a
ফাইল ছবি : সাকিব আল হাসান
আসন্ন এশিয়া কাপ, নিউজিল্যান্ড সিরিজ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
শনিবার বিকালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অপারেশন্স কমিটির নতুন চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ নিয়ে তৃতীয় মেয়াদে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হলেন সাকিব। এর আগে ২০০৯ ও ২০১৭ সালে দুই দফায় এই ফরম্যাটে অধিনায়ক হয়েছিলেন সাকিব।
উল্লেখ্য, সাকিবের অধীনে ২১ ম্যাচে ৭টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
পাকিস্তানকে কেন আনপ্রেডিক্টেবল বলা হয় তা হয়তো ক্রিকেট মাঠে তাদের যোগ্যতা দিয়ে তা প্রমাণ করেছে। পাকিস্তান ঠিক বিশ্বকাপের দল ঘোষণারর পর পরই আরেকটা আনপ্রেডিক্টেবল ঘটনার জন্ম দিলো বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার দিনে আকস্মিক পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ মিসবাহ উল হক ও বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনিস। হুট করে পদত্যাগের পেছনে মিসবাহ ‘পারিবারিক ব্যস্ততা’ এবং ওয়াকার মিসবাহর পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে কারণ উল্লেখ করন।
গতকাল সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) নিজেদের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান মিসবাহ ও ওয়াকার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে একইসাথে পাকিস্তানের কোচিং প্যানেলে যুক্ত হন সাবেক এই দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার।
দুইজনই চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাকি রেখেই সরে দাঁড়িয়েছেন দায়িত্ব থেকে। মিসবাহ তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তিগত কারণকে দায়ী করেছেন। ওয়াকারের দাবি, মিসবাহ সরে দাঁড়ানোর কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। পাকিস্তান দলে কোন্দল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সমালোচিত ছিলেন মিসবাক ও ওয়াকার।
মিসবাহ বলেছেন, ‘জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকলে আমি আমার পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারছি না। এই বিষয়টি বিবেচনা করে আমি আমার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম।’
ওয়াকার বলেন, ‘মিসবাহ আমাকে তার সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানানোর পর আমার জন্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কঠিন ছিল না। আমরা একইসাথে কাজ নিয়েছিলাম, জুটি হয়ে কাজ করেছি এবং একইসাথে পদ থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি।’
মিসবাহর বদলি হিসেবে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রধান কোচের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পেয়েছেন সাকলাইন মুশতাক। আব্দুল রাজ্জাক কাজ করবেন ওয়াকারের বদলি হিসেবে, অর্থাৎ বোলিং কোচ হিসেবে। তাদের দুইজনেরই জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে কোচ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
হবিগঞ্জের বাহুবলে পানিতে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের মেয়ে জান্নাত(০২) ও সালাউদ্দিনের আপন ভাই মহিউদ্দিনের ছেলে ইয়াছিন(০৪)।স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ জানান, নিহত শিশুরা চাচাত ভাই-বোন।
শনিবার দুপুর বেলায় খেলতে গিয়ে বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে তারা পানিতে পরে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে বাহুবল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। বাহুবল মডের থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম খান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।