a আমার সারাবেলা
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

আমার সারাবেলা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২, ০৮:৪২
আমার সারাবেলা

ফাইল ছবি: মুক্তা দাশ

আমার সারাবেলা

অবসরে যাবার বয়স এখনো অনেকটা দুর ।
বাপের বাড়ির গোত্র ঝেড়ে- মুছে
এই তো সেদিন সবে বিয়ের পিড়িতে বসা হলো...
দিন যেতে না যেতেই  তিন তিনটে ছানাপোনা।
হেঁসেল আর ছানাপোনাদের স্কুল কলেজের
গন্ডি পেরোতেই পঞ্চাশটা বছর কেটে গেলো
জীবন থেকে।
অবসরে যাবার বয়স এখনো অনেকটা দুর...!
একাকিত্ব কাটাতে ঘরে আমদানি হলো পোষ্য..
নাম কুকি --- আমার সারাবেলার সঙ্গী !
অবসরে যাবার বয়স এখনো অনেকটা দুর...
সংসারে মেয়েদের আবার অবসর কি !!?
রান্না - বান্না ঘরকন্যা
সংসারে মেয়েদের অবসরে যেতে  নেই !
সকালের সূর্যোদয়ে গনগনে গরম উনুন আর
রাতের হেঁসেল গুছানো..  এ আর এমন কি কাজ !
অবসরে যাবার বয়স এখনো অনেক দুর...!
হঠাৎই হয়তো ডাক পড়বে, ফুরাবে সব পুতুলখেলা !
চন্দন কাঠের গন্ধে না হয় গায়ে মাখবো আগুনখেলা !!
সেদিন আমি, সত্যি  সত্যি ই ! অবসরে  যাবো...
এপারের খেলা শেষে ওপারের নৌকায় উঠবো ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মেজর জলিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৬ আগষ্ট, ২০২৫, ০১:০২
মেজর জলিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী

ছবি সংগৃহীত: মেজর জলিল

 

নিউজ ডেস্ক: এম এ জলিল নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। জন্ম থেকেই পিতৃহীন, নানার বাড়িতে বেড়ে ওঠেন। লড়াই করে নিজের জায়গা করে নিতে হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশন পান। সবে মেজর হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ছুটিতে বরিশালে নিজের বাড়িতে এসেছিলেন। 

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে স্থানীয় তরুণদের নিয়ে তিনি প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। প্রতিরোধ ভেঙে পড়লে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যান। 

অস্থায়ী সরকার তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের অধিনায়ক নিযুক্ত করে। সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে একমাত্র তিনিই নিয়মিত দেশের ভেতরে ঢুকে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতেন। 

পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগকারী তিনিই একমাত্র সেনা কর্মকর্তা, যাঁকে হারিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (পরবর্তী সময়ে সেনাপ্রধান) লে. জেনারেল গুল হাসান খান আফসোস করে বলেছিলেন, 
"ভালো অফিসার। ১ নম্বর সাঁজোয়া ডিভিশনে আমার সঙ্গে কাজ করেছে। বিদ্রোহীদের নেতৃত্বদানের জন্য সে দলত্যাগ করেছে। মনটা খারাপ হয়ে গেল ।"
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মেজর জলিল বরিশাল অঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। 

যুদ্ধের সময় নানা ঘটনায় বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং ভারতের বিরুদ্ধে তাঁর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়।
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর ৩১ ডিসেম্বর জলিল ভারতীয় বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন । ভারতীয় বাহিনী তাঁর বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ আনে। 

জলিলের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ছিলেন ষড়যন্ত্রের শিকার। ভারতীয় বাহিনীর লুটপাটের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চকিত ছিলেন বলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। 

এক মাস তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর খবর না পেয়ে তাঁর মা ঢাকায় আসেন এবং সব জায়গায় তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করেন । প্রধানমন্ত্রী এই বলে তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে জলিল নির্দোষ এবং শিগগিরই তিনি ছাড়া পাবেন।

ডিসেম্বরে খুলনা শত্রুমুক্ত হওয়ার পরের ঘটনাবলি জলিলকে খুবই ক্ষুব্ধ এবং উত্তেজিত করেছিল। তাঁর মনে হয়েছিল, ভারতীয় বাহিনী স্বাধীন বাংলাদেশে দখলদার বাহিনীর মতোই আচরণ করছে। ওই সময়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে জলিল বলেছেন :
১৬ই ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের সূত্র ধরেই বলা যায়...ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্যাপক লুণ্ঠন প্রক্রিয়া...বিজিত ভূখণ্ডে বিজয়ী সেনাবাহিনী কর্তৃক সম্পদ লুটতরাজ করাকে আনন্দ-উল্লাসেরই স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ বলে বিবেচনা করা হয়।...

আমি সেই 'মোটিভেটেড' লুণ্ঠনের তীব্র বিরোধিতা করেছি—সক্রিয় প্রতিরোধও গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। লিখিতভাবেও এই লুণ্ঠনের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তাজউদ্দীন, কর্নেল ওসমানী এবং ভারতীয় পূর্বাঞ্চলের সর্বাধিনায়ক লে. জেনারেল অরোরার কাছে জরুরি চিঠিও পাঠিয়েছি। 

তাজউদ্দীন সাহেবের পাবলিক রিলেশনস অফিসার জনাব আলী তারেকই আমার সেই চিঠি বহন করে কলকাতায় নিয়েছিলেন ।...
আমার সাধের স্বাধীন বাংলায় আমিই হলাম প্রথম রাজবন্দী । ৩১ ডিসেম্বর সকাল ১০টা সাড়ে ১০টায় আক্রমণকারী বাহিনীর হাতে আমি বন্দী হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আসল রূপের প্রথম দৃশ্য দেখলাম।... 

যশোর সেনাছাউনির অফিসার কোয়ার্টারের একটা নির্জন বাড়িতে আমাকে বেলা ১১টায় বন্দী করা হয়। জলিলকে সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এই আদালতের চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল লে. কর্নেল আবু তাহের।
ট্রাইব্যুনালে জলিলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সরকার খুলনা জেলে আটক সেখানকার সাবেক ডেপুটি কমিশনারকে নিয়ে এসেছিল। 

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সহযোগী ছিলেন। সাক্ষীর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকার কথা জেনে লে. কর্নেল তাহের তাঁকে আদালতকক্ষ থেকে বের করে দেন। 

তাহের বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডারের বিরুদ্ধে কোনো স্বাধীনতাবিরোধীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ট্রাইব্যুনাল জলিলকে বেকসুর খালাস দেন।
জলিল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি আর সেনাবাহিনীতে চাকরি করবেন না । ২৮ জুলাই (১৯৭২) তিনি সেনাপ্রধানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। 

এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান। পদত্যাগপত্রে জলিল উল্লেখ করেন, সামরিক বাহিনীতে চাকরির শর্ত পূরণ করা মানসিকভাবে তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা'র অন্যতম অভিযুক্ত এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর সাবেক লিডিং সি-ম্যান সুলতানউদ্দিন আহমদের নাখালপাড়ার বাসায় জলিলের যাতায়াত ছিল। সুলতানউদ্দিন জলিলের নেতৃত্বে নবম সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন। 

একদিন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে শেখ জামাল জলিলের খোঁজে ওই বাসায় আসেন এবং জলিলকে গণভবনে নিয়ে যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডারদের সন্তানের মতো দেখতেন। তিনি জলিলকে সেনাবাহিনীতে থেকে যাওয়ার অনুরোধ করে বলেন, 'তুমি চলে গেলে আমার ট্যাংক চালাবে কে?' 
জলিলের জবাব ছিল, 'আপনার তো ট্যাংকই নেই। জলিল স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া প্রথম বিরোধী রাজনৈতিক দল জাসদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হন। 

৩১ অক্টোবর (১৯৭২) তিনি জাসদের যুগ্ম আহ্বায়ক নিযুক্ত হন এবং 'সাম্রাজ্যবাদের ক্রীড়নক ও পুতুল সরকারকে উৎখাত করার’ কাজে শামিল হওয়ার ঘোষণা দেন। ২৩ ডিসেম্বর (১৯৭২) অনুষ্ঠিত জাসদের সম্মেলনে তিনি দলের সভাপতি নির্বাচিত হন । সরকারবিরোধী আন্দোলনের একপর্যায়ে জলিল ১৯৭৪ সালের ১৭ মার্চ ঢাকায় গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ছিল কীভাবে সরকারের পতন ঘটানো যায়।

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত/সূত্র: বিএনপি সময়-অসময় (২০১৬, পৃ. ১৬-২০)। লেখক: মহিউদ্দিন আহমদ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে নির্দেশনা অমান্য করলে: শিক্ষামন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:৩১
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে নির্দেশনা অমান্য করলে: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় নির্দেশনা ধারাবাহিকভাবে না মানলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ইডেন কলেজে ভবন উদ্বোধন ও মৎস্য পোনা অবমুক্তকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মাদরাসাগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা কমের বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, আমাদের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি আছে। প্রতিদিন প্রতিবেদন সংগ্রহ করছি। স্থানীয় পর্যায়ে একটি নজরদারি আছে। তবে বিষয়টি যারা প্রতিষ্ঠান চালান তাদের ওপর নির্ভর করে। 

আমরা অনেক নজরদারি করতে পারি, কিন্তু তারা যদি সচেতন না হন, নিয়ম না মানার প্রবণতা থাকে এবং ধারাবাহিকভাবে নিয়ম ভঙ্গ করেন, তাহলে সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। তার কারণ হচ্ছে আমরা এ ঝুঁকি নেব না। একটা স্কুল বা মাদরাসায় ছড়ায় তাহলে সেটি কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকবে না সেটি কমিউনিটিতে ছড়াবে। 

কারণ আমরা সেই ঝুঁকি নিতে পারি না। কাজেই সেই প্রতিষ্ঠান যে পর্যায়ের হোক মাদারাসা, কারিগরি প্রাথমিক মাধ্যমিক সেখানে যদি কোনো অবহেলা থাকে তাহলে সেটি আমরা ঠিক করার চেষ্টা করবো। কেউ যদি বারবার নিয়ম ভঙ্গ বা অবহেলা করে তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখনও অনেক ইংরেজি মাধ্যম প্রতিষ্ঠান না খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের নির্দেশনা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য। এখানে বাংলা, ইংরেজি মাধ্যম ভাগ নেই। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি না খুলে থাকেন তাহলে আমাদের জানাবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়