a
ফাইল ছবি
আজ বগুড়ায় (বুধবার) মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১৫ জুলাইয়ের আগে ভালো খবর পাওয়ার সম্ভবনা কম।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আশিকুর রহমান জানান, গত কয়েকদিন ধরে এ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। বুধবার জেলার সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
গত ১ জুলাই থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে চলতি মৌসুমে এটি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৪ শতাংশ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি।
তিনি আরও জানান, ১৫ জুলাইয়ের আগে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তাই তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বৃষ্টি হলে তাপ কমবে।
এদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করায় প্রচণ্ড গরমে জনগণ বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। পাশাপাশি বিদ্যুতের লোডশেডিং জনদুর্ভোগ আরো বেড়ে গেছে। এসব গরম আবহাওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে সর্দি-জ্বরে ভুগছেন অনেকে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
আজও কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে ঢাকাসহ আশেপাশের এলাকায়। সেই সাথে কোথাও কোথাও হতে পারে শিলাবৃষ্টিও। ঢাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘গতকালের মতো আজও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। দুপুরের পর থেকে যে কোনও সময় ঢাকার বাইরে আর ঢাকার মধ্যে সন্ধ্যার পর যে কোনও সময় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আকাশ আপাতত মেঘলা আছে। একেবারে নিশ্চিত করে ঠিক কখন ঝড় হবে তা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা সম্ভব নয়। তবে আজ ঝড় হবে এটা নিশ্চিত।’
এদিকে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, এমনিতে ঢাকায় বাতাসের গতি ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার হলেও ঝড়ের সময় বাতাসের গতি বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পযন্ত যেতে পারে।
গতকাল ঢাকায় দুই দফা বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা অনেকখানি কমে এসেছে। তার আগের দুই দিন আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হয়নি।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমে স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম,বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
রুনু বেরোনিক
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম করোনার ভ্যাকসিন নিবেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা। মুন্নী খাতুন ও রিনা সরকারও তার সাথে করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার কথা রয়েছে।
বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
একই সময় আরো ২৫ জনকে করোনাভাইরাসেন টিকা দেয়া হবে। চিকিৎসক হিসেবে প্রথম ভ্যাকসিন নেবেন ডা. আহমেদ লুৎফর। সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনা আক্তার ও দীপালি ইয়াসমিনের নাম রয়েছে ভ্যাকসিন প্রদানকারীর তালিকায়।
তবে প্রথম ভ্যাকসিন গ্রহীতা হিসেবে রুনা বেরোনিকার নাম আছে। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকলে তালিকার অন্য দুজনের একজনকে টিকা দেয়া হবে।
রুনু বেরোনিকা সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথম টিকা গ্রহীতা হিসেবে এখুনি তিনি অনুভূতি জানাতে রাজি নন।