a
প্রতিকী ছবি
দেশে করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে নতুন করে দেড় কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছেন। আর কাজ হারিয়েছেন দেশের মোট শ্রমশক্তির তিন শতাংশেরও বেশি মানুষ।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) যৌথ গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া যায়। শনিবার (১৭ এপ্রিল) আয়োজিত ওয়েবিনারে সিপিডির গবেষণা বিষয়ক পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব তথ্য জানান।
সংস্থাটি আরও জানায়, অনেক প্রতিষ্ঠান করোনার ধাক্কায় এরই মধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে। শহর এলাকায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে এমন ১০০ জনের মধ্যে চাকরি হারানোর ঝুঁকির মধ্যে আছে ৬৯ জন।
সিপিডি জানিয়েছে, চাকরি হারানোদের মধ্যে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ শহরাঞ্চলে অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মে নিয়োজিত ছিলেন। ২০২১ সাল শেষ হতে এখনও প্রায় আট মাস বাকি। এ সময়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ কর্মহীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, করোনার প্রথম ঢেউয়ে ২০২০ সালের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাসে চার লাখ অভিবাসী শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।
অন্যদিকে নারী উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছেন। এশিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, ৫০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, দেশে দারিদ্র্য ক্রমশ বাড়ছে। যেখানে শ্রমনির্ভর দারিদ্র্য বেশি। এ হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। অতি মহামারির প্রভাবে এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ।
সিপিডি বলছে, কম আয়ের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক জটিলতার মধ্যে পড়েছেন। বিলসের দেওয়া তথ্য মতে, ৪৭ শতাংশ বস্তিবাসী ও ৩২ শতাংশ শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী খাদ্য খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন। উৎস: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৫ জন রোগী। এটি চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড।
এ নিয়ে এখন সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫২৭ জনে।
আজ রবিবার বিকালে এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই বর্তমানে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। তবে এখনো রাজধানীতে ৪৬০ জন ও রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে বাকিদের ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ফাইল ছবি: আহত গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি ফারুক হাসান
শহীদ মিনারে গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি ও দলের মুখপাত্র ফারুক হাসানের উপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার জন্য জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ‘১০-১৫ জনকে’ দায়ী করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
নতুন আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কর্মসূচি চলাকালে গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি ফারুক হাসান অর্ন্তবর্তী সরকারের সমালোচনা করায় ১০-১৫ জন ছাত্র তার উপর নিশংসভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের কিল-ঘুষি ও চেয়ার নিক্ষেপে গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি ফারুক হাসান গুরুতর আহত হয়েছেন। ফারুক হাসান অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
তবে হামলার পর ফেইসবুক লাইভে এসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছিলেন ফারুক হাসান। পরে অবশ্য সেই ভিডিও দ্রুত মুছে ফেলেন। ‘ফ্যাসিবাদ বিলোপ ও নতুন সংবিধানের’ দাবিতে শনিবার বিকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই কর্মসূচি ডাকে গত ১৬ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।
রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শনিবার বিকালে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ডাকা নাগরিক সমাবেশে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আহত একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। “এক পর্যায়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। ফারুককে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের দিকে যাওয়া সড়কে ফেলে মারধর করতে দেখা যায়।”
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, “এই ঘটনায় আমরা শাহবাগ থানায় মামলা করেছি। ওসি বলেছেন প্রয়োজনীয় তদন্ত করে বিষয়টি দেখবেন। তাই আমরা ডিসির কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে।”
তার অভিযোগ, "অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপ্লবী পরিষদের ১০-১৫ জন সদস্য ফারুক হাসানের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব।”
হামলার পর মারধরের শিকার গণঅধিকার পরিষদের ফারুক ফেইসবুক লাইভে বলেন, "আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের অনুষ্ঠানে আমাকে বিশেষ অতিথি বানিয়েছি তারা। আমি অতিথি হিসেবে সেখানে রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছি। সেখানে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা উপস্থিত ছিল। এদের আসলে ভালো বলার কোনো সুযোগ নেই এখন।”
তবে লাইভ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই ভিডিওটি মুছে ফেলেন ফারুক।