a
ফাইল ছবি
রাজধানীতে শুরু হয়েছে বজ্রসহ বৃষ্টি। সঙ্গে শিলা। আজ রোববার (৫ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় এ শিলা-বৃষ্টি। এর আগে রাত ৯টার দিকে শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া।
সারাদেশে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর রাত ৯টার দিকে রাজধানীতে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। সঙ্গে নামে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। আর সাড়ে ১০টার পর শুরু হয় শিলাবৃষ্টি।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বলেন, রোববার বিকেল ৪টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর দিয়ে বজ্রপাত ও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেজন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এছাড়া কাল সোমবার থেকে সারা দেশে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। এতে করে যেসব জায়গায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল সেগুলো ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
নিউজিল্যান্ডে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে নিউজিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় কেরমাডেক আইল্যান্ডসে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক বিভাগের (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিলো মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) ভোর রাত ২টায় নিউজিল্যান্ডের কেরমাডেক আইল্যান্ডসে ভূমিকম্প আঘাত হানে। যার উৎপত্তিস্থল ছিলো ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। এ ঘটনার পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুনামি সতর্কতার বিষয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে ওই এলাকার জন্য সুনামির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় বলা হয়েছিলো, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা ফিলিপাইনের জন্য সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে কিছু সময় পরে ওই সতর্কবার্তা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
বিশ্বের দুটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সীমানাবর্তী এলাকায় অবস্থিত নিউজিল্যান্ড। সেই প্লেট দুটি হল প্যাসিফিক প্লেট এবং অস্ট্রেলিয়ান প্লেট। এছাড়া নিউজিল্যান্ড রিং অফ ফায়ার নামে পরিচিত তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার সংলগ্ন। তাই প্রতি বছরই হাজার হাজার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ড নামে ভুখন্ডটি।
ফাইল ছবি
হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক রিসোর্ট কান্ডের পর হঠাৎ ধাক্কা খেয়েছে হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক কার্যক্রম। পাশাপাশি সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বেশ কয়েকজন নেতা আটক হয়েছেন। অনেকে গ্রেফতার আতঙ্কে আছেন। এমতাবস্থায় সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে নানা ধরণের উদ্যোগী নিচ্ছেন হেফাজত ইসলাম।
ধরপাকড়, মামলা, গ্রেফতার ও সরকারের চাপ মোকাবিলায় নানা তৎপরতা শুরু করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তারা দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি গঠন, জেলায় জেলায় আইনি সহায়তা সেল গঠন এবং বিভিন্ন দূতাবাসে স্মারকলিপি দেওয়াসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত হাতে নিয়েছে। এছাড়া সমমনা ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবে বলে জানা গেছে।
রবিবার হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির রুদ্ধদ্বার বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে হেফাজতের কমিটি রয়েছে। এর বাইরে সারাদেশে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করাসহ সংগঠনকে এগিয়ে নিতে ‘সাংগঠনিক সেল’ গঠিত হয়। এই সেলের দায়িত্ব দেওয়া হয় যুগ্ম-মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসেনকে। তাদের মধ্যে আজিজুল হক ইসলামাবাদী বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পর গ্রেফতার হন।
জুনায়েদ আল হাবিব বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, সাংগঠনিক সেলের মাধ্যমে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সারা দেশের কমিটিগুলোর কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এ জন্য রোববারের সভায় তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।