a কিছু কিছু অভ্যাস মেনে চললে বয়স বাড়লেও ত্বক থাকবে তরুণ
ঢাকা সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২, ০৯ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কিছু কিছু অভ্যাস মেনে চললে বয়স বাড়লেও ত্বক থাকবে তরুণ


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৩ মার্চ, ২০২৩, ০৯:১৯
কিছু কিছু অভ্যাস মেনে চললে বয়স বাড়লেও ত্বক থাকবে তরুণ

ছবি সংগৃহীত

সময় ও বয়সের ভারে সব কিছু বদলায়। তারুণ্য ছেড়ে যৌবনে, অতঃপর বার্ধক্যে পা পড়ে সবারই। আর তার ছাপ পড়ে চেহারায়। কিন্তু প্রত্যেকের চেহারায় বয়সের ছাপ একইভাবে পড়ে না। কেউ কেউ আছেন, যাঁদের দেখে মনে হবে তারুণ্য এখনো তাঁকে ছেড়ে যায়নি। বয়স ৪০ পেরোলেও কেউ কেউ আটকে থাকে পঁচিশে। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা হয়ে যান অকালেই বুড়ো। 

অনেকেই মনে করেন, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ার ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের ততটা হাত নেই। যে কারণে বয়স ধরে রাখতে অনেকেই ঝুঁকে পড়েন বিভিন্ন প্রসাধনীর দিকে। বয়স ধরে রাখতে নানা রকম পরীক্ষা–নিরীক্ষা করতে শুরু করেন ত্বকের ওপর। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই ত্বক থাকবে ভালো, বয়সের আগেই পড়বে না বয়সের ছাপ।
রোদে বেশি বেশি ঘোরাঘোরি না করা।

প্রখর রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করুন:
ত্বকের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর কিছু থাকলে সেটা অবশ্যই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি। কাজের কারণে কমবেশি সবাইকে রোদে বেরোতে হয়। প্রখর রোদে বের হলে সেই রোদ থেকে বাঁচার ব্যবস্থা নিয়েই বের হওয়া উচিত। নইলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি প্রভাব ফেলে ত্বকের ওপর। যে কারণে বয়স হওয়ার আগেই বয়সের ছাপ পড়তে থাকে ত্বকে।

ভিটামিন ডি নেওয়া:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে দূরে থাকবেন বলে যে একেবারেই বাইরে চলাচল বন্ধ করে দেবেন, তা কিন্তু নয়। সূর্যের আলো আমাদের দেয় মহামূল্যবান ভিটামিন ডি। যার ঘাটতি ত্বকের প্রদাহ থেকে শুরু করে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে। আর এই ভিটামিন ডির অভাবে ত্বক হয়ে পড়ে লাবণ্যহীন।

পরিমিত ঘুম:
সারা দিনের পরিশ্রম শেষে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম না নিলে আপনার ত্বক কিন্তু ‘বিগড়ে’ যাবে। সুস্থ ত্বকের জন্য ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঘুমের অভাব স্পষ্ট প্রভাব ফেলে শরীরের ভেতরে–বাইরে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন:
সুস্থ থাকার আরেকটা নিয়ম হলো স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। নিয়মিত জাংক ফুড বা খাবারে অতিরিক্ত চর্বি—এসব ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারাতে বড় প্রভাব ফেলে। যে কারণে এসব খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো।

ধূমপান ত্যাগ:
ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার পেছনের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করে নিকোটিন। নিয়মিত ধূমপান মানেই নিয়মিত নিকোটিন গ্রহণ। এ কারণে ধূমপায়ীদের চেহারায় অকালে বয়সের ছাপ পড়ে।

পরিমিত পানি খাওয়া:
ত্বক ভালো রাখতে পানির বিকল্প নেই। আমাদের শরীরের প্রায় ৭০ ভাগ পানি, আর সেই পানির অভাব যদি দেখা যায় শরীরে, তাহলে কি আর শরীর আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করবে? ত্বক পরিষ্কার, উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখতে নিয়মিত পানি খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সূত্র:প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোহনী মালাইকার ত্বকে ঘরোয়া স্ক্রাব - বার্তাজগৎ২৪


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০১ ফেরুয়ারী, ২০২১, ০৯:৪১
মোহনী মালাইকা

ফাইল ফটো

অনন্য রূপের অধিকারিণী বলিউড এর আইটেম গার্ল মালাইকা অরোরা। তিনি রূপে ,গুনে ,প্রাচুর্যে অনন্য। হাজারো তরুণীর ঈর্ষার কারণ এই অপুরূপা। কয়েক কোটি রুপির মালিক এই নায়িকা রুপচর্চায় বেছে নিয়েছেন ঘরোয়া স্ক্রাব। নিজেই  বানিয়ে নেন তিনি এই স্ক্রাব। মা এর কাছ থেকে শেখা এই পদ্ধতি টি তিনি সেই টিন এইজ থেকে ব্যাবহার করা আসছেন। তার ত্বকের জন্য এটি ম্যাজিক এর মতো কাজ করে। 

চল্লিশোর্ধ্ব মালাইকা তার সৌন্দর্য এবং ফিটনেসে মোহিত করেছে হাজারো তরুণ তরুণী কে। সৌন্দর্যের উষ্ণতা ছড়ানো এই অপরূপা শুরু থেকেই সচেতন তার সৌন্দর্য্যের বিষয়ে। তার মায়ের শেখানো পদ্ধতিতে তিনি বাড়িতেই তৈরী করে প্রতিদিন গোসলের আগে  ব্যবহার করেন এই সস্তা কিন্তু কার্যকর এই স্ক্র্যাব। 
লুফা আর প্যুমিস স্টোনের সাহায্যে মালাইকা ত্বক পরিষ্কার করতেন। কারণ, এর সাহায্যে ত্বকের মৃত কোষগুলো ঝরে যায়, আর ত্বক প্রাণভরে শ্বাস নিতে পারে। 

রূপসচেতন এই রমণী এক সময়  বাজার থেকে নামীদামি ব্র্যান্ডের স্ক্র্যাব কিনতেন। কিন্তু  এখন তিনি এ ব্যাপারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। আর বাসায় তিনি নিজের ক্র্যাবার নিজেই বানিয়ে নেন। এই বলিউড অভিনেত্রীর মতে, এই ঘরোয়া স্ক্র্যাব ত্বককে মাখনের মতো মোলায়েম রাখে। আর ত্বকের মৃত কোষকে সাফ করে উজ্জ্বলতা  বাড়িয়ে দেয়। অত্যন্ত কম খরচে মালাইকার এই ঘরোয়া স্ক্র্যাব বাসায় বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আপনিও। আর এটা বানানোর উপাদানও অত্যন্ত সহজ পাওয়া যায় । এবার এটা বানানোর রেসিপি জেনে নিন।

মালাইকার ম্যাজিক্যাল বডি স্ক্র্যাব বানাতে প্রয়োজন তিনটি উপকরণ । কফি পাউডার, ব্রাউন সুগার আর আমন্ড তেলের সাহায্যে সহজে এই স্ক্র্যাব বানানো যায়। তবে বাসায় ব্রাউন সুগার না থাকলে তার পরিবর্তে সাধারণ চিনি ব্যবহার করা যায়। আর আমন্ড তেলের জায়গায় নারকেল তেল অনায়াসে নেওয়া যেতে পারে।

ম্যাজিক্যাল এই স্ক্র্যাব কীভাবে ব্যবহার করবেন, তার পরামর্শও মালাইকা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে হাতের আঙুলের ডগায় স্ক্র্যাব নিয়ে তা হালকাভাবে গোল করে ম্যাসাজ করতে হবে। এর ফলে ত্বকের মৃত কোষ সাফ হয়ে যাবে। ত্বক ঝকঝকে লাগবে। আর তেল ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে ত্বককে আর্দ্র রাখবে।

কফি ত্বকের জন্য এক অত্যন্ত ভালো স্ক্র্যাব হিসেবে কাজ করে। বিশুদ্ধ কফি পাউডারে বেশি মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে। কফির দানা দানা উপাদান ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করে দেয়। আর এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা পটাশিয়াম ত্বককে পুষ্টি জোগায়। আর ত্বকের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।

কফি পাউডারের সঙ্গে তেল ও চিনি মেশালে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। চিনিও ত্বকেতে পুষ্টির জোগান দেয়। আর পাশাপাশি কোষের ম্যাসাজও করে। তেল ত্বকের ছিদ্রের মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশ করে। আর ত্বককে নমনীয়তা দেয়।

কফি, চিনি আর তেলের মিশ্রণ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ত্বককে সতেজ আর ঝকঝকে রাখে। সকালে গোসলের সময় এই স্ক্র্যাব ব্যবহার করলে সারা দিন আপনার ত্বক উজ্জ্বল আর নরম থাকবে। তাই আর দেরি না করে বাসায় চটপট বানিয়ে নিন মালাইকার এই ম্যাজিক্যাল স্ক্র্যাব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, ঝুঁকিতে ২৯টি জেলা 


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১, ১০:০৩
বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, ঝুঁকিতে ২৯টি জেলা 

ফাইল ছবি

প্রতিদিন বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত হারে বাড়ছে এবং এই মুহূর্তে অন্তত ২৯টি জেলা করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফেনী, চাঁদপুর, নীলফামারী, সিলেট, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, মাদারীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী ইত্যাদি। ঢাকায় সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। 

সোমবার (২৯ মার্চ) স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করা হয়েছে। আর এই সময়ের মধ্যে ৪৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সাংবাদিকদের বলেন, গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে এবং সংক্রমণের মাত্রা ‘খুব দ্রুত বাড়ছে’। তিনি বলেন, মার্চের ১৩ তারিখে সংক্রমণের মাত্রা উচ্চ ছিল ৬টি জেলায়, ২০ তারিখে দেখা গেছে ২০টি জেলা ঝুঁকিতে আছে। আর মার্চের ২৪ তারিখে দেখা গেছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার উচ্চ এমন জেলার সংখ্যা ২৯টি। তাই বোঝা যাচ্ছে, সংক্রমণের হার বাড়ছে দ্রুত। 

করোনাভাইরাস থেকে ঝুঁকির মাত্রা প্রতি সপ্তাহেই বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্য, রোগীর সংখ্যা, সংক্রমণের মাত্রা- এসবের ওপর ভিত্তি করে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা চিহ্নিত করে অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংক্রমণের উচ্চ হার সামাল দিতে এখন স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতি জেলায় কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত কমিটি রয়েছে এবং এসব কমিটি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে মিলে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এক সঙ্গে কাজ করবে। 

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আরটিপিসিআরের পাশাপাশি এখন হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। নমুনা সংগ্রহের যেসব বুথ বন্ধ করা হয়েছিল, সেগুলোও খুলে দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য সরকারের সবচেয়ে বড় যে অস্ত্র, সেই টিকার ঘাটতি নিয়ে আলোচনা আছে। মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বীকার করেন যে যারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেবার মতো টিকার মজুদ বর্তমানে দেশে নেই। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সরকারের হাতে ৪২ লক্ষ টিকা মজুদ আছে। আর এপ্রিল মাসে কিছু টিকার চালান আসবে বলে সরকার আশা করছে। 

সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে হাসপাতালগুলোতে ক্রমে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চেষ্টা করছে যে কভিড-ডেডিকেটেড হাসপাতালের সংখ্যা আরও বাড়ানোর। তবে রোগীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে, নিজ নিজ জেলার হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য। মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে রোগীরা ঢাকায় চলে আসেন, যে কারণে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ে। 

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার সরকার ১৮ দফা নতুন নির্দেশনা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জনসমাগম সীমিত করা। মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার মতে, সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এই ১৮ দফা ‘স্ট্রিক্টলি’ অর্থাৎ কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই ১৮ দফা নির্দেশনার মধ্যে সরকার উচ্চসংক্রমণযুক্ত এলাকায় সকল ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া, পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রে জনসমাগম সীমিত করার নির্দেশনাও রয়েছে এর মধ্যে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, যেসব জেলায় উচ্চসংক্রমণ রয়েছে, প্রয়োজনে সেসব জেলার সঙ্গে আন্তজেলা যোগাযোগও সীমিত করা হবে। তবে সেটি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন জেলার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবেন। এছাড়া, প্রয়োজন হলে স্থানীয়ভাবে লকডাউন আরোপ করা হতে পারে। প্রত্যেক জেলার হাসপাতালে অক্সিজেনের সুবিধা এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধা পর্যাপ্ত রয়েছে বলে দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়