a
ফাইল ছবি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোট কোরবানির বর্জ্যের ৮০ ভাগ অপসারণ করা সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ সম্পন্ন হওয়া ১১টি ওয়ার্ড হলো- ০৬, ১৩, ১৯, ২৫, ৩১, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৫২, ৫৩ এবং ৫৪। ডিএনসিসির মুখপাত্র মকবুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৭টি ওয়ার্ড হতে প্রথম দিনে কোরবানির পশুর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
শতভাগ বর্জ্য অপসারণকৃত ওয়ার্ডগুলো হলো-১০, ১৬, ২৩, ২৪, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৭, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৩, ৫৩, ৫৬, ৫৭, ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ড।
এ পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সার্বিকভাবে প্রায় ৭৫ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়। সূত্র: সমকাল
সংগৃহীত ছবি
ডিম ফুটে ২৮টি অজগরের বাচ্চা বেরিয়ে এলো চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়। প্রায় ৬৭ দিন ধরে কৃত্রিম পরিবেশে ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছিল ৩১টি ডিম। সেখান থেকে মঙ্গলবার ২৮টি বাচ্চা ফুটেছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
আজ বুধবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ও চিকিৎসক শাহাদাৎ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, চিড়িয়াখানায় অজগররা খাঁচায় ডিম পাড়ার কারণে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। তাই চিড়িয়াখানার একটি অজগরের সেই ৩১টি ডিম খাঁচা থেকে সংগ্রহ করা হয়। এর পর হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে ৬৭ দিন ধরে বিভিন্ন তাপমাত্রায় রাখা হয়। তার মধ্যে ২৮টি ডিম ফুটে বাচ্চা হয়েছে। আর তিনটি ডিম নষ্ট হয়।
শাহাদাৎ হোসেন বলেন, সাপের বাচ্চাগুলোকে চামড়া বদল না করা পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে ইনকিউবেটরে রেখেই। চামড়া বদল বা খোলস পরিবর্তনের পর এগুলোকে খাবার দিতে হবে। এর পর বাচ্চাগুলোর ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পরামর্শ করে বন্য পরিবেশে ছাড়া হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের জুনে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে ডিম থেকে অজগরের ২৫টি বাচ্চা ফোটানো হয়, পরে সেগুলোকে বন্য পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছিল।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের পরমাণু সমঝোতা বিষয়ক আলোচনা ব্যর্থ করতে নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং সেখানকার সমঝোতা ব্যর্থ করতে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। মার্কিন গণমাধ্যম 'এক্সোয়িস' এ তথ্য জানিয়েছে।
এক সপ্তাহের মধ্যেই সেসব প্রতিনিধিদল সেখানে অবস্থান নেবে বলে জানা গেছে।
'এক্সোয়িস' এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাদের প্রতিনিধিদলকে ভিয়েনায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেখানে তারা বিভিন্ন দলের সাথে ইরান বিষয়ে আলোচনা করবেন এবং তাদের মূল লক্ষ্য থাকবে পরমাণু সমঝোতা বিষয়ক আলোচনাকে ব্যর্থ করে দেয়া। একইসঙ্গে আমেরিকা যাতে ইরানের পরমাণু সমঝোতায় না পৌঁছতে পারে, সে বিষয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো।
মার্কিন গণমাধ্যম 'এক্সোয়িস' আরও লিখেছেন, ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ৬ জাতিগোষ্ঠীর পরমাণু সমঝোতা সইয়ের ১ বছর আগে ঠিক একই ধরনের আচরণ করেছিলেন নেতানিয়াহু। এ কারণে এই ইস্যুতে সে সময় বারাক ওবামার সরকারের সঙ্গে নেতানিয়াহুর সরকারের সম্পর্কের ছেদ পড়ে।
ভিয়েনার পাশাপাশি ওয়াশিংটনেও একই ধরনের একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হবে বলে ইসরায়েলের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। আগামী সপ্তাহেই আমেরিকায় ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল পৌঁছাবে। এই প্রতিনিধিদলে ইসরায়েলের পদস্থ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা থাকছেন।