a জামালপুর, সরিষাবাড়ীতে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ১
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জামালপুর, সরিষাবাড়ীতে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ১


সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২, ০৫:৩৮
জামালপুর, সরিষাবাড়ীতে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ১

ফাইল ছবি

জামালপুর সরিষাবাড়ীতে ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় ভোলা শেখ নামে একজন নিহত এবং রুবেল নামে এক যুবক নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা যায়। শনিবার দুপুরে উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের চর নলসন্ধ্যা গ্রামে এ ধরণের সহিংস ঘটনা ঘটে।

নিহত ভোলা শেখ (৬০) পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার নিশ্চিতপুর ইউনিয়নের কাজল গ্রামের মৃত হারুনর রশিদের ছেলে।

পুলিশের তথ্যমতে, আগামী ৩১ জানুয়ারি ষষ্ঠ ধাপে সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিংনা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী নুরুল ইসলাম (ফুটবল) ও প্রতিদ্বন্দ্বী সুজাত আলী সুরুর (মোরগ) সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে নলসন্ধ্যা গ্রামে নুরুল ইসলামের সমর্থকরা ভোট চাইতে গেলে সুজাত আলী সুরুর লোকজন রুবেল ও হালিম নামে দুই ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যায়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নুরুল ইসলামের লোকজন তাদের উদ্ধার করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় মেম্বার প্রার্থী নুরুল ইসলামের সমর্থক ভোলা শেখ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় আহত হয় হালিম, টুটুল, আব্দুল হাই, শুক্কুরসহ কমপক্ষে ১০ জন।

অপরদিকে, রুবেল (২৬) নামে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করছে তার পরিবার। নিখোঁজ রুবেল পিংনা ইউনিয়নের নলসন্ধ্যা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।  

এ ব্যাপারে তারাকান্দি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) আব্দুল লতিফ জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।  তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রতিপক্ষের গুলিতে কাদের মির্জার ৯ অনুসারী গুলিবিদ্ধ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৯ মে, ২০২১, ১০:৩৮
প্রতিপক্ষের গুলিতে কাদের মির্জার ৯ অনুসারী গুলিবিদ্ধ

সংগৃহীত ছবি

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ৯ অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে এধরণের ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন।

আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সবাইকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

হাসপাতালের ডাক্তার আবু নাছের জানান, ছররা গুলিতে আহত ৮ জনকে জরুরি বিভাগ থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়।

আহতরা হলেন- পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), সামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ (৪০), আবদুল লতিফ দুলালের ছেলে রুহুল আমিন সানি (৩০), মোস্তফা মেস্তরীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের এনামুল হকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭), চরকাঁকড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে দিদার (৩৫), মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২), এমদাদুল হকের ছেলে সওশাদ (৩৫)। আহতরা সবাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।

পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বকুল জানান, ৯নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়া, আদর্শপাড়া ও শান্তিপাড়া থেকে কাদের মির্জার অনুসারীরা একত্রিত হয়ে পৌরসভায় যাওয়ার জন্য জড়ো হচ্ছিল। এসময় প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর সমর্থকরা বেপরোয়াভাবে গুলি চালালে কাদের মির্জার লোকজন আহত হয়।

অপরদিকে সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কোনো লোক বাসা থেকে বের হয়নি। কাদের মির্জার লোকজন মিছিল করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে শুনেছি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে কাদের মির্জার অনুসারীরা মিছিল করতে চাইলে প্রতিপক্ষরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় আবদুল কাদের মির্জা রাত ৯টায় পৌরসভার নিজ কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভে এসে এএসপি শামীম, ইউএনও জিয়া, ওসি রনি ও অ্যাসিল্যান্ড সুভাতকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আলটিমেটাম দিয়েছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

রাজনীতিতে যুদ্ধ


কর্ণেল আকরাম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:৫৬
রাজনীতিতে যুদ্ধ

প্রতিকী ছবি: সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক যুদ্ধের গুরুত্ব আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় যখন জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের প্রধান স্থপতি ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এর প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন। তিনি সরাসরি পুরনো প্রথাগত রাজনীতির বিপরীতে নতুন ধাঁচের রাজনীতি স্থাপনের প্রয়াসে একটি রাজনৈতিক যুদ্ধের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন, যা আগামীতে একটি নতুন বাংলাদেশের পথ তৈরি করতে পারে।  

তবে তিনি এই নতুন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কিছুই স্পষ্ট করেননি। পুরো জাতি এখন ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে এবং এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক যুদ্ধের উদ্দেশ্য সম্পর্কে একেবারে অন্ধকারে রয়েছে।  

গত পাঁচ দশকে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কাঠামো রাতারাতি কোনো যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে বদলে দেওয়া সম্ভব নয়, বিশেষত যখন জাতি এমন একটি পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত নয়। এই ধরনের ঘোষণাগুলি সাধারণ মানুষের কাছে একটি উচ্চাভিলাষী ধারণা মনে হতে পারে এবং সমাজে পরিবর্তনের উদ্দেশ্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।  

বিপ্লবের ইতিহাস আমাদের বলে, পুরনো ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নতুন ব্যবস্থার উত্থান ধাপে ধাপে ঘটে। প্রতিটি বিপ্লব, যা অতীতে ঘটেছে, সামাজিক কাঠামোয় একটি মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। সাম্প্রতিক ইরানের ইসলামী বিপ্লব একটি উজ্জ্বল উদাহরণ, যেখানে ১৯৭৯ সালে ইসলামী রাজনীতির মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনকে উৎখাত করা হয়েছিল। সেই বিপ্লবের পর থেকে নতুন ব্যবস্থাটি পুরনো ব্যবস্থার মানুষদের বিরুদ্ধে এবং বিদেশি আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক যুদ্ধ চালিয়ে আসছে।  

বাংলাদেশের মানুষ এখনো খুব স্পষ্ট নয় যে কী ধরণের নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চাওয়া হচ্ছে, যা পুরনো ব্যবস্থাকে প্রতিস্থাপন করবে। জাতিকে এই পরিবর্তনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করা প্রয়োজন; অন্যথায়, এটি উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে এবং শত্রুরা এই সুযোগে উভয় পক্ষের মধ্যে ফাটল ধরিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।  

রাজনীতিতে মাইনাস ফর্মুলা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে না। বরং, রাজনৈতিক যুদ্ধ দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং সমাজ তার শিকার হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জাতি মারাত্মক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।  

তরুণ প্রজন্মের উচিত দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করা, বিশেষ করে যখন তারা রাজনীতিতে একটি মৌলিক পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চায়। অভিজ্ঞতা এবং পরিপক্কতা নতুন বাংলাদেশ গড়তে অপরিহার্য। শুধুমাত্র তরুণরা সমাজ পরিবর্তনে সক্ষম নয়; তাদের উচিত অভিজ্ঞ ও প্রবীণদের গুরুত্ব উপলব্ধি করা।  

আবেগ দিয়ে কোনো জাতি দীর্ঘমেয়াদে চলতে পারে না। বরং এটি জাতির জন্য গভীর সংকট তৈরি করতে পারে। আমরা ভুলে যেতে পারি না যে, প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ উভয় দিক থেকে আমরা দরিদ্র একটি জাতি। হঠাৎ কোনো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত জাতিকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে, এমনকি যদি তা সমাজের জন্য ভালোও হয়। যে কোনো ভুল পদক্ষেপ জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।  

তরুণ প্রজন্ম নিঃসন্দেহে দেশপ্রেমিক এবং প্রতিশ্রুতিশীল, কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে, যা দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অন্যথায়, দীর্ঘমেয়াদে জনগণই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  

আমরা কি সঠিক পথে এগোচ্ছি, নাকি ভ্রান্ত পথে, তা জাতির জন্য একটি বড় চিন্তার বিষয়। আমাদের জন্য বিকল্প নেই, কিন্তু পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন সংলাপের মাধ্যমে হওয়া উচিত, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়।  

বর্তমানে যদি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার নামে কোনো শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা হয়, তাহলে তা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত শান্তি ও ঐক্য ধ্বংস করে দেবে।

 

প্রফেসর ড. এস কে আকরাম আলী
কলামিস্ট ও লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - সারাদেশ