a
ফাইল ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রণতরী নিরস্ত্রীকৃত এজিয়ান দ্বীপগুলোতে মোতায়েন করেছে গ্রিস, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে লেসবোস ও সামোস অঞ্চলে এসব রণতরী পাঠানো হয়েছে।আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে গ্রিসের এই কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা সূত্রের তথ্যমতে, তুর্কি আর্ম ফোর্স (টিএসকে) ড্রোন মিশন পরিচালনা করছে এবং এজিয়ানে দুটি গ্রিক রণতরী চিহ্নিত করেছে। যেগুলো লেসবোস ও সামোস অঞ্চলের দিকে যাচ্ছে।
সূত্রে জানানো হয়, লেসবোসের দিকে যাওয়া রণতরীটি ২৩ ট্রাক্টিকাল অস্ত্রে সজ্জিত এবং সামোসের দিকে অগ্রসারমান রণতরীটি ১৮ ট্রাট্ক্যিাল অস্ত্রে সজ্জিত। এসব রণতরী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলেক্সজান্দ্রপলি বন্দরের দিকে পাঠানো হয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, এইসব কর্মকাণ্ডগুলো ১৮ থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে গ্রিস তার প্রতিবেশী দেশ তুরস্কের কাছাকাছি দ্বীপাঞ্চলে রণতরী মোতায়েন করে আইন লঙ্ঘন করছে।
সূত্রের তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে অস্ত্রগুলো দ্বীপটিতে পাঠানো হয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশটির এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে তুরস্ক, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর এমন আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে অবন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ‘কখনো গ্রহণযোগ্য’ হবে না। সূত্র : ডেইলি সাবাহ
জেনারেল বিপিন রাওয়াত
আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সামরিক জোট ন্যাটো। আগামী ১ মে থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এ সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) এক সুরক্ষা সম্মেলনে তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর প্রস্তাবিত সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন। কারণ, সেনা প্রত্যাহারের ফলে দেশটিতে তৈরি হওয়া শূন্য স্থানটিতে "বিঘ্নকারীরা" পদক্ষেপ নিতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে।
তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করলেও দেশটিকে সমর্থন দিয়ে যাবে। তবে এই সমর্থন কোনোভাবেই সামরিক হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘এখন সময় এসেছে দীর্ঘতম যুদ্ধটি বন্ধ করার।’
বাইডেন বলেন, আফগানিস্তানে আমাদের সামরিক উপস্থিতি প্রসারিত অব্যাহত রাখতে পারি না। তাদের সাথে সামরিকভাবে জড়িত থাকবো না। তবে আমাদের কূটনৈতিক ও মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে এবং আমরা আফগানিস্তান সরকারকে সমর্থন অব্যাহত রাখবো।
বিবিসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ও সাড়ে ৯ হাজার ন্যাটো আফগান মিশনে অংশ নিতে দেশটিতে অবস্থান করছে।
ছবি সংগৃহীত
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: চলতি করবর্ষে ১৫ লাখ ই-রিটার্নের মধ্যে ১০ লাখ করদাতারই করযোগ্য আয় নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এনবিআর ভবনে অর্থ ও বাণিজ্যবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যক্তি করদাতাদের কর ছাড়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।
তার জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, দাবিটা অযৌক্তিক না হলেও তাতে কিছু সমস্যা আছে।
তিনি বলেন, ধরেন এখন ডিজিটালি রিটার্ন সাবমিশন হওয়ায় সব তথ্যগুলো আমার হাতে চলে আসছে। আজকে দেখলাম ১৫ লাখ ১৫ হাজার (রিটার্ন জমা) হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ২-৩ হাজার করে রিটার্ন পাচ্ছি।
আমাদের অনলাইন রিটার্ন এখনও চালু আছে। অনলাইন রিটার্ন বন্ধ নাই, আবার অনেকে রিভাইজড রিটার্ন দিতে পারছেন অনলাইনে, এটা একটা বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেখানে দেখলাম ১৫ লাখ রিটার্নের মধ্যে ১০ লাখ রিটার্নই জমা পড়েছে সাড়ে তিন লাখ টাকার নিচে। এরা এক টাকাও ট্যাক্স দেয় নাই।
এটা কিন্তু পেপার রিটার্নের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। মফস্বলে যান এই চিত্রই দেখবেন। এখন করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করলে শূন্য রিটার্নের সংখ্যা আরও এক লাখ বেড়ে যাবে বলে ধারণা এনবিআর চেয়ারম্যানের।
তিনি বলেন, কোয়ালিটি ট্যাক্সপেয়ারের সংখ্যা খুবই কম। এখন যদি আমরা এই সিলিংটাকে একটু বাড়িয়ে দিই, আমরা আলোচনা করব, দেব না এটা বলছি না। শুধু এতটুকু বলছি, আরও বড় একটা গ্রুপ যারা মিনিমাম কর দিত, তারাও ওই যে জিরো ট্যাক্সে চলে যাবে। এইটা হলো অসুবিধা।