a জয় দিয়েই বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশ
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জয় দিয়েই বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশ


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:৪০
জয় দিয়েই বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের কাছে হার মানল ওমান। ২৬ রানে জিতল বাংলাদেশ। ওমানের আল আমেরাতে মঙ্গলবারের ম্যাচে সৌম্য সরকারকে বসিয়ে ওপেনিংয়ে নাঈম শেখকে নামাল বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট।

আর নির্বাচকদের পরিকল্পনার সুবিচার করলেন নাঈম। তার ৫০ বলে ৬৪ রানের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে ১৫৩ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

আর ১৫৪ রানের তাড়ায় দুর্দান্ত ব্যাটং করে বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল ওমানের ব্যাটাররা।

১৬ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১০৪ রান করে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের আকাশে জমা কালো মেঘে দূর করে দেয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

এক ওভারেই নেয় দুটি উইকেট। ১৭তম ওভারে সাকিবের ৪র্থ ও ৫ম ডেলিভারিতে আউট হয়ে যায় ওমানের আয়ান খান ও নাসিম খুশি। খেলায় ফেরে বাংলাদেশ। এরপর সাকিবকে অনুসরণ করে মোস্তাফিজুর রহমান। মোস্তাফিজও দুটি উইকেট নিলে ওমানের জয়ের আশা ক্ষীণ হয়ে যায়।

ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। তাসকিন আর মোস্তাফিজ মিলে ২ ওভারেই দেয় ৯টি অতিরিক্ত রান। মোস্তাফিজ এক ওভারেই করে ৫টি ওয়াইড। মাহমুদউল্লাহ ছাড়ে ক্যাচ।

সব মিলিয়ে দুর্বল ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলটিকে খুব অচেনাই লাগছিল সবার। শেষ দিকে বোলিংয়ে সাকিব-মোস্তাফিজ জ্বলে না উঠলে বিদায় ঘণ্টা বেজে যেত মাহমুদউল্লাহ বাহিনীর। ১৬তম ওভার শেষে জয়ের জন্য ওমানের সমীকরণ ছিল ২৪ বলে ৫০ রান। হাতে পাঁচটি উইকেট।

এ সময়ে দলের ত্রাতা হয়ে আসেন অলরাউন্ডার সাকিব। মাত্র ৩ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর ৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

এতে খেলার চিত্রটাই পাল্টে মাহমুদউল্লাহর হাতে চলে আসে। শেষ ৬ বলে ওমানের প্রয়োজন পড়ে ৩৯ রানের। অথচ ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে ইতোমধ্যে।

ওভারের পঞ্চম বলে মোস্তাফিজকে নাদিম ছক্কা হাঁকালেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ২৬ রানে জয় নিয়ে বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে ওঠায় টিকে থাকলো বাংলাদেশ।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ওমানের মতো দলের বিপক্ষে ২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল। সেই অবস্থা থেকে দলকে খেলায় ফেরান ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। 

তৃতীয় উইকেটে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে গড়েন ৮০ রানের জুটি। দলীয় ১০১ রানে রানআউট হয়ে ফেরেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। তার আগে ২৯ বলে ৬টি চারের সাহায্যে করেন ৪২ রান। 

ব্যাটিংয়ে প্রমোশন নিয়ে চারে খেলতে নেমে কাজের কাজ কিছুই করতে পারেননি নুরুল হাসান সোহান। চার বলে মাত্র ৩ রান করে ফেরেন তিনি।এরপর একাই লড়াই চালিয়ে যান নাঈম শেখ। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে সৌম্যর কারণে একাদশে জায়গা হয়নি নাঈমের। 

বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বেশ সাবধানি ব্যাটিং করেন নাঈম শেখ। তার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের কারণেই ১৫৩ রান তুলতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ দল।

তবে শেষ চার ওভারে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট পতনের কারণে শেষ ২৪ বলে ৩৩ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। 

ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের ১৬.৪ ওভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরে মোহাম্মদ নাঈম শেখ। ৫০ বলে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় করে হয় ৬৪ রান।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

লড়াই করেই জয় ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশ


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২, ১১:১৯
লড়াই করেই জয় ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

ঘরের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে ১ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার (৪ ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সাকিব আল হাসানের স্পিন ভেল্কিতে ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। ১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী মিরাজের লড়াকু ব্যাটে ৪ ওভার হাতে রেখে ১ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।

১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দিপক চাহারের বলে রানের খাতা না খুলেই সাজঘরে ফিরে যান নাজমুল শান্ত। এরপর ক্রিজে এসে দ্রতই আউট হয়ে যান এনামুল বিজয়। দলীয় ২৬ রানে ২৯ বলে ১৪ রান করে আউট হন তিনি।

বিজয়ের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। ওপেনিংয়ে নামা লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ৪৮ রানের জুটি গড়ে শুরুর চাপ সামাল দেন সাকিব। সাবলীল ব্যাটিং করতে থাকেন লিটন। তবে দলীয় ৭৪ রানে ৬৩ বলে ৪০ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান লিটন।

লিটনের বিদায়ের মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন সাকিব। তবে দলীয় ৯৫ রানে সাজঘরে ফিরে যান সাকিব। ৩৮ বলে ২৯ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন তিনি। দু'জন মিলে পঞ্চম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৩৩ রান। তবে এরপরেই সাজঘরে ফিরে যান এই দুই ব্যাটার। ইনিংসের ৩৫তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১২৮ রানে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। আর ৩৬তম ওভারের প্রথম বলেই সিরাজের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ দরেন মুশফিক।

এই দুই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর ধুঁকতে থাকে বাংলাদশ। ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন ও মেহেদী মিরাজ। তবে দ্রুতই আউট হয়ে যান আফিফ। দলীয় ১৩৪ রানে ১২ বলে মাত্র ৬ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ক্রিজে এসেই ফিরে যান এবাদত। তিন বল খেলে রানের খাতা না খুলেই আউট হন তিনি। ১৩৫ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

ইবাদতের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন হাসান মাহমুদ। এসেই আউট হয়ে ফিরে যান তিনি। দুই বলে খেলে শূন্য হাতে ফিরে যান তিনি। শেষ ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। মোস্তাফিকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করেন মেহেদী মিরাজ। মোস্তাফিজকে  এক পাশে রেখে একাই ব্যাটিং চালিয়ে যান মেহেদী।  তার ব্যাটিংয়ে ভর করে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে বাংলাদেশ।

শেষ ৬ ওভারে জয়ের জন্য ১৪ রান প্রয়োজন হয় বাংলাদেশের। ইনিংসের ৪৫তম ওভারের তৃতীয় বলে চার মারেন মোস্তাফিজ। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে মেহেদীকে স্ট্রাইক দেন তিনি। ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক নিজের কাছে রাখেন মেহেদী। ইনিংসের ৪৬তম ওভারের প্রথম বলেই চার মারেন মিরাজ। ফলে জয়ের জন্য আর মাত্র ৪ রান প্রয়োজন হয় বাংলাদেশের।

ওভারের  দ্বিতীয় ও তৃতীয় বল ডট দিয়ে চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নেন তিনি। ওভারের চতুর্থ বল নো করেন দিপক চাহার। ফ্রি হিট বল ডট দেন মোস্তাফিজ। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ম্যাচ টাই করেন মোস্তাফিজ। ওভারের শেষ বলে চার মেরে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে মেহেদী মিরাজ। মোস্তাফিজ ১১ বলে ১০ ও মেহেদী মিরাজ ৩৯ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সময়ের সাতকাহন- জেবুন নাহার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১, ১২:২৮
সময়ের সাতকাহন- জেবুন নাহার

ফাইল ফটো: জেবুন নাহার

সময় যত গড়িয়ে যাচ্ছে
ততবেশি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখছো,
তোমার কাছে একটু সময় চেয়ে
যে মানুষটা বসে থাকে,
তাকে কেন তোমার ব্যস্ততা দেখিয়ে যাচ্ছ?
যার সাথে নানা কথার অজুহাতে 
কারনে অকারনে ফোনটা ওপাশ থেকে রেখে দাও,
কথা না বলে চুপ করে থাকো,
সে যে তোমাকে কতটা ভালোবাসে
তা কি কখনও বুঝতে পারো?
অবুঝ মন যখন অবুঝ আচরণে 
অবুঝ কোন সিদ্ধান্ত নেয়, 
তখন চারিদিকে শুধু হা-হা কার
ধ্বনি প্রকম্পিত হতে থাকে!
অভিমান করে ভুলে থাকার যে
অলিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছ,
তা আমাকে যত না বেশী দূরে রাখছে,
তার চেয়ে কাছে টানার আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে ঢের বেশী।
পলাশ, শিমুলের মোহনীয়তায় এবারের ফাগুনে বসন্তের আগমনী বার্তা পেয়েছে তার ভিন্ন রূপ। 
বসন্তের রঙিন আলোয় উর্বশী আমি, 
তুমি আলতো করে ছুঁয়ে দিয়েছ বলে।
তোমার মায়াবী চোখের মায়াজালে আমার আঁখিপল্লব হারিয়ে ফেলে তার চোখের ভাষা, 
উর্বশী আমি মেতে উঠি উন্মত্ত ভালবাসায়।
কথা ছিল আজ সকালে একসাথে সূর্যোদয় দেখব।
তুমি বলেছিলে গাছের আড়ালে সূর্যকে যত সুন্দর দেখায় ততো সৌন্দর্য যেন আর কিছুতে নেই,
রাতভর জেগে থেকে তোমার লোমশ বুকে মাথা রেখে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, 
তুমি ডেকেছিলে মাঝে কিন্তু পরে আর কোন শব্দ করো নি।
সূর্য দেখব বলে ঘুম ভেঙে চোখ খুলে দেখি - আমার কোলে তোমার মাথা, তুমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। 
তোমাকে আর জাগালাম না।
সূর্যোদয় আজ আর দেখা হল না, 
হয়ত কাল বা অন্য আর একদিন বেরিয়ে পড়বো সূর্যকে দেখার জন্য ।
সূর্যের মডেলিং এ অভিভূত হয়ে নিশ্চয়ই তুমি ব্যস্ত হয়ে পড়বে সূর্যকে নিয়ে,
তুমি কি তাহলে আমাকে আর ভালবাসবে না? 
এক হৃদয় ভালবাসা নিয়ে কাছে আসবে না?
স্মৃতির পাতায় হারিয়ে যাই আমি,
হাজারো স্মৃতির ভীড়ে খুঁজে পাওয়া হীরক খন্ডগুলো ।
হ্যাঁ হীরক খন্ডগুলোর কথাই বলছি;
তোমার সাথে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তই আমার কাছে এক একটি হীরকখচিত পান্ডুলিপি।
সেখানে ছিল রাতজাগা ভোর,
মায়াবী পাখির মিষ্টি ডাকাডাকি,
রয়েছে সেখানে লাজুক সূর্যের ঝিলিক দিয়ে উঁকি দেওয়া,
আরও রয়েছে হাতে হাত রেখে পাশাপাশি হাঁটা,
সেখানে রয়েছে তপ্ত রোদে ক্লান্ত দুজনের গাছের ছায়াতলে বিশ্রাম নেয়া, 
আরও কতকিছু।
আমার স্মৃতিতে কড়া নাড়ে জ্যোস্না বিলাসীর মহিমান্বিত ফল্গুধারা,
জ্যোস্নার মধুর আবেগ, 
এ এক নেশা জাগানো ভালোবাসা।
হৃদয়কে কামনাতুর করার যে প্রলোভন 
তা লক্ষ কাজের দামামায় তোমার কথাই মনে করিয়ে দেয় বারবার।

 

.......ফেসবুক হতে সংগৃহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্রিকেট

ক্রিকেট এর সব খবর