a
ফাইল ছবি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোট কোরবানির বর্জ্যের ৮০ ভাগ অপসারণ করা সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ সম্পন্ন হওয়া ১১টি ওয়ার্ড হলো- ০৬, ১৩, ১৯, ২৫, ৩১, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৫২, ৫৩ এবং ৫৪। ডিএনসিসির মুখপাত্র মকবুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৭টি ওয়ার্ড হতে প্রথম দিনে কোরবানির পশুর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
শতভাগ বর্জ্য অপসারণকৃত ওয়ার্ডগুলো হলো-১০, ১৬, ২৩, ২৪, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৭, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৩, ৫৩, ৫৬, ৫৭, ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ড।
এ পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সার্বিকভাবে প্রায় ৭৫ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়। সূত্র: সমকাল
সংগৃহীত ছবি
‘জিনের আছরে’ রাতের অন্ধকারে নারিকেল গাছের মাথায় উঠে বসে আছে তাহমিনা (২২) নামের এক নারী। এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা গাছে উঠে কৌশলে নামিয়ে আনেন ঐ নারীকে।
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বেগমপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে এধরণের ঘটনা ঘটে। তাহমিনা ওই গ্রামের মো. হাসানের স্ত্রী।
মো. হাসান এ বিষয়ে বলেন, আমার স্ত্রীর জিনের সমস্যা আছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমি বাজারে যাই। রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, তাহমিনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়িতে এসে আশেপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
হাসান বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুনি আমার স্ত্রী মেয়ের নাম ধরে ডাকছে। আর বলছে আমাকে নামাও, ওরা আমাকে নিয়ে গেল। তার এ কথা শুনে বাড়ির পাশে নারকেল গাছে টর্চলাইট মেরে দেখা যায়, সে গাছের মাথায় বসে আছে। তখন তাকে গাছ থেকে নামানোর চেষ্টা করেও পারা যায়নি। উপায় না পেয়ে মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে নামিয়ে দেয়।
মো. হাসান বলেন, স্ত্রীর এ সমস্যার জন্য অনেক কবিরাজ দেখিয়েছি কিন্তু তাতেও সুস্থ হচ্ছে না।
মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার রমেশ কুমার সাহা এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একটা ফোন আসে এক নারী নারিকেল গাছের মাথায় উঠে আর নামতে পারছেন না। পরে সেখানে গিয়ে ৪০ মিনিটের চেষ্টায় তাকে গাছ থেকে নামিয়ে আনা হয়।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে গোলাবারুদ ও হামলার ঘটনায় আবারও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার সকালে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত উ অং কিয়াউ মোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২৮ আগস্ট বিকাল তিনটার দিকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া দুটি মর্টার শেল বাংলাদেশের সীমান্তে এসে পড়ে। তবে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়নি।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সদস্যরা মর্টার শেল দুটি ঘিরে রাখেন। পরে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভার্চুয়াল তলবে ওই দিন ঢাকা এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না বলে সাফ জানিয়েছিল। এরপরেও সীমান্তে আবার গোলাবর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার টহলও দেয়। এই ঘটনার জের ধরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে আবারও জরুরি তলব করে পরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সূত্র: যুগান্তর