a
ফাইল ছবি
উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ বিরাজ করার কারণে এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তার আশেপাশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সমুদ্র বন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসার ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদফতর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার (১২ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়ার আগ পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে আবহাওয়া অফিস জানায়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফাইল ছবি
ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’-এর কারণে বঙ্গোপসাগরে সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থান করা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে রবিবারের (২৩ মে) মধ্যে তীরে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। শনিবার সকালে ঘূর্ণিঝড় সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর।
এদিকে, ভারতে আম্ফানের স্মৃতি উস্কে দিয়ে ঠিক এক বছরের মাথায় আতঙ্ক এবং আশঙ্কা বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নিম্নচাপকে নিয়ে এখন থেকেই যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ বলছে, ২৬ মে বাংলা এবং ওড়িষ্যার উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত থাকতে পারে। আপাতত পূর্বাভাস এমনটাই দেয়া হয়েছে। ফলে এই ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের চেয়েও বিধ্বংসী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই ঘূর্ণিঝড় প্রথম ধাক্কা পড়বে বাংলা এবং ওড়িষ্যার উপকূলে। এ রাজ্যে মোট ৬৫ টি জাতীয় বিপর্যয় মোবাবিলা বাহিনীর দল মোতায়েন করা হয়েছে। ২০টি দলকে বাড়তি পরিস্থিতি মোকাবিলার করার জন্য তৈরি রাখা হয়েছে।
ফাইল ছবি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সীমিত সম্পদ দিয়েই সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ থেকে শুরু করে সকলের জীবনমান উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রবিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৫৩ হাজার ৩৪০টি আধা-পাকা বাড়ি ভূমিহীনদের মাঝে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি আমাদের সীমিত সম্পদ দিয়ে সাধারণ এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে। এটাই আমাদের লক্ষ্য’ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় রংপুর বিভাগে ১২ হাজার ৪৩৬ টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ হাজার ৫৪৭টি, ঢাকা বিভাগে ৭ হাজার ৬৩০ টি, রাজশাহী বিভাগে ৭ হাজার ১৭২টি, বরিশাল বিভাগে ৭ হাজার ১৫৩ টি, খুলনা বিভাগে ৯১১ টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ২ হাজার ৫১২ টি এবং সিলেট বিভাগে ১ হাজার ৯৭৯ টি আধা-পাকা ঘর জমির মালিকানাসহ হস্তান্তর করা হয়।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই সমাজের অতি দরিদ্র শেণির মানুষদের সাহায্য করার চেষ্টা করছে এবং বর্তমানে এর ফলাফল চোখে পড়ছে। ‘অতি দরিদ্ররা এখন স্বনির্ভর হতে শিখছে, তারা সমাজের সামনের দিকে এগিয়ে আসছে, আমরা এমনটা ই চাই,’ বলেন শেখ হাসিনা।
দেশের গ্রামাঞ্চলগুলোতে শিক্ষা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তোলাই সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘গ্রামকে উন্নত করাই আওয়ামী লীগের নীতি, আর এটাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন।’