a
ফাইল ছবি
ক্রিকেট দুনিয়ায় নতুন সংযোজন ‘দ্য হান্ড্রেডে’বলের টুর্নামেন্ট। প্রথম আসরে পুরুষদের ফাইনাল ম্যাচে মইন আলির বার্মিংহাম ফোনিক্সকে ৩২ রানে হারিয়ে প্রথম আসরের শিরোপা ঘরে তুলেছে সাউদার্ন ব্রেভ। ৩৬ বলে ৬১ রান করে ফাইনালে ম্যাচসেরা আইরিশ তারকা পল স্টার্লিং।
পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিয়াম লিভিংস্টন হয়েছেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট। দলকে বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে ইনিংসটাকে এগিয়ে নিয়েছেন পল স্টার্লিং টসে জিতে সাউদার্ন ব্রেভকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বার্মিংহাম অধিনায়ক মইন আলি। ব্যক্তিগত ৭ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান সাউথ আফ্রিকান তারকা কুইন্টন ডি কক; ৪ রান করেন দলীয় অধিনায়ক জেমস ভিনস। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংসকে এগিয়ে নিতে থাকেন স্টার্লিং; অ্যালেক্স ডেভিসকে নিয়ে গড়েন ৫০ রানের জুঁটি। ৩৬ বলে ৬১ রান করে স্টার্লিং যখন ড্রেসিং রুমে ফিরে যাচ্ছেন দলের রান তখন মাত্র ৮৫।
এই রানটাকেই ১৬৮ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পেছনে পুরো অবদান রস হোয়াইটলির; খেলেছেন ১৯ বলে ৪৪ রানের টর্নেডো একটি ইনিংস। সিংগাপুরের প্লেয়ার টিম ডেভিডের ব্যাট থেকে এসেছে ৬ বলে ১৫ রান। বার্মিংহাম ফোনিক্সের হয়ে দুর্দান্ত বল করেছেন কিউই পেসার এডাম মিলনে; ২০ বল করে মাত্র ৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট। ১৯ বলে ৪৬ রান করে রান আউট হন লিভিংস্টন ১৬৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ২ উইকেট হারায় মইন আলির দল।
এরপর পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিভিংস্টনকে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন মইন। তৃতীয় উইকেট জুঁটিতে তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ রান; ৪ চার এবং ৪ ছয়ে মাত্র ১৯ বলে লিভিংস্টন করেন ৪৬ রান। লিভিংস্টন ছাড়া প্রতিরোধ গড়তে পারেনি আর কেউই, বার্মিংহাম ফোনিক্সের ইনিংস থামে ১৩৬ রানে। ইংলিশ অলরাউন্ডার মইন ৩৬ রান করলেও খেলেছেন ৩০টি বল; যা ম্যাচে হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছে মাত্র। ২০ বলে ১৩ রান দিয়ে ১টি উইকেট নিয়েছেন ইংলিশ পেসার টাইমাল মিলস।
সাউদার্ন ব্রেভ: ১৬৮/৫(১০০ বল),
বার্মিংহামঃ ১৩৬/৫(১০০ বল)
প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ: পল স্ট্রার্লিং
প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্টঃ লিয়াম লিভিংস্টোন
ফাইল ছবি
কাধেঁর অস্ত্রোপচারের পর আর পাকিস্তানের টেস্ট দলে ঠাঁই পাননি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। তবে দল যে একজন সেরা পারফরমারকে মিস করছে তা টের পাইয়ে দিলেন আব্বাস। ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে চোখের পলকে গুড়িয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের ইনিংস।
এমন দুর্দান্ত বোলিং কমই দেখা মেলে। মাত্র ১৭ বল করে ৫ উইকেট নিয়েছেন আব্বাস। এরমধ্যে একটি হ্যাটট্রিকও রয়েছে। এক ওভার মেডেন দিয়ে রান দিয়েছেন মাত্র ৩টি। অর্থাৎ স্কোরবোর্ডে এই পাক পেসারের বোলিং ফিগার দেখাচ্ছিল ২.৫-১-৩-৫! এ কী বিশ্বাস করার মতো?
তবুও বিশ্বরেকর্ড হাত ছাড়া মাত্র এক বলের জন্য। ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে সাউদাম্পটনের রোজ বোলে শুক্রবার মিডলসেক্সের বিপক্ষে এমন অতিমানবীয় পারফরম্যান্স দেখালেন পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। হ্যাম্পশায়ারের হয়ে খেলে মাত্র ৭৯ রানেই গুড়িয়ে দিলেন মিডলসেক্সের প্রথম ইনিংস।
ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার প্রথম ইনিংসে ৩১৯ রান তুলে অলআউট হ্যাম্পশায়ার। দিনের আরো ৬ ওভার বাকি থাকে। আর ওই ৬ ওভারের মধ্যেই নিজের করা ৩ ওভারে ধ্বংস করে দেন মিডলসেক্সকে।
১৪ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে মিডলসেক্স। ৫ উইকেটের সবটিই পান আব্বাস। আব্বাসের হ্যাটট্রিকটি ছিল দুই ওভার মিলিয়ে। ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মিডলসেক্সের ওপেনার ম্যাক্স হলডনকে ওয়েদারলের ক্যাচে পরিণত করেন আব্বাস।
পরের বলেই অর্থাৎ ওভারে শেষ বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন নিক গ্যাবিন্সকে। আব্বাসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম ডেলিভারিতে মিডলসেক্সের অধিনায়ক স্টিভ এসকিনাজি উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে বন্দি হন। ফলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় এই পাকিস্তানি পেসার।
নিজের পরের ওভারে জোরা শিকার করেন আব্বাস। রবি হোয়াইট আর মার্টিন অ্যান্ডারসন-দুই ব্যাটসম্যানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান। শেষ পর্যন্ত আব্বাসের ১১ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন আব্বাস। মেডেন দিয়েছেন ৬টি!
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বলের মধ্যে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড রায়ান প্যাটেলের। ২০১৮ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে সারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে গিল্ডফোর্ডে ১১ বলে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। যেই বিশ্বরেকর্ড এখনও রয়েই গেল।
ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাসহ সারাদেশে ৮টি বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।
এবছর ‘ক’ ইউনিটে এক হাজার ৮৫১টি আসনের বিপরীতে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা এক লাখ ১৫ হাজার ৭০৮ জন। সে হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী রয়েছেন প্রায় ৬৩ জন।
‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর ১২০। এর মধ্যে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ-এর জন্য ৬০ নম্বর এবং লিখিত বা বর্ণনামূলকের জন্য ৪০ নম্বর থাকবে। এমসিকিউ-এর জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত বা বর্ণনামূলকের জন্য ৪৫ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।
ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ও পাঁচটি ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি নেওয়া হয়। অনুষদগুলো হলো, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসি, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদ।
অপরদিকে, ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে আছে, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রভৃতি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন