a
তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর সেখানে ইসলামিক স্টেট করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সকলের মনে উদ্বেগ ছিল ক্রিকেট বিশ্বের আশাজাগানিয়া দল হিসেবে আত্নপ্রকাশ করা আফগানিস্তান কি তাহলে ক্রিকেট থেকে হারিয়ে যাবে? কিন্তু না বরং সে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ফরম্যাটে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। দেশটির ক্রিকেট বোর্ডে ফারহান ইউসেফ জাইকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আজিজুল্লাহ ফাযলিকে।
এর আগেও এক দফা আফগান বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন আজিজুল্লাহ। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও চেয়ারম্যান হলেন বোর্ডের প্রধান। সমস্ত ব্যবহারিক কাজের ক্ষমতা থাকে সিইও এর হাতে। তিনি ক্রিকেটের সমস্ত কার্যক্রম দেখাশোনা করেন। এই পদে বর্তমানে আছেন ডক্টর হামিদ শিনওয়ারি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির ক্রিকেট উন্নয়নে দারুণ আশাবাদী এসিবির নতুন বোর্ড প্রধান।
১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজ মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান। প্রথমে আরব আমিরাতে হবার কথা থাকলেও এখন শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটায় এই সিরিজ আয়োজন করতে চায় আফগান বোর্ড।
ফাইল ছবি
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল আউট হওয়ার পর প্রথমে ব্যাট দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙেন ভারতীয় নারী দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর, তারপর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে আম্পায়ারিং নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন।
এমনকি ম্যাচ শেষে দুই দলের একসঙ্গে ছবি তোলার সময়ও তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটার উদ্দেশ্যে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।
গতকাল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটি নাটকীয়ভাবে টাই হয়। ৩ ম্যাচের সিরিজটিও সমতায় শেষ হয়। কিন্তু কাল প্রকাশ্যে অসংযত আচরণ করেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।
ভারতের ব্যাটিংয়ের ৩৪তম ওভারের ঘটনা। নাহিদা আক্তারের একটি বল সুইপ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। বল হারমানপ্রীতের প্যাডে লাগে। সেখান থেকে বল স্লিপের ফিল্ডার ফাহিমা খাতুনের হাতে চলে যায়। বাংলাদেশের ফিল্ডারদের জোড়াল আবেদনে সাড়া দিয়ে আউটের সিদ্ধান্ত দেন আম্পায়ার তানভীর আহমেদ।
এ সিরিজে আল্ট্রা এজ নেই, নেই ডিআরএস-ও। তবে দেখে মনে হয়েছে ভারতের অধিনায়ক আউটই ছিলেন। কারণ, যদি ব্যাটে লাগে তাহলে ক্যাচ, আর ব্যাটে না লেগে প্যাডে লাগলেও তো লেগ-বিফোর।
কিন্তু হারমানপ্রীত কোনো ক্রমেই মানতে রাজি নন। শুধু তাই নয়, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে আম্পায়ার নিয়ে যাচ্ছেতাই বললেন।
হারমানপ্রীতের ভাষ্য, ‘এ ম্যাচ থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারলাম। ক্রিকেট ছাড়াও যেরকম আম্পায়ারিং হলো, তাতে আমরা বিস্মিত। পরেরবার যখন আমরা বাংলাদেশে আসব, তখন নিশ্চিত করব যে আমাদের এরকম জঘন্য আম্পায়ারিংয়ের মধ্যে খেলতে হবে। সেভাবে প্রস্তুতিও নেব আমরা।’
এরপর আরেকটি ঘটনা ঘটান ভারতীয় অধিনায়ক। ট্রফি নিয়ে দুই দলের ছবি তোলার সময় হারমানপ্রীত বলে ওঠেন, ‘আম্পায়াররা কোথায়? আম্পায়ারদেরও ডাকুন।’
পরে বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা সব ক্রিকেটার মিলে একসঙ্গে ছবি না তুলে ড্রেসিংরুমে চলে যান। ওই মুহূর্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কিছু কথা হয়েছে যা এখানে বলা সম্ভব না। যা হয়েছে তাতে আমার কাছে মনে হয় না, দল নিয়ে আমি ওখানে থাকি। ক্রিকেট একটা সম্মানের জায়গায়। একটা শৃঙ্খলার জায়গায়, এটা ভদ্রলোকের খেলা।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
দেশবরেণ্য গণমাধ্যমব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত অন্যান্য বছরের ন্যায় বইমেলা-২০২৩ নিয়ে এলেন নতুন বই। বইটির নাম ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’।
তার লেখালেখি প্রসঙ্গে হানিফ সংকেত গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মিডিয়াতে আমার শুরুটাই লেখালেখি দিয়ে। আর সেটা সত্তুর দশকের শুরু থেকেই। দর্শকদের ভালোবাসার কারণে ইত্যাদিকে নিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সবসময় লিখতে পারি না। কারণ গত ৩৪ বছর ধরেই আমাকে একটা সিডিউল মেনে চলতে হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট তারিখে ইত্যাদি প্রচার হয় বলে আমাকে সেই তারিখের আগে অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করে জমা দিতে হয়। তবে যত ব্যস্ত থাকি না কেন মনের ক্ষুধার তাড়নায় চেষ্টা করি সংখ্যায় বেশি না হলেও বছরে অন্ততঃ একটি হলেও বই প্রকাশ করতে।’
তিনি জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ইত্যাদি নির্মাণ করে আসছেন গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে। সামাজিক অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি লেখালেখিতেও তার গভীর পর্যবেক্ষণ অনুকরনীয়।
বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে তিনি যেমন নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন তেমনি আমাদের নাগরিক সচেতনতা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখছেন আন্তরিকতার সঙ্গে। তার এবারের গ্রন্থেও সেই বিষয়গুলিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বলে জানান।
‘আবেগ যখন বিবেকহীন’ বইটি সম্পর্কে হানিফ সংকেত বলেন, আবেগ ও বিবেকের মধ্যে পার্থক্য হলো, বিবেক উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আর আবেগ ভাবাবেগে কাজ করে। আবেগের বেগ বেশি হলে মানুষ ভুল করে বসে, বিবেকও কাজ করে না। ফলে মানুষ হয়ে পড়ে বিবেকহীন। আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, দেখার চোখই শুধু চোখ নয়। বিবেকেরও চোখ আছে। কিন্তু আমরা অনেকেই চোখ থাকতেও অন্ধ। যে কারণে অসংগতি, দূর্গতি, ভোগান্তি এবং অশান্তি লেগেই থাকে। কারণ বিবেকহীন মানুষ কখনও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘আবেগ যখন বিবেকহীন’ গ্রন্থটি। বইটি প্রকাশ করেছে অনন্যা প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ। বইটি বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে।