a
ফাইল ছবি
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ‘‘দিদির বিদায় নিশ্চিত। খেলা হবে বলে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল। ভয় পাবেন না। নন্দীগ্রামের ভোটে দিদি হেরে গিয়েছেন। বাংলায় আর গুন্ডারাজ চলবে না।’’
তিনি বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই ‘কয়লা মাফিয়া’, ‘বালি মাফিয়া’দের নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গে সেই কথাও শোনা গেল অমিতের মুখে। তিনি বলেন, ২ তারিখের পর বালি মাফিয়া, কয়লা মাফিয়াদের রাজত্ব বন্ধ করব। সবাইকে জেলে পাঠাবার ব্যাবস্থা করবো। শুধু আপনারা দিদিকে বদলান। আত্মীয়দের ফোন করে বলুন, ভোট দিতে আসতে।
আজ শুক্রবার আলিপুরদুয়ারে বিজেপি-র জনসভায় এসব কথা বলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অমিত শাহ আরও বলেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ানো হবে। এখন মজুরী ২১০ টাকা আছে, এই মুজুরী বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা করা হবে। আর যেসব শ্রমিকরা চা-বাগানে চাকুরি করেন তাদের জন্য পাহাড়ে নেপালি ভাষার একাডেমি বানিয়ে দেয়া হবে।
মৃত্যুর ৯ বছর পর খোঁজ পাওয়া গেল তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের কবর। তার মৃত্যু এবং কোথায় কবরস্থ করা হয়েছে তা এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল।
১৯৯৬-২০০০ মেয়াদে আফগানিস্তানের সরকার গঠন করে তালেবান। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন মোল্লা ওমর। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে ক্ষমতাচ্যুত হন মোল্লা ওমর। আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে তালাবানকে উৎখাত করা হয়।
এ ঘটনার পর মোল্লা ওমরের অবস্থান নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তাকে কোথাও দেখা যাচ্ছিল না। ২০১৫ সালে তালেবান স্বীকার করে দুই বছর আগে তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কোথায় তার কবর সে সম্পর্কে মুখ খোলেনি তখন।
তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ রোববার বার্তা সংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করে বলেন, মোল্লা ওমরের কবর জাবুল প্রদেশের সুরি জেলার ওমরজোর গ্রামে। শত্রুরা যাতে ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য বিষয়টি গোপন ছিল।
মুজাহিদ বলেন, শুধু পরিবারের সদস্যরা মোল্লা ওমরের কবরের ব্যাপারে জানতেন। এখন আমরা সমাধিস্থলটি উন্মুক্ত করেছি, কারণ এখন আর শত্রুর ভয় নেই।
মোল্লা ওমার ৫৫ বছর বয়সে মারা যান। সোভিয়েত বাহিনী আফগানিস্তান দখলের পর ১৯৯৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের সময় নিজে তালেবান সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মোল্লা ওমর। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আজ ১৪ আগষ্ট ২০২১ ইং দুপুর ২২-৩০ মিনিটে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়, হবিগঞ্জে দৈনিক মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন এর সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সাংবাদিক শেখ আঃ কাদির কাজল এর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, হবিগঞ্জ জেলা আয়োজিত পরিচিতি, আলোচনা ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হবিগঞ্জের সকল উপজেলার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান খান, মীর দুলাল, আছাদুজ্জামান সুমন, মোতালিব তালুকদার দুলাল, শাহেনা আক্তার, ডাঃ সৈয়দ রুবায়েল আহমেদ জুয়েল, রাহেনা শিরিন প্রমুখ।
সভাপতি উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানোর মতো। আপনারা পেশাদারীত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতা নিশ্চিত করে কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন।
পরিশেষে শোকের মাস আগষ্ট উপলক্ষে-১ মিনিট নিরবতা পালন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবার ও সকল নৃশংস হত্যাকান্ডের নিন্দা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।