ঢাকা সোমবার, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৬ মে, ২০২২
Mukto Sangbad Protidin

সাকিব নিয়ে নির্বাচকরা অসহায়!


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২, ১২:৫৬
সাকিব নিয়ে নির্বাচকরা অসহায়!
ফাইল ছবি

জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর সংবাদ সম্মেলন করেন। প্রসঙ্গ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি। সহকারী নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে যথাসময়ে হাজির প্রধান নির্বাচক। কিন্তু ছুটির দিনে মিরপুর স্টেডিয়ামে বিসিবির মিডিয়া বিভাগের কেউ নেই! প্রখর রোদে বিসিবি একাডেমির সামনে, পরে একাডেমি ভবনের ভেতরে দুই দফা সংবাদ সম্মেলনের পরিকল্পনা হয়েছিল। সংবাদকর্মী ও নির্বাচকদের সমন্বিত সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত মিডিয়া সেন্টারের সামনে হয় সংবাদ সম্মেলন।

চলতি বছরের জন্য বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকায় আছেন ২১ ক্রিকেটার। কিন্তু গতকাল সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচকদের দিকে ছুটে যাওয়া সিংহভাগ প্রশ্নই হলো সাকিব আল হাসানকে নিয়ে। জাতীয় দলে অনিয়মিত হলেও সাকিবকে রাখা হয়েছে তিন ফরম্যাটের চুক্তিতে। তা নিয়ে প্রশ্নবাণে পড়তে হয়েছে নির্বাচকদের।

সবগুলো প্রশ্নই ছিল নান্নুকে উদ্দেশ করে। মাঝেমধ্যে কথা বলেছেন রাজ্জাকও। কথার মাঝে মেজাজও হারিয়েছেন সাবেক এই বাঁহাতি স্পিনার। একবার তো প্রশ্ন করা এক সাংবাদিককে উল্টো প্রশ্নই করে বসলেন, ‘আপনি যদি নির্বাচক হতেন কী করতেন? সাকিবকে বাদ দিতেন না রাখতেন।’

যদিও বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রাখা, না রাখা সাংবাদিকদের কাজ নয়। এটা বেমালুমই ভুলে গেছেন রাজ্জাক। শুধু এটুকুই নয়, গতকাল সাকিব প্রশ্নে নির্বাচকদের অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছে রাজ্জাকের কথায়। সাবেক সতীর্থ সাকিবকে নিয়ে প্রশ্নের মিছিল দেখে হয়তো মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘সাকিব কিন্তু এখনো কোনো ফরম্যাট থেকে সরে যায়নি। সাকিব এই মাপের খেলোয়াড় যে নিজে থেকে কোনো ফরম্যাট থেকে সরে না গেলে ক্রিকেট বোর্ড থেকে সরিয়ে দেওয়া কঠিন।’

আলোচনা ছাড়াই সাকিবকে কেন্দ্রীয় চুক্তির তিন ফরম্যাটে রাখা হয়েছে, তা স্বীকার করে রাজ্জাক বলেন, ‘এখনো সাকিবের সঙ্গে আমাদের ওরকমভাবে কথা হয়নি। যেহেতু হয়নি, ফট করে একটা কথা বলে দেওয়া ঠিক না। কথা হলে জানতে পারবেন।’

বার বারই অগ্রজ নান্নুকে থামিয়ে দিয়ে কথা বলেছেন রাজ্জাক। তবে নান্নু জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় চুক্তির এই তালিকা নির্বাচকরা জমা দিয়েছেন এক মাস আগে। তারপরই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সাকিবের খেলা, না খেলার নাটক মঞ্চস্থ হয়।

নির্বাচকদের কাছে তথ্য আছে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর বছরের বাকি সময়ে সব ম্যাচ খেলবেন সাকিব। নান্নু বলেন, ‘ও (সাকিব) ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্রাম নিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে। তারপর থেকে ও এভেইলেবল। আমাদের কাছে যে তথ্য আছে সে অনুযায়ী তিন ফরম্যাটের জন্যই ও এভেইলেবল আছে।’ কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা দিলেও ক্রিকেটারদের গ্রেডিং ঘোষণা করা হয়নি। অচিরেই বিসিবির অপারেশন্স বিভাগ গ্রেডিং ঘোষণা করবে বলে জানান নির্বাচকরা। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জিম্বাবুয়েকে টানা ৫বার হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২১ জুলাই, ২০২১, ১১:৪৮
জিম্বাবুয়েকে টানা ৫বার হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

তামিম ইকবালের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১২ বছর পর বিদেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশের কীর্তি গড়লেন টাইগাররা। বিদেশের মাটিতে সর্বশেষ ২০০৯ সালে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে তিন ম্যাচের প্রতিটি জিতে নেয় টাইগাররা। এর আগে ২০০৬ সালে কেনিয়ার মাঠে তাদেরকে বাংলাওয়াশ করেছিল লাল-সবুজের পতাকাধারীরা। আর এবার তৃতীয় দল হিসেবে বাইরে গিয়ে সবকটি ম্যাজ জিতল সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে থাকা দলটি।

স্বাগতিকদের ছুড়ে দেয়া ২৯৯ রানের টার্গেট তাড়া করে ৫ উইকেটে ৩০২ রান করে সফরকারিরা। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে টাইগাররা। আগামী ২২ জুলাই থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দ্বিতীয় ম্যাচ হবে ২৩ জুলাই এবং একদিন করে বিরতি দিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচটি হবে ২৫ জুলাই। সবগুলো ম্যাচই হবে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে।

সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত পঞ্চমবার টাইগারদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো জিম্বাবুয়ে। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় তিন মাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করে বাংলাদেশ। তার আগে ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল বাংলাদেশ দল। ২০১৮ সালে ৩-০ ব্যবধানে জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করে বাংলাদেশ। এরপর ২০১৯ সালেও জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দেয় টাইগাররা।

হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু করেছে জিম্বাবুয়ে। রেগিস চাকাবা ও তাদিওয়ানাশে মারুমানির ব্যাটিংয়ে দলের রান বাড়াচ্ছেন।  দুই ওপেনারের জুটি বড় হতে থাকলতে সাকিবকে বোলিংয়ে নিয়ে আসেন তামিম। নবম ওভারে বোলিংয়ে এসেই ব্রেক থ্রু দিলেন সাকিব। তার বল সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন ৮ রান করা তাদিওয়ানাশে মারুমানি।

চাকাভাকে সঙ্গ দিয়ে দলীয় স্কোর বড় করছিলেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক্ক টেইলর। জুটি ভাঙতে দীর্ঘদিন পর মাহমুদউল্লাহকে বোলিংয়ে নিয়ে আসলেন তামিম। এসেই অধিয়ায়কের আস্থার প্রতিদান দিলেন রিয়াদ। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ককে তামিমের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠিয়েছিয়েন টাইগার এই অলরাউন্ডার। ৩৯ বলে ২৮ রান করেই ফিরলেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। ২০১৯ সালের পর ফেব্রুয়ারির পর এই প্রথম এ সংস্করণে কোন উইকেট পেলেন মাহমুদউল্লাহ!
 
দীর্ঘদিন পর বোলিংয়ে এসে জোড়া শিকার করলেন মাহমুদউল্লাহ। টেইলরের পর মায়ার্সকেও ফেরালেন তিনি। ৩৮ বলে ৩৪ রান করে ফিরেছেন মায়ার্স। এর আগে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি তুলেছেন জিম্বাবুয়ের ওপেনার রেজিস চাকাভা। চাকাভার ফিফটির আগেই ১০০ রান পেরিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ে।

মাহমুদউল্লাহর পর জিম্বাবুয়ে শিবিরে আঘাত হেনেছেন মোস্তাফিজ। মাধেভেরেকে সাকিবের তালুবন্দী করে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়েছেন কাটার মাস্টার। ৪ বলে ৩ রান করে ফিরেছেন মাধেভেরে।

সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রেগিস চাকাভা। কিন্তু তাসকিনের গতিতে পরাস্ত হয়ে সাজঘরে ফিরলেন। তাসকিন পেলেন ম্যাচের প্রথম উইকেট। ৯১ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৮৪ রান করে বিদায় নেন চাকাভা চাকাবা ফেরেন সাজঘরে। 

চাকাভার বিদায়ের পর স্বাগতিকদের হাল ধরেছেন সিকান্দার রাজা। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ৪৯ বলে ১৭তম হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। ষষ্ঠ উইকেটে ১১২ রানের জুটি গড়লে বড় ইনিংসের দিকেই এগোতে থাকে জিম্বাবুয়ে। রাজার পর বার্লও অর্ধশতক পূর্ণ করেন। ৫৪ বলে ৫৭ রানে ফেরেন রাজা। জিম্বাবুয়ের এই ব্যাটসম্যান ফিরেছেন মোস্তাফিজুরের বলে মোসাদ্দেকের ক্যাচ হয়ে। 

এরপর এক ওভারেই তিন উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন। দলীয় ২৯৪ রানে বার্লকে থামান টাইগার এই অলরাউন্ডার। আউট হওয়ার আগে বার্ল করেছেন ৪৩ বলে ৫৯ রান। পরের বলে ডোনাল্ড তিরিপানোকে করেন বোল্ড। তেন্দাই চাতারা হ্যাটট্রিক হতে দেননি। দুই বল পরই বোল্ড হন ১ রানে।

শেষ ওভারে ব্লেসিং মুজারাবানিকে শূন্য রানে বোল্ড করেন মোস্তাফিজুর রহমান। 

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এছাড়া দুটি উইকেট নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

২৯৯ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং লিটন দাসের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। দুজনের জুটিতে ৮৮ রান উঠতেই তামিমের সঙ্গ ছাড়লেন লিটন। মাধেভেরের স্পিনে মারুমানির ক্যাচে বন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন এই টাইগার ওপেনার। আউট হবার আগে ৩৭ বলে ৩২ রান তুলেছেন লিটন।

তামিমের সঙ্গে ৫৯ রানেই জুটি থামলো সাকিবের। পেসার লুক জংওয়ের অফস্টাম্পের বাইরের লেন্থ বল কাট করতে গিয়েছিলেন সাকিব। টাইমিং মেলাতে পারেননি। ক্যাচ ধরে ফেললেন চাকাভা। তবে আম্পায়ারের আউটের সিদ্ধান্তের পর এটি মানতে পারেননি সাকিব। যদিও এতে কোন প্রতিক্রিয়া দেখাননি বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ৪২ বলে সাকিবের রান ৩০।

টেন্ডাই চাতারাকে চার মেরে ক্যারিয়ারের ১৪তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন তামিম ইকবাল, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যা চতুর্থ। মাত্র ৮৭ বলেই মাইলফলকে গেলেন তিনি। ওয়ানডেতে এটি তার দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১০ সালে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন তিনি। গত বছর মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ওয়ানডেতে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম।

ড্রিঙ্কস বিরতির পরই ফিরে গেছেন তামিম।  ডোনাল্ড তিরিপানোর খোঁচা দিয়ে ধরা পড়েছেন উইকেটের পেছনে চাকাভার হাতে। ৯৭ বলে ১১২ রান করে ফিরতে হলো তাকে। এর ঠিক পরের বলেই ক্যাচ আউট মাহমুদউল্লাহ। তিরিপানোর বলে ইনসাইড এজড হয়ে চাকাভার হাতেই পড়লো সেই বল।

গেল দুই ম্যাচের ব্যর্থতার পর শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে রান পেয়েছেন মিঠুন। তবে ইনিংস বেশিদূর নিয়ে যেতে পারেননি। মাধেভেরেকে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলেছেন তিনি। সীমানার ওপর সেটি নিয়েছেন টেন্ডাই চাতারা। ৫৭ বলে ৩০ রান করে ফিরেছেন মিঠুন। ভেঙেছে নুরুলের সঙ্গে তার ৬৪ রানের জুটি। শেষ ৬ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩০ রান। ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম অর্ধশতক তুলে পূর্ণ করে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন নুরুল হাসান সোহান। ৩৯ বলে ৪৫ রান অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিকে আফিফ অপরাজিত ছিলেন ১৭ বলে ২৬ রানে। সূত্র: সমকাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আফগানিস্তানের পরিস্থিতি জটিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: পাক প্রধানমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১, ১১:১৩
আফগানিস্তানের পরিস্থিতি জটিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: পাক প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি । ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, আফগানিস্তানের বর্তমান জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নিউজ চ্যানেল পিবিএসকে বুধবার দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ওই মন্তব্য করেন। খবর দ্য ডনের।

ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে যখন ন্যাটো জোটের দেড় লাখ সেনা মোতায়েন করা হচ্ছিল, তখনই তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, এখন যখন ১০ হাজারেরও কম সেনা রয়েছে এবং তাদেরও চলে যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে তখন তালেবানকে রাজনৈতিক সমঝোতায় বাধ্য করা দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, তালেবান বর্তমানে এ যুদ্ধে নিজেদেরকে বিজয়ী ভাবছে।

আফগান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ আশরাফ গনি অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান থেকে প্রায় ১০ হাজার জঙ্গি আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছে।

এই প্রশ্নের জবাবে ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানে প্রায় ৩০ লাখ আফগান নাগরিক বসবাস করছে, যাদের অনেকেই তালেবানের জাতিগোষ্ঠীর লোক, বিশেষ করে পশতুন জনগোষ্ঠী।

আফগানরা পাকিস্তানের যেসব ক্যাম্পে বসবাস করে সেগুলোতে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ পর্যন্ত মানুষের বসবাস। পাকিস্তানের পক্ষে কীভাবে তাদের খোঁজখবর রাখা সম্ভব?

পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আফগান সংকট সমাধানের একমাত্র উপায়ে দেশটির সরকারের সঙ্গে তালেবানের একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় উপনীত হওয়া।

তিনি বলেন, আফগানিস্তানে যুদ্ধ চলতে থাকলে পাকিস্তানকে দু’টি বিষয়ের মোকাবিলা করতে হবে।

প্রথমটা হলো, আবার পাকিস্তানে আফগান শরণার্থীদের ঢল নামবে কিন্তু সেরকম পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পাকিস্তানের নেই।

দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, পাকিস্তানে আফগানিস্তানের চেয়ে বেশি পশতুন বসবাস করে। যুদ্ধ চলতে থাকলে পাকিস্তানি পশতুনরা বসে থাকবে না বরং তাদের এ যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আফগান সরকার অভিযোগ করছে যে, দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তালেবানকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে পাকিস্তান কিন্তু এই অভিযোগ কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামাবাদ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook