a
সংগৃহীত ছবি
আজ রবিবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শুরু হওয়া বৃষ্টি সন্ধ্যা পর্যন্ত থেমে থেমে অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পক্ষে বলা হয়েছে যে, আজ সকালে ঢাকায় এক মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এরপর বৃষ্টির মাত্রা বেড়েছে। দুপুর পর্যন্ত মেঘলা আকাশসহ বৃষ্টি থাকতে পারে।
আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এছাড়াও দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম,রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া,পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের উত্তর প্রদেশ,পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপাসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
ছবি সংগৃহীত
ফাইল ছবি
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর দখলদার ইসরায়েল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দিমোনা পরমাণু কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানলে পরিণতি কী হতো তা নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক জেরুজালেম পোস্ট।
সেখানে বলা হয়েছে, গত রাতের ক্ষেপণাস্ত্রটির আঘাতের স্থানটি যদি দিমোনা পরমাণু স্থাপনা হতো, তাহলো আজকের ইসরায়েলের জনজীবন এই অবস্থায় থাকত না। একটা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতই ইসরাইলের জন্য এক মহাবিপদের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
পত্রিকাটিতে আরো লেখা হয়েছে যে, দিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা সব বিপদকে একসঙ্গে স্মরণ করে দিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলে আঘাত হানে। ওই মুখপাত্র জানান, সিরিয়ার দীর্ঘপাল্লার এসএ-৫ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এটি এবং রাশিয়ার এস-২০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তা ছোঁড়া হয়।
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ এবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি সঠিক নিশানা আঘাত করতে সক্ষম হয়। সূত্র: পার্সটুডে