড়া গাছ উল্লেখযোগ্যভাবে সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলছে। একেবারে লালকুঠি ঘাট থেকে পশ্চিমের সীমানা পর্যন্ত রাস্তার পাশে ড্রামের ভিতর লাগানো হয়েছে ঝাউ গাছ এছাড়া লালকুঠি ঘাট থেকে প্রধান ফটক পর্যন্ত ইট দিয়ে গোলা করে মাটি উচু করে বট গাছ লাগানো হয়েছে। যা টার্মিনালের সামনের সড়কের শৃঙ্খলা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে।
টার্মিনালের সামনেই রয়েছে পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা যা খুব প্রয়োজন ছিল এমন গুরুত্বপূর্ণ যায়গায়। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে আহসান মঞ্জিল পর্যন্ত প্রত্যেক গেট দিয়ে ঢুকার সময়ই মন কেড়ে নিবে বাহারি ফুলের সৌন্দর্য্যে।
বর্তমানে যাত্রীর চাপ হালকা করতে বিভিন্ন অঞ্চলের ঘাট আলাদা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, পূর্বে সদরঘাটে পন্টুন সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩টি উচ্ছেদ অভিযানের পর পন্টুনের সংখ্যা এখন ৩০টি। ঘাটে কমেছে কুলি ও দালালদের দৌরাত্ব।
সংগৃহীত ছবি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিম লিংকন গ্রামবাসীর হামলায় রক্তাক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার এ ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাটাপোল গ্রামে মাটিকাটা ট্রাক্টরের চাপায় ওহিদুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয় এবং তার ছেলে ইয়াসিন আলী (৭) গুরুতর আহত হওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনিম লিংকন এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। এরপর তার ওপর হামলা চালালে মাথায় আঘাত পান।
এলাকাবাসী তথ্য মতে, বারবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবৈধভাবে ফসলের জমি নষ্ট করে মাটিকাটা বন্ধ করার জন্য লিখিত আবেদন করলেও কোনো কর্ণপাত করেননি। পরবর্তীতে এ দুর্ঘটনা ঘটায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তিনি জনরোষের মুখে পড়েন ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন।
এ ব্যাপারে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মুনিম লিংকনের মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি। জীবননগর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, এখন এলাকার পরিবেশ শান্ত। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজ বাসায় প্রাথমিক চিকিৎসার ভাল আছেন।