a কিছু কিছু অভ্যাস মেনে চললে বয়স বাড়লেও ত্বক থাকবে তরুণ
ঢাকা শনিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

কিছু কিছু অভ্যাস মেনে চললে বয়স বাড়লেও ত্বক থাকবে তরুণ


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৩ মার্চ, ২০২৩, ০৯:১৯
কিছু কিছু অভ্যাস মেনে চললে বয়স বাড়লেও ত্বক থাকবে তরুণ

ছবি সংগৃহীত

সময় ও বয়সের ভারে সব কিছু বদলায়। তারুণ্য ছেড়ে যৌবনে, অতঃপর বার্ধক্যে পা পড়ে সবারই। আর তার ছাপ পড়ে চেহারায়। কিন্তু প্রত্যেকের চেহারায় বয়সের ছাপ একইভাবে পড়ে না। কেউ কেউ আছেন, যাঁদের দেখে মনে হবে তারুণ্য এখনো তাঁকে ছেড়ে যায়নি। বয়স ৪০ পেরোলেও কেউ কেউ আটকে থাকে পঁচিশে। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা হয়ে যান অকালেই বুড়ো। 

অনেকেই মনে করেন, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ার ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের ততটা হাত নেই। যে কারণে বয়স ধরে রাখতে অনেকেই ঝুঁকে পড়েন বিভিন্ন প্রসাধনীর দিকে। বয়স ধরে রাখতে নানা রকম পরীক্ষা–নিরীক্ষা করতে শুরু করেন ত্বকের ওপর। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই ত্বক থাকবে ভালো, বয়সের আগেই পড়বে না বয়সের ছাপ।
রোদে বেশি বেশি ঘোরাঘোরি না করা।

প্রখর রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করুন:
ত্বকের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর কিছু থাকলে সেটা অবশ্যই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি। কাজের কারণে কমবেশি সবাইকে রোদে বেরোতে হয়। প্রখর রোদে বের হলে সেই রোদ থেকে বাঁচার ব্যবস্থা নিয়েই বের হওয়া উচিত। নইলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি প্রভাব ফেলে ত্বকের ওপর। যে কারণে বয়স হওয়ার আগেই বয়সের ছাপ পড়তে থাকে ত্বকে।

ভিটামিন ডি নেওয়া:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে দূরে থাকবেন বলে যে একেবারেই বাইরে চলাচল বন্ধ করে দেবেন, তা কিন্তু নয়। সূর্যের আলো আমাদের দেয় মহামূল্যবান ভিটামিন ডি। যার ঘাটতি ত্বকের প্রদাহ থেকে শুরু করে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে। আর এই ভিটামিন ডির অভাবে ত্বক হয়ে পড়ে লাবণ্যহীন।

পরিমিত ঘুম:
সারা দিনের পরিশ্রম শেষে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম না নিলে আপনার ত্বক কিন্তু ‘বিগড়ে’ যাবে। সুস্থ ত্বকের জন্য ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঘুমের অভাব স্পষ্ট প্রভাব ফেলে শরীরের ভেতরে–বাইরে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন:
সুস্থ থাকার আরেকটা নিয়ম হলো স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। নিয়মিত জাংক ফুড বা খাবারে অতিরিক্ত চর্বি—এসব ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারাতে বড় প্রভাব ফেলে। যে কারণে এসব খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো।

ধূমপান ত্যাগ:
ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার পেছনের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করে নিকোটিন। নিয়মিত ধূমপান মানেই নিয়মিত নিকোটিন গ্রহণ। এ কারণে ধূমপায়ীদের চেহারায় অকালে বয়সের ছাপ পড়ে।

পরিমিত পানি খাওয়া:
ত্বক ভালো রাখতে পানির বিকল্প নেই। আমাদের শরীরের প্রায় ৭০ ভাগ পানি, আর সেই পানির অভাব যদি দেখা যায় শরীরে, তাহলে কি আর শরীর আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করবে? ত্বক পরিষ্কার, উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখতে নিয়মিত পানি খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সূত্র:প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোহনী মালাইকার ত্বকে ঘরোয়া স্ক্রাব - বার্তাজগৎ২৪


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০১ ফেরুয়ারী, ২০২১, ০৯:৪১
মোহনী মালাইকা

ফাইল ফটো

অনন্য রূপের অধিকারিণী বলিউড এর আইটেম গার্ল মালাইকা অরোরা। তিনি রূপে ,গুনে ,প্রাচুর্যে অনন্য। হাজারো তরুণীর ঈর্ষার কারণ এই অপুরূপা। কয়েক কোটি রুপির মালিক এই নায়িকা রুপচর্চায় বেছে নিয়েছেন ঘরোয়া স্ক্রাব। নিজেই  বানিয়ে নেন তিনি এই স্ক্রাব। মা এর কাছ থেকে শেখা এই পদ্ধতি টি তিনি সেই টিন এইজ থেকে ব্যাবহার করা আসছেন। তার ত্বকের জন্য এটি ম্যাজিক এর মতো কাজ করে। 

চল্লিশোর্ধ্ব মালাইকা তার সৌন্দর্য এবং ফিটনেসে মোহিত করেছে হাজারো তরুণ তরুণী কে। সৌন্দর্যের উষ্ণতা ছড়ানো এই অপরূপা শুরু থেকেই সচেতন তার সৌন্দর্য্যের বিষয়ে। তার মায়ের শেখানো পদ্ধতিতে তিনি বাড়িতেই তৈরী করে প্রতিদিন গোসলের আগে  ব্যবহার করেন এই সস্তা কিন্তু কার্যকর এই স্ক্র্যাব। 
লুফা আর প্যুমিস স্টোনের সাহায্যে মালাইকা ত্বক পরিষ্কার করতেন। কারণ, এর সাহায্যে ত্বকের মৃত কোষগুলো ঝরে যায়, আর ত্বক প্রাণভরে শ্বাস নিতে পারে। 

রূপসচেতন এই রমণী এক সময়  বাজার থেকে নামীদামি ব্র্যান্ডের স্ক্র্যাব কিনতেন। কিন্তু  এখন তিনি এ ব্যাপারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। আর বাসায় তিনি নিজের ক্র্যাবার নিজেই বানিয়ে নেন। এই বলিউড অভিনেত্রীর মতে, এই ঘরোয়া স্ক্র্যাব ত্বককে মাখনের মতো মোলায়েম রাখে। আর ত্বকের মৃত কোষকে সাফ করে উজ্জ্বলতা  বাড়িয়ে দেয়। অত্যন্ত কম খরচে মালাইকার এই ঘরোয়া স্ক্র্যাব বাসায় বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আপনিও। আর এটা বানানোর উপাদানও অত্যন্ত সহজ পাওয়া যায় । এবার এটা বানানোর রেসিপি জেনে নিন।

মালাইকার ম্যাজিক্যাল বডি স্ক্র্যাব বানাতে প্রয়োজন তিনটি উপকরণ । কফি পাউডার, ব্রাউন সুগার আর আমন্ড তেলের সাহায্যে সহজে এই স্ক্র্যাব বানানো যায়। তবে বাসায় ব্রাউন সুগার না থাকলে তার পরিবর্তে সাধারণ চিনি ব্যবহার করা যায়। আর আমন্ড তেলের জায়গায় নারকেল তেল অনায়াসে নেওয়া যেতে পারে।

ম্যাজিক্যাল এই স্ক্র্যাব কীভাবে ব্যবহার করবেন, তার পরামর্শও মালাইকা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে হাতের আঙুলের ডগায় স্ক্র্যাব নিয়ে তা হালকাভাবে গোল করে ম্যাসাজ করতে হবে। এর ফলে ত্বকের মৃত কোষ সাফ হয়ে যাবে। ত্বক ঝকঝকে লাগবে। আর তেল ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে ত্বককে আর্দ্র রাখবে।

কফি ত্বকের জন্য এক অত্যন্ত ভালো স্ক্র্যাব হিসেবে কাজ করে। বিশুদ্ধ কফি পাউডারে বেশি মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে। কফির দানা দানা উপাদান ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করে দেয়। আর এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা পটাশিয়াম ত্বককে পুষ্টি জোগায়। আর ত্বকের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।

কফি পাউডারের সঙ্গে তেল ও চিনি মেশালে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। চিনিও ত্বকেতে পুষ্টির জোগান দেয়। আর পাশাপাশি কোষের ম্যাসাজও করে। তেল ত্বকের ছিদ্রের মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশ করে। আর ত্বককে নমনীয়তা দেয়।

কফি, চিনি আর তেলের মিশ্রণ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ত্বককে সতেজ আর ঝকঝকে রাখে। সকালে গোসলের সময় এই স্ক্র্যাব ব্যবহার করলে সারা দিন আপনার ত্বক উজ্জ্বল আর নরম থাকবে। তাই আর দেরি না করে বাসায় চটপট বানিয়ে নিন মালাইকার এই ম্যাজিক্যাল স্ক্র্যাব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন মাহির স্বামী অপু


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১, ০১:৪০
বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন মাহির স্বামী অপু

ফাইল ছবি


 
ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি স্বামী মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন। এবার বিচ্ছেদ হওয়ার খবর মাহি নিজেই জানিয়েছেন। বিচ্ছেদ নিয়ে নিজের অনুভূতি ও অবস্থান ব্যক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন পারভেজ মাহমুদ অপু। 

রোববার রাতে অপুর স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলা— একটি সম্পর্ক গড়তে গেলে যেসব গুণ থাকে, সেগুলো হলো— সততা, ওয়াদা, বিশ্বস্ততা, বন্ধুত্ব, দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা, বোঝার ক্ষমতা, স্বচ্ছতা ও ভালোবাসা এবং নিজস্ব বিশ্বাস ইত্যাদি। 

আর সম্পর্ক হওয়ার পর সেটি পরিবর্তিত হতেই পারে, আমরা বেঁচে আছি সম্পর্ক নিয়ে সম্পর্কের বন্ধনে বন্দি হয়ে। আবার সম্পর্ক কখনও শেষও হয় না, শুধু পরিবর্তিত হয়।

বিচ্ছেদ যে কোনো সম্পর্কে যে কোনো সময় আসতে পারে। যে কোনো বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা রয়েছে। আর এতে করে তিনি/তারা নিজের মতো করে ভালো থাকতেই পারেন।  

সম্পর্কগুলো স্থায়ী হোক এমনটিই সবাই চায়, কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। দেখা যায়, সারাজীবন দুজন পাশাপাশি থাকার পরও মৃত্যু এসে একজনকে নিয়ে যায়। বা দুজনের মতের মিল ও বিশ্বাস আলাদা হলে তখন একসঙ্গে থাকার চেয়ে আলাদা থাকতে চাই, এতে দোষের কিছু তো নয়ই; বরং এটা উভয়ের জন্য ভালো।

আমাদের বাঙালি সমাজ এখনও সেভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। তাই তো ডিভোর্স কথাটা শুনলেই অনেকেরই কান ভোঁ-ভোঁ করে ওঠে। এ কারণেই ডিভোর্সির দিকে কপাল কুঁচকে তাকানোটাই এই সমাজের একটা অভ্যেস হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

সম্পর্ক তৈরি করার মতন, সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসাও খুব স্বাভাবিক। মানুষের জীবনে অনুভূতির সংকোচন, সম্প্রসারণ হতেই পারে। একসঙ্গে থাকতে না চাওয়ার কারণ জন্মাতে পারে। ভালো না লাগতে পারে। বিশেষ কোনো কারণে আলাদা হওয়ার ইচ্ছা হতে পারে। আবার কেউ কেউ মানিয়ে নিয়েও বেঁচে থাকে।  

দুজন মানুষের ভেতর অভ্যন্তরীণ বনিবনা না হলে, একসঙ্গে থেকে তিক্ততা বাড়ানোর কোনো মানেই হয় না। তার চেয়ে দুজন মানুষ আলাদা হয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটুকু বাঁচিয়ে রাখার দৃশ্যই সুন্দর। যে কোনো বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু কোনো সম্পর্কই হয়তো পুরোপুরি শেষ হয় না, সময়ের সঙ্গে বদল আসে দুজনের বোঝাপড়ায়।

আসলে ডিভোর্সের পর সম্পর্কের নাম বদলে যায় শুধু। একে অপরের কথা শেষ হয়ে যায় না, কেউ কারও শত্রু হয়ে যায় না, বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায় না। অনেক চাওয়া-পাওয়া অনেক ভালোবাসা, আকাঙ্ক্ষা ফসলে বৈবাহিক সমন্ধ গড়ে ওঠে। তার ভাঙনকালে যন্ত্রণা হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনার জীবন সেখানেই শেষ হয়ে গেল। এমনও নয় প্রাক্তনের প্রতি থাকবেই তীব্র বিদ্বেষ! 

ডিভোর্স সত্ত্বেও প্রাক্তনের প্রতি সম্মান ধরে রাখা সম্ভব। আর এই সম্মানটা মনের মধ্যে পোষণ করেই নিজেদের মর্যাদা অটুট রেখে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। 

আর আশা করছি, আমাদের পরিচিত পরিজন-শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমাদের এই সিদ্ধান্তকে পজিটিভভাবে গ্রহণ করে আমাদের সঙ্গে থাকবেন।  

আর একটা অনুরোধ করতে চাই— আদর্শিক পার্থক্য বা নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কারণে গালাগাল তথা নেতিবাচক মানসিকতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন। এখনও কিছু মানুষ আছে, যারা মূল্যবোধ, দায়বদ্ধতা, শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস এই শব্দগুলোর মানে বোঝে। 

তাই সবার প্রতি অনুরোধ-নিজের আপত্তি বা ক্ষোভ যৌক্তিক ও শোভনীয় ভাষায় তুলে ধরুন।’
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়