a
ছবি সংগৃহীত
ক্রিকেট বিশ্বের আকর্ষণীয় লড়াই বিশ্বকাপ ফাইনালে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এরপরই মুখোমুখি হবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। ক্রিকেটীয় এই মহারণ মঞ্চস্থ করতে পুরোদমে প্রস্তুত আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ধারাবাহিক পারফর্ম করে সবার আগেই সেমিফাইনালের পর ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ভারত। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ আসর শুরু করা রোহিত শর্মার দল শেষটা তাদের হারিয়েই করতে চায়।
যদিও শক্তিমত্তায় ভারত-অস্ট্রেলিয়া সমানে সমান। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং হোম কন্ডিশনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত। তাদের ব্যালেন্স টিম রয়েছে।
ফাইনাল ম্যাচটি সম্পন্নের আগে নিশ্চিত করে বলা মুশকিল, কে শিরোপা জিতবে। তবে ভারতকেই এগিয়ে রাখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ:
রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি, জসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব ও মোহাম্মদ সিরাজ।
ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য একাদশ:
ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স কেরি, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, প্যাট কামিন্স, জস হ্যাজল উড ও অ্যাডাম জাম্পা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয় করছে বাংলাদেশ দল। শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অতীতে এই দুই দল টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ১১টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়। অতীতের সেই সাক্ষাতে ৭ ম্যাচে জয় পায় শ্রীলংকা। আর ৪ ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ।
তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে শ্রীলংকার চেয়ে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলটি সম্প্রতি ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে সিরিজ হারিয়ে দিয়েছে।
বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে গেলেও শেষ দুই ম্যাচে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে টানা জিতে মূলপর্বে উঠেবাংলাদেশ দল।
ফাইল ছবি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়কদের মাঝে বৈঠক
নিউজ ডেস্ক: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা, কর্মসূচির রূপরেখা নির্ধারণ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সংগঠকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে প্রায় ৪ ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে।
গতকাল বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ১৫৮ জন সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়কের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৮৮ জন।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সমন্বয় বাড়াতে বৈঠকে তিন ধরনের কমিটি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত, এ সপ্তাহের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি ২০ থেকে ২২ সদস্যের হবে। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়করাও থাকবেন।
দ্বিতীয়ত, একটি অর্গানাইজিং (সাংগঠনিক) টিম থাকবে। এই টিম একাধিক সেলে বিভক্ত থাকবে এবং সেল অনুযায়ী কাজ করবে। এই অর্গানাইজিং টিম নভেম্বর মাসের মধ্যে গঠন করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
তৃতীয়ত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যে অর্গানোগ্রাম দেওয়া হয়েছে, ৪ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি, সেটি এই সপ্তাহের মধ্যে বর্ধিত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। এ ছাড়া ১৫ নভেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের ১০০ দিন উপলক্ষে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আন্দোলনে আহতদের খোঁজখবর নেবে কেন্দ্রীয় কমিটি; পাশাপাশি ঢাকায় শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, রিফাত রশীদ, আরিফ সোহেল, উমামা ফাতেমা, আব্দুল হান্নান মাসউদ।
বৈঠক শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের ফসল হলো অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের উপদেষ্টা নিয়োগের সময় অবশ্যই আমাদের বক্তব্য নিতে হবে।
সমন্বয়কদের মধ্যে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, শেষ পর্যন্ত আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শুধু সরকারের গুণগান গাইব না। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনাও করা হবে। এ ছাড়া মানুষের ভোগান্তি হয়, এমন কোনো কিছু করবে না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
তিনি জানান, বিপ্লবের ১০০ দিন উপলক্ষে আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হবে। আর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে দেশব্যাপী আন্দোলনের কমিটি দেওয়া হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন