a
ফাইল ছবি
পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন হাজিরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ৪১৬ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
শিডিউল অনুসারে রাত ১০টায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা থাকলেও আধা ঘণ্টা বিলম্বে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ বছর প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট এটি। হজের ফিরতি ফ্লাইট চলবে ৪ আগস্ট পর্যন্ত।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েচে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৬০ হাজার ১৩৯ জন পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব গেছেন। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮৭টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৩৬১ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৬৩টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৯১৪ জন ও নাস এয়ারের ১৪টি ফ্লাইটে পাঁচ হাজার ৮৬৪ জন সৌদি আরবে গেছেন। মোট তিনটি এয়ারলাইনসের ফ্লাইটের সংখ্যা ১৬৪টি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় প্রত্যেকটি মসজিদে অবশ্য পালনীয় ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার হতে এই নির্দেশনা জারি করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারাদেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৮ দফা এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ৪ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কতিপয় দিক-নির্দেশনা দেয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ১০টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
১০ নির্দেশনা:
১. মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।
২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে, সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৩. মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে, মুসল্লিদের নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।
৪. কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
৫. শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবেন।
৬. সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতে মসজিদের ওযুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
৭. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
৮. মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।
৯. করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামরা দোয়া করবেন।
১০. সম্মানিত খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘এই নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার অনুরোধ জানানো হলো।’
নতুন রাস্তার ছবি: চান্দুর মোড় থেকে শ্রী রবির বাড়ি পর্যন্ত
সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি: জামালপুর, সরিষাবাড়িতে ৪ নং আওনা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে চান্দুর মোড় থেকে শ্রী রবির বাড়ি পর্যন্ত এলাকার লোকজনের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দীর্ঘ রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়।
আওনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিনারা আশরাফ ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার পাশাপাশি এলাকার যুব সমাজকে সাথে নিয়ে আবাল, বৃদ্ধ সকলেই সহযোগিতা করে রাস্তাটি সম্পন্ন করা হয়।
৪ নং আওনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিনারা আশরাফের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করতে যারা অবদান রেখেছেন তারা হলেন- মনিরুজ্জামান মাছুম, ফিরোজ আলম সোহাগ, সাইম সরকার, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল মোতালেব দ্বিপন, কর্ণেল, বেল্লাল হোসেন, বাচ্চু মিয়া, রাজ্জাক, আসাদ, ছালাম, সাইদুল দোকানদার, রেজা দোকানদার, খোকন দোকানদার, আনছার আনিস, মামুন প্রমুখ।