a দেশে দেড় কোটি মানুষ করোনায় দরিদ্র হয়েছে: সিপিডি
ঢাকা বুধবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দেশে দেড় কোটি মানুষ করোনায় দরিদ্র হয়েছে: সিপিডি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৫৬
দেশে দেড় কোটি মানুষ করোনায় দরিদ্র হয়েছে: সিপিডি

প্রতিকী ছবি

দেশে করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে নতুন করে দেড় কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছেন। আর কাজ হারিয়েছেন দেশের মোট শ্রমশক্তির তিন শতাংশেরও বেশি মানুষ।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) যৌথ গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া যায়। শনিবার (১৭ এপ্রিল) আয়োজিত ওয়েবিনারে সিপিডির গবেষণা বিষয়ক পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব তথ্য জানান।

সংস্থাটি আরও জানায়, অনেক প্রতিষ্ঠান করোনার ধাক্কায় এরই মধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে। শহর এলাকায় অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে এমন ১০০ জনের মধ্যে চাকরি হারানোর ঝুঁকির মধ্যে আছে ৬৯ জন।

সিপিডি জানিয়েছে, চাকরি হারানোদের মধ্যে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ শহরাঞ্চলে অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মে নিয়োজিত ছিলেন। ২০২১ সাল শেষ হতে এখনও প্রায় আট মাস বাকি। এ সময়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ কর্মহীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, করোনার প্রথম ঢেউয়ে ২০২০ সালের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাসে চার লাখ অভিবাসী শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।

অন্যদিকে নারী উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছেন। এশিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, ৫০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, দেশে দারিদ্র্য ক্রমশ বাড়ছে। যেখানে শ্রমনির্ভর দারিদ্র্য বেশি। এ হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। অতি মহামারির প্রভাবে এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ।

সিপিডি বলছে, কম আয়ের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক জটিলতার মধ্যে পড়েছেন। বিলসের দেওয়া তথ্য মতে, ৪৭ শতাংশ বস্তিবাসী ও ৩২ শতাংশ শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী খাদ্য খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন। উৎস: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুফতি ওয়াক্কাস আর নেই


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১, ১২:২৮
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুফতি ওয়াক্কাস আর নেই

ফাইল ছবি: মুফতি ওয়াক্কাস

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি ও সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। বুধবার (৩১ মার্চ) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মুফতি ওয়াক্কাস বেশ কিছুদিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৩ বছর।

তিনি যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন থেকে ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী (মটরগাড়ী প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে নির্বাচিত হন। পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

বিভিন্ন কারণে মন্ত্রিত্বের পদে বেশি দিন থাকা হয়নি। এরপর তিনি এরশাদ সরকারের শেষদিন পর্যন্ত জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এরশাদ সরকারের পতনের পর মুফতি ওয়াক্কাস আবার সক্রিয় হন জমিয়তের রাজনীতিতে। পরে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি এমপি নির্বাচিত হন। এছাড়াও ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও পরাজিত হন।

তিনি ২০২০ সালের শেষ দিকে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নিজের নির্বাচনী এলাকায় বেশ সুনাম অর্জন করেছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রক্তপাত বন্ধে আফগান ছেড়েছি, টাকা আনিনি: আশরাফ ঘানি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৯ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৩৩
রক্তপাত বন্ধে আফগান ছেড়েছি, টাকা আনিনি: আশরাফ ঘানি

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন।

তালেবানের কাবুল দখলের পর তিনি দেশত্যাগ করেন। এ সময় তিনি সঙ্গে করে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে খবর বেরিয়েছে তা প্রত্যাখান করেন। খবর আরব নিউজের।

গত বুধবার আশরাফ ঘানি আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, আমি শুধু দেশবাসীর শান্তির কথা ভেবে দেশত্যাগ করেছি। সঙ্গে কোনো টাকা-পয়সা আনিনি। এগুলো সব মিথ্যা প্রচারণা।

গত রোববার তালেবানের হাতে কাবুল পতনের পর বুধবার প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলেন আশরাফ ঘানি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশরাফ ঘানি তার বক্তব্যের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এতে তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে এভাবে তিনি থাকতে চান না। দেশে ফেরার জন্য আফগান নেতাদের সঙ্গে তার আলোচনা চলছে বলেও জানান ওই ভিডিও বার্তায়।
 
উল্লেখ্য, আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আশরাফ ঘানি চারটি গাড়িভর্তি নগদ অর্থ সঙ্গে নিয়েছিলেন বলে আফগানিস্তানে অবস্থিত রাশিয়ান দূতাবাসের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়।

রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনের মুখপাত্র নিকিতা ইশেনকো জানিয়েছিলেন, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তান থেকে পালানোর সময় চার গাড়ি নগদ অর্থ সঙ্গে নিয়েছিলেন আশরাফ ঘানি। সেই অর্থের একটি অংশ তিনি হেলিকপ্টারে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সব কিছু গড়বড় হয়ে যায়। কিছু অর্থ বিমানবন্দরেই রেখে যান ঘানি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ