a পাহাড়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা চলছেই
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পাহাড়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা চলছেই


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩, ১০:৪৯
পাহাড়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা চলছেই

ফাইল ছবি

 

পাহাড়ে যেভাবে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও সহিংস ঘটনা ঘটছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।গত মঙ্গলবার রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়িতে সেনা টহল দলের ওপর বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় দুজন সেনা সদস্য নিহত এবং দুজন সেনা কর্মকর্তা আহত হন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিলাইছড়ি উপজেলার জারুলছড়িপাড়া নামক স্থানে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আস্তানার খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ওই স্থানের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। টহল দলটি জারুলছড়িপাড়ার কাছে পানির ছড়ার কাছাকাছি পৌঁছালে কেএনএ সন্ত্রাসীদের ইম্প্রোভাইজ্ড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বিস্ফোরণ ও অতর্কিত গুলিবর্ষণের মুখে পড়ে এবং এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে এক নতুন আতঙ্ক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই কেএনএ। এটি কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) একটি সামরিক শাখা। বছরখানেক আগে বান্দরবানে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। 

জানা যায়, কেএনএফের সামরিক শাখা কেএনএ’র শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে প্রশিক্ষণের জন্য মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে যায়।

২০২১ সালে একটি দল ফিরে আসে প্রশিক্ষণ নিয়ে। এ দলের সদস্যরাই এখন সেনাবাহিনীর ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। অনুমান করা যায় যে, কেএনএ সদস্যরা মিয়ানমার থেকে শুধু প্রশিক্ষণই নয়, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও রসদ সামগ্রী পাচ্ছে। ফলে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ ভুগছে নিরাপত্তাহীনতায়। ব্যাহত হচ্ছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পাহাড়ে অনেক সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় থাকার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এসব সংগঠন চাঁদাবাজি, খুন, অপহরণ, মাদক ব্যবসাসহ নানান ধরণের অপকর্মে জড়িত। আবার বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপ পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাও এসব দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের মূল কারণ।

তবে কেএনএ’র তৎপরতা শুধু এসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এরা বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। তাদের তৎপরতা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির আগের পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন পার্বত্য এলাকা ছিল এক ভয়ের জনপদ। এটিই বড় চিন্তার বিষয়। কাজেই এ ধরনের সংগঠনগুলো কঠোরভাবে দমন করা সময়ের দাবি।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো নির্মূলে পাহাড়ে সন্ত্রাসবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আমরা পার্বত্য এলাকায় স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে সরকারসহ সমগ্র দেশবাসীকে এগিয়ে আসার ও সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১২:৩৮
আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস

ফাইল ছবি

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। ‘প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’।

বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে মেয়েদের শিশু বলা হয়। শিশু শ্রম বাংলাদেশের আইনে যেমন গর্হিতকাজ তেমনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। প্রতিবছর ১২ জুন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টি দেশে আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম দিবস পালিত হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর সহযোগিতায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনাসভা, সারা দেশে পোস্টারিং এবং লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় এই দিবসকে ঘিরে । এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ দেশে প্রায় ৩৪ লাখের ও বেশি শিশু কাজে জড়িত তাদের ভিতর প্রায় ১৭ লাখই শিশু বাকিরা অনুমোদনযোগ্য।

১৯৫৯ সালে জাতিসংঘে শিশু অধিকার সনদ ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। বর্তমান আইনে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশু অধিকার সনদে ৫৪টি ধারা এবং ১৩৭টি উপ-ধারা আছে। এই উপ-ধারাগুলোতে বলা হয়েছে, শিশুদের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। ২০০৬ সালের বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১ থেকে ১৪ এবং ১৯৭৫ সালের শিশু আইনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ১৬ বছরের শিশুদের ভারী কাজ করানো যাবে না।

আজকের শিশু আগামীদিনের কর্ণধার, তাই শিশুদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে শিশু শ্রমপ্রতিরোধ করতে হবে এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সমাজের সচেতন নাগরিকদের। যেখানে শিশুদের হাতে থাকার কথা খাতা কলম সেখানে শিশুদের হাতে ভারীযন্ত্রপাতির ভার কখনো কাম্য নয় আমাদের সমাজ থেকে।

শিশুশ্রম নিরসনে নিরলস ভাবে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের প্রচেষ্টা সফল করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য। শিশুরা হলো নিস্পাপ ফুলের মতন তাদেরকে দিয়ে ইটভাটা, ইটভাঙা, হোটেলে কাজ করানো, বাসের হেল্পার, লেগুনার হেল্পার হিসেবে কাজ করানোর মত ঝুকি বন্ধ করতে হবে তাহলে অতি শীগ্রই আমরা পাবো একটি সুন্দর সমাজ। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি: ড. শেখ আকরাম আলী


আরাফাত, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২৫, ০৪:৪১
বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি ড শেখ আকরাম আলী

ছবিঃ সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি আমাদের সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সূচনা ঘটে অবিভক্ত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির জন্মের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের শেষভাগে। যদিও সে সময় ভারতের সমাজে এটি খুব বেশি অগ্রসর হতে পারেনি, তবে একটি শ্রেণিবিহীন সমাজের ধারণা নিয়ে মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে জাগ্রত করতে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। একটি বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠী কমিউনিজমের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে উঠেছিল এবং এটি সমাজের শ্রমজীবী শ্রেণির মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

যদিও পাকিস্তানের মানুষ কমিউনিজম পছন্দ করত না, তথাপি পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি মুসলিম সমাজের মধ্যে এক শ্রেণির মানুষ গোপনে এটির প্রচার চালিয়ে যেত। সেই সময়ে কিছু কমিউনিস্ট চুপিচুপি আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নতুন এই রাজনৈতিক দলের ভিতরে থেকে গোপন উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন।

কিন্তু অচিরেই কমিউনিস্টরা প্রকাশ্যে এসে 'ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP, প্রো-মস্কো)' নামে নিজেদের রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এর আগেই মওলানা ভাসানী চীনপন্থী একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন, যার নামও ছিল NAP। উভয় দলের ছাত্র সংগঠনসমূহ পাকিস্তানের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে মাতৃসংগঠনের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

প্রথমদিকে আওয়ামী লীগ ছিল একটি উদার গণতান্ত্রিক দল, যাকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিত। কিন্তু দ্রুতই এই দলটি স্থানীয় pro-Indian এবং pro-Moscow গোষ্ঠীর আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়। এদের একটি অংশ দলীয় ভেতরে থেকেই ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

ভাষা আন্দোলন তাদেরকে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি মুসলিম সমাজে মুক্তভাবে কাজ করার সুযোগ এনে দেয়। এই সময়ে, তথাকথিত কিছু প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি শুরু করেন 'বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির' নামে। তারা সমাজে pro-Moscow বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদ যুক্ত পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে ধীরে ধীরে ভিত্তি গড়ে তোলে। কিন্তু ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা দাবির পর এই জাতীয়তাবাদ গতি পায় এবং কিছুদিনের মধ্যেই এটি পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের জন্য এক ম্যাগনা কার্টা হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। 

১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই জাতীয়তাবাদ তার প্রাথমিক বিজয় লাভ করে এবং শেখ মুজিব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হন। কিন্তু পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিবর্তে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়ে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যা শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ভেঙে যায়।

ভারত যুদ্ধের নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং বাংলাদেশের জনগণের ওপর প্রভুত্ব স্থাপন করে, যদিও স্বাধীনতার জন্য আমরা নিজেরাই যুদ্ধ করে লাখো প্রাণ বিসর্জন দিয়েছি। অনেকেই বলেন, ১৯৭১ সালে ইসলাম পরাজিত হয়েছে আর ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু তারা হয়তো জানেন না, ইসলাম চিরস্থায়ীভাবে টিকে থাকার জন্য এসেছে।

বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছিল। কিন্তু অচিরেই শেখ মুজিবের পতনের পর দৃশ্যপট দ্রুত পাল্টে যায় এবং সংবিধানে সংশোধনের মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতাকে সরিয়ে আল্লাহ'র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃস্থাপন করা হয়। শুধু তাই নয়, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ চালু হয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির দ্রুত পতন ঘটে এবং বিএনপির মাধ্যমে একটি মধ্যপন্থী রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা ঘটে।

আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি অব্যাহত রাখে, তবে জাতীয় পরিচয় হিসেবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ মেনে নেয়। তবে ২০০৮ সালে ভারতের ও আমেরিকার আশীর্বাদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি আবার ফিরে আসে।

আওয়ামী লীগ এখন ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি সামনে আনে, যাতে ভারত ও পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পাওয়া যায়, যদিও বাংলাদেশের জনগণের বড় অংশ মুসলমান। ইসলাম ও মুসলমানদের রাজনীতি থেকে সরিয়ে বিশ্রামে পাঠানো হয়, যদিও ইসলাম শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সমাজের গভীরে প্রোথিত।

বিএনপি, যদিও একটি মধ্যপন্থী দল, তাকে মৌলবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আখ্যা দিয়ে ব্যাপক নিপীড়নের শিকার করা হয়। ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামি, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের সময়কালজুড়ে অকথনীয় নির্যাতনের শিকার হয়। জামায়াতের নেতাকর্মীরা এমনভাবে টার্গেট করা হয়, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন।

দেশটি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সমাজের সর্বত্র ধর্মনিরপেক্ষতার বিস্তার ঘটে। জনগণ আশা হারিয়ে ফেলে যে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।

কিন্তু মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী, এবং তিনি রাতারাতি পরিস্থিতি পাল্টে দেন, যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। ধর্মনিরপেক্ষতা এখন স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছে, কিন্তু এখনও বহু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সক্রিয় রয়েছেন যারা ধর্মনিরপেক্ষ পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে কাজ করছেন। এই প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে তারা জুলাই বিপ্লব ২০২৪–এর চেতনার বিরুদ্ধে আর কাজ করতে না পারে। সমাজ এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে একটি প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ ও চেতনার যাত্রা দেখার জন্য। ইসলামই বাংলাদেশের সমাজের ভিত্তি ও প্রধান শক্তি।

এখন রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব একত্রে থাকা, যাতে এই বিপ্লবের চেতনা স্থায়ী হয়। বিএনপি ও জামায়াত, যারা প্রধান অংশীদার, তাদের আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে প্রজ্ঞা ও পরিপক্বতার সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে। এর থেকে বিচ্যুতি জাতির জন্য দুর্যোগ ডেকে আনবে। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সম্পাদকীয়

সর্বোচ্চ পঠিত - সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয় এর সব খবর