a উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার আর নেই
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার আর নেই


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ জুলাই, ২০২১, ১১:১৮
উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার আর নেই

ফাইল ছবি । অভিনেতা দিলীপ কুমার

উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার মারা গেছেন। আজ বুধবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর এনডিটিভির।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শেষ সময়ে স্ত্রী সায়রা বানু পাশে ছিলেন তার। এদিকে বর্ষীয়ান এই অভিনেতার মৃত্যুতে ভারতের চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমেছে। 

দীর্ঘ দিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন দিলীপ। মুম্বাইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন। গত ৩০ জুন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন আগেই তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে টুইটারে জানিয়েছিলেন স্ত্রী সায়রা।

এর আগেও গত ৬ জুন হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল দিলীপকে। ফুসফুসে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমার সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তবে সফল প্লিউরাল অ্যাসপিরেশন প্রক্রিয়ায় তার সেই সমস্যার সমাধান হয়েছিল। ৫ দিন পরে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে যান দিলীপ।

দিলীপ কুমারের জন্ম ১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর। তার প্রকৃত নাম মোহাম্মদ ইউসুফ খান। রূপালি পর্দায় ক্যারিয়ার শুরুর সময় নাম পাল্টান তিনি। ছয় দশকের অভিনয় জীবনে ‘মধুমতি’, ‘দেবদাস’, ‘মুঘল-এ-আজম’, ‘গঙ্গা যমুনা’, ‘রাম অউর শ্যাম’, ‘কর্ম’র মতো অসংখ্য ধ্রুপদী সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। 

সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে ‘কিলা’ সিনেমাতে অভিনয় করেন তিনি। ছয় দশকের অভিনয় জীবন তার। বলিউডে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘ট্র্যাজেডি কিং’ নামে। ৬৫টিরও বেশি ফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। 

ভারত সরকারের কাছ থেকে ‘পদ্মবিভূষণ’ খেতাব পেয়েছেন দিলীপ কুমার। ১৯৯১ সালে তাকে খেতাব দেওয়া হয় ‘পদ্মভূষণ’। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ইসলামপুর উপজেলা সমিতি, ঢাকা-এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠান ২০২৫


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১০ মে, ২০২৫, ০৬:২০
ইসলামপুর উপজেলা সমিতি, ঢাকা-এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠান ২০২৫

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

ঢাকা প্রতিনিধি: আজ ঐতিহাসিক ১০ মে, এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ইসলামপুর উপজেলা সমিতি, ঢাকা-এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠান ২০২৫। রাজধানীর একটি অভিজাত মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ইসলামপুরবাসীর মিলনমেলা পরিণত হয় অপূর্ব  এক প্রাণবন্ত উৎসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব জনাব এ এস এম আব্দুল হালিম। ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু, বাংলাদেশ  জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সেক্রেটারি  ড. ছামিউল হক ফারুকী,  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার জনাব এনামুল করিম, সরকারি তিতুমীর কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ছদরুদ্দীন আহমদ, জামালপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল প্রমুখ। 

অতিথিবৃন্দ ইসলামপুর উপজেলা সমিতি ও ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে পরামর্শ ও যে যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা প্রদানের পর ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেলা সমিতির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার এবং সাধারন সম্পাদক হয়েছেন কিষান ফার্মাভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ মামুন।

শনিবার (১০ মে, ২০২৫) বিকাল ৪টায় রাজধানীর সেগুন বাগিচার কচিকাঁচার মেলা অডিটরিয়ামে বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতিতে কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কমিটির অভিষেক ও বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য প্রদানকালে জনাব আবদুল হালিম দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান দুরবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হলে প্রাথমিক স্তর থেকেই সংস্কার শুরু করতে হবে। এই স্তরের ভিত্তি যদি দুর্বল থাকে, তবে ভবিষ্যৎ শিক্ষার গুণগত মান ধরে রাখা সম্ভব নয়। গুণগত শিক্ষাই একটি জাতিকে আলোকিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবনে আদর্শ ও স্বপ্ন ছাড়া প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। একজন সৎ ও আদর্শবান মানুষ গড়ার জন্য তিনি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত মার্টিন লুথার কিং, অহিংস মতবাদের পথিকৃৎ মহাত্মা গান্ধী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। তিনি বলেন, “এই মহামানবদের জীবন ও আদর্শ থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে হবে।”

তার বক্তব্যে ইসলামপুরবাসীর মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি ইসলামপুরে একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের স্বপ্ন তুলে ধরেন, যা একদিন দেশের উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. শহিদ আতাহার হোসেন। সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ মামুনুর রশিদ, মোঃ মিজানুর রহমান খান লোহানী সোহাগ এবং মেহের নিগার শিখা।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এডিসি হারুনের ওপরই প্রথমে হামলা হয়েছে, জানালেন ডিবির হারুন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৫৭
এডিসি হারুনের ওপরই প্রথমে হামলা হয়েছে, জানালেন ডিবির হারুন

ফাইল ছবি: ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ডিএমপির রমনা বিভাগের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এডিসি হারুন অর রশিদের ওপর প্রথমে হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।  এ হামলার নেতৃত্বে ছিলেন রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, এ ঘটনার সূত্রপাত যে কারণে হয়েছে, যিনি সূত্রপাত করেছেন, তিনিও (রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক) একজন সরকারি কর্মকর্তা। উনি আমাদের পুলিশের ওপর হামলাটি করেছেন। তিনি তো ইচ্ছে করলে আমাদের (পুলিশ) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারতেন, অবহিত করতে পারতেন। অথবা তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারতেন। সেটি না করে হাসপাতালের ভেতরে অসংখ্য মানুষের সামনে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ধাওয়া করা, তার চশমা ভেঙে ফেলা, তার ওপর আঘাত করা—এটা সঠিক করেছেন কি না, আমি জানি না। তবে এটা তদন্ত হওয়া উচিত।

ডিবি প্রধান মনে করেন, ঘটনার নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করা দরকার। ঘটনার সূত্রপাত বারডেম হাসপাতালে। সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল তার তদন্ত হওয়া দরকার।

পুলিশ কখনোই কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত দায় নেয় না উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন–অর–রশীদ বলেন, পুলিশ বাংলাদেশে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যেখানে যারা, যে অপরাধ করছেন, সেই অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

আমি মনে করি, এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে তদন্ত করছেন এবং করবেন। তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা যখন প্রতিবেদন দেবেন, তখনই বুঝতে পারবেন প্রকৃত পক্ষে কী ঘটনা ঘটেছে।

গত শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে।

আহতরা হলেন— ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম।

ভুক্তভোগী ও তাদের সহপাঠীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদ তাদের থানায় নিয়ে বেদমভাবে পিটিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দেওয়ার পরেও হারুনের সঙ্গে ১০-১৫ জন পুলিশ সদস্য মিলে তাদেরকে পেটান। এরমধ্যে নাঈমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মুখমণ্ডল মারত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন