a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
হবিগঞ্জ শহরের আমির চাঁন কমপ্লেক্সের বাসায় মিলেছে জুলি আক্তার ২৪ এর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় যায়। গত ০৯-০৯-২০২১ ইং হবিগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন। এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। আত্মহত্যা না কি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড?
নিহত ঝুলি আমির চাঁন কমপ্লেক্স এর মালিক এর আত্মীয় বলে জানা যায়। জানা যায় যে, পোষ্টমর্ডেম রিপোর্ট আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টায় এক শ্রেণীর প্রভাব শালীদের চেষ্টা চলছে। রাতে মারা গেলেও লাশ উদ্ধার হয় ঐ দিন দুপুর ২-৩০ মিনিটে, তাতে জনমনে নানান সন্দেহ এবং আলোচনা-সমালোচনা চলছে লোক মুখে ও চায়ের টেবিলে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
গণিতের প্রতি যেন গ্রামের ছেলেমেয়েরা ভয় ভীতি না পায়, সেজন্য সহজ বোদগম্যভাবে করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শরীয়তপুরের ছেলে সবুজ। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ যেন গণিতের প্রতি বাড়ে, সেজন্য কুইজ, আইকিউ টেস্ট এবং লজিক পাজলের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা শেখান। রীতিমতো এক অন্যরকম আনন্দদায়ক ক্লাস করান তরুন সবুজ। গনিতকে জনপ্রিয় করতেই ২০২১ সালের ৮ জুলাই প্রতিষ্ঠা করেন ৭ ডিসিসি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুপার ১০ সদস্যের নিয়ে কাশেমপুর কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টে গতকাল ৮ জুলাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
৭ডিসিসি এর প্রতিষ্ঠাতা সবুজ আহমেদ বলেন, আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে ১০ জন সুপার লেভেলের বাচ্চা নিয়ে শুরু করেছিলাম আমার এই সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিম এবং ৭ডিসিসি এডুকেশনাল প্লাটফর্ম।
এই টিমের ১০ জন সদস্যকে তখন কয়েক ধাপে বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। এদের আইকিউ লেভেল এনাফ গুড। সেই শুরু থেকেই এখন অব্দি এদেরকে আমি গাইড করে আসছি।প্রবলেম সলভিং, ছোট খাটো আইকিউ টেস্ট এগুলা প্রায় সময়ই টিমের সদস্যরা প্রাকটিস করে। টিমের ১০ জনের মধ্যে ৫ জন কলেজ স্টুডেন্ট, ৩ জন এস এস সি ক্যান্ডিডেট, ১ জন ক্লাস ১০ এবং ১ জন ক্লাস ৯ এর শিক্ষার্থী।
সুপার ১০ এর বৈশিষ্ট্যঃ
১.এরা সিনিয়র জুনিকয়র সবাই একসাথে একই ধাপের প্রব্লেম সলভ করে।
২.একজনের প্রব্লেম সলভিং ক্যাপাবিলিটি দেখে অন্যজন মোটিভেট হয়।
৩.টিম আকারে প্রব্লেম সলভ করে।
৪.একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে, ছুটিকালীন সময়গুলাতে সবাই গণিত বিজ্ঞান প্রাকটিস করে।
এই যে এত এত কিছু করা হয়, এতে কিন্তু কারো কখনো মন খারাপ হয় না, কারো কখনো ক্লান্তিভাব আসে না, ইভেন কারো একাডেমিক এডুকেশনেও প্রভাব পড়ে না। যার শিক্ষক যত ভালো সে তত বেশি এগিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক।
তরুন শিক্ষার্থী সবুজ বলেন, সুপার ১০ টিম এবং ০৭ডিসিসি এর ১ বছর সেলিব্রেশন করলাম আমরা। সবাই যাতে ফ্রেশ মন নিয়ে পুরো উদ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সেকারনে সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিমকে অনেকেই সাপোর্ট করতে এগিয়ে আসছেন।
সবুজ আরো বলেন, আমাদের সুপার ১০ এর জন্য আমেরিকা থেকে গিফট মেহেদী হাবিব এর পক্ষ থেকে উপহার এসেছে। তিনি ভবিষ্যতে আমাদের সব রকম সাহায্য করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সবুজ বলেন, মেহেদী ভাই আরো একটা মহৎ কাজের আইডিয়া দিয়েছেন সুপার ১০ এর মতো সুবিধাবঞ্চিত এবং একটু পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে এইবার কাজ শুরু করতে বললেন।
যাদের দিকে সমাজ কিংবা কোনো সংগঠন তাকায় না, এমন ২০ জন বাচ্চা নিয়ে, অতি শীগ্রই আমি আরেকটা টিম করতে যাচ্ছি, যার নাম হবে, ‘ডিটারমাইন্ড ২০’।
আশা করি, সমাজের সুধীমহল, স্কলার এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা বরাবরের মতো আমার এই টিম গুলাকে সাপোর্ট করবেন।
গণিতপ্রেমী সবুজ বলেন, গত বছর ০৭ডিসিসি গণিত অলিম্পিয়াড এ লোকাল গভঃ এবং প্রয়াস সংগঠন আমাকে সাপোর্ট করেছেন।
এইবার সুপার ১০ অলিম্পিয়াড টিমকে সাপোর্ট করতেছেন আমেরিকা থেকে মেহেদী হাবিব। আশা করি, মেহেদী ভাইকে সামনের সকল কাজে পাশে পাব। উনি একজন বাস্তববাদী শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। এলাকার শিক্ষার্থীদের নিয়ে সারাজীবন চিন্তা ভাবনা করেন।বিদেশে থেকেও যে, আমাদের এই ছোট্ট কাজকে সাপোর্ট করতেছেন, এটা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
পরিশেষে সবাইকে গণিতপ্রেমে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন তরুন এই সবুজ।
ছবি: দ্বিতীয় ক্যাফেটেরিয়ার নির্ধারিত বিল্ডিং
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রায় ২৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র একটি ক্যাফেটেরিয়া। যেখানেও সিট সংখ্যা খুবই সীমিত হওয়ায় একজনের পর অন্য জনকে অপেক্ষা করতে হয় বসার জায়গার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী দূর থেকে আসে। তারা ক্যাম্পাসে এসে ক্যাফেটেরিয়াতে খাওয়ার উদ্দেশ্যে গেলে বেশির ভাগ সময়ে দেখা যায় সেখানে সিট ফাঁকা থাকে না। তাই তাদের বাধ্য হয়ে আশপাশের অপরিষ্কার ও মানহীন হোটেলগুলোর শরণাপন্ন হতে হয়। পূর্বে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে একটি ক্যাফেটেরিয়া থাকলেও তা অনেকদিন হলো ভেঙে ফেলা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল আরেকটি ক্যাফেটেরিয়ার। শিক্ষার্থীদের সেই দাবিতে সাড়া দিয়ে প্রশাসন আরেকটি ক্যাফেটেরিয়া স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের (জীম-ওয়াসি গেট) রফিক ভবনের পেছনের ফাঁকা জায়গায় দ্বিতীয় ক্যাফেটেরিয়া স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, ক্যাফেটেরিয়ার জন্য জায়গা ও নকশা প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় বিষয় উত্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন হলে ক্যাফেটেরিয়ার নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই বিষয়ে জানতে চাইলে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফ জানান, আমরা ক্যাম্পাসে এসে খাবারের জন্য আমাদেরকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এছাড়াও খাবারের মানও ভাল থাকে না সবসময়। দুপুরে ক্লাস শেষ করে এসে অনেক সময় খাবার পাওয়াও যায় না। আমাদের জন্য দ্বিতীয় ক্যাফেটেরিয়া করার উদ্দোগের জন্য প্রশাসনকে অনেক ধন্যবাদ।