a
ফাইল ছবি: ঐশ্বরিয়া ও সালমান খান
সালমান খানের সঙ্গে ‘গোপন বিয়ের’ খবর গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই খবরকে ভিত্তিহীন বলেছেন।
সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানভিত্তিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, মুম্বাইয়ের লোনাভালার একটি বাংলোতে অতি গোপনে বিয়ের আনষ্ঠানিক সম্পন্ন করেছেন সালমান ও ঐশ্বরিয়া।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঐশ্বরিয়া রাই বিয়ের জন্যই হিন্দুধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আপাতত যা পরিবারের কাছে গোপন রাখতে চাচ্ছেন।
সালমান ও ঐশ্বরিয়া নিউইয়র্কে গোপন হানিমুনে গিয়েছিলেন এখান থেকেও বিভিন্ন গুজব সবার মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছে।
এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া নিজেই বলেছেন, ‘(বিয়ের) খবরটি সত্য হলে, ইন্ডাস্ট্রি এটি সম্পর্কে জানতো, কারণ এটি একটি ছোট পৃথিবী। আমি এমন কেউ নই যে আমার বিয়ে লুকিয়ে রাখবো।’
গত কয়েক মাস ধরে সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায়ের সঙ্গে তার স্বামী অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের দাম্পত্যে বেশ দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষ করে, আম্বানিদের বিয়ের এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে প্রবেশ না করায় ঐশ্বরিয়া-অভিষেককে নিয়ে জল্পনা আরো ঘনীভূত হয়। এছাড়া সম্প্রতি দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠানে বিয়ের আংটি ছাড়াই দেখা গেছে ঐশ্বরিয়অকে, সঙ্গে মেয়ে আরাধ্যাও ছিল। বিয়ের আংটি দেখতে না পাওয়ায় ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের দাম্পত্য কলহ নিয়ে আবারও আলোচনার ঝড় তুঙ্গে। সূত্র:যুগান্তর
শামীম আহমেদ
অভিনেতা শামীম আহমেদের সন্ধান মিলেছে। তার স্ত্রী আশা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আশা জানান, সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর তার (শামীম) সন্ধান পেয়েছি। তিনি উলুখোলা এলাকায় শুটিংয়ে আছেন।
এর আগে গত শুক্রবার (২০ মার্চ) থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী আশামনি। তিনি জানান, স্বামীর সন্ধানে থানায় ছুটে গিয়েছিলেন তিনি। তবে সেখানে জিডি নেওয়া হয়নি। সোমবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় আশামনি জানান, শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ। স্বামীর সন্ধান পেতে তিনি রাজধানীর একটি থানায় যান। কিন্তু থানা জিডি নেয়নি। কারণ, তার স্বামী কোন জায়গা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, তা তিনি জানেন না। শামীম আহমেদ ঢাকার মালিবাগে থাকেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।
আশামনি বলেন, ‘গত ১৪ মার্চ ভোরে শুটিংয়ের জন্য গাজীপুরের উলুখোলার উদ্দেশ্যে তিনি (শামীম আহমেদ) হাসিমুখে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। ১৪ ও ১৫ মার্চ সেখানে শুটিং করেছেন বলে আমাদের জানান। ১৬ মার্চ সকালে সেখান থেকে সিলেটে গিয়েছেন। এরপর ১৯ মার্চ রাতে আমাকে অন্য আরেকটি নম্বর থেকে কল দিয়ে জানান, তার ফোন কারা যেন ছিনিয়ে নিয়েছে। সিলেটে কোথায় যেন শুটিং করতে যাওয়ার পর বাধার মুখে ওখানকার মানুষ তার ফোন নিয়ে গেছেন।
তিনি বাসে করে ঢাকায় আসছেন, বাসে তার পাশের সিটে থাকা যাত্রীর ফোন থেকে কল দিয়েছেন আমাকে। এরপর থেকে আর আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। ওই যাত্রীকে কল দেওয়া হলে তিনি জানান, বাস থেকে টঙ্গীতে তিনি নেমে গিয়েছেন, আর কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেন, আত্মীয়-স্বজন এবং ওনার বন্ধুসহ সবার বাসায় খোঁজ করা হয়েছে। কোথাও যাননি উনি। কাদের সঙ্গে শুটিং করেছিলেন সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। এমন পরিস্থিতিতে আমরা পুরো পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছি। কেউ ওনার কোনো ক্ষতি করল কি না সেটা মাথায় ঘুরছে।
স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শামীম আহমেদ ঢাকার মালিবাগে থাকেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তিন দশক ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত এ অভিনেতা। কমেডি চরিত্রে টিভি নাটকে কাজ করার সুবাদে দারুণ জনপ্রিয় তিনি। অভিনয়ে তার পথচলার শুরু ১৯৯৯ সালে ‘বন্ধন’ ধারাবাহিক নাটক দিয়ে। এরপর নিয়মিতভাবে নাটকে কাজ করে আসছেন।
সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম-অসঙ্গতি ও অগ্রগতি পরিদর্শনে পাঁচটি টিম নামছে মাঠে। এসব টিম প্রকল্প পরিচালকের নেতৃত্বে দুইদিনে ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা সফর করবেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, শুক্রবার (৯ জুলাই) সকালে টিমগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সারাদেশের বিভিন্ন স্পটের উদ্দেশে যাবে। তারা শনিবার রাতে ফিরে এসে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী বরাবর উপস্থাপন করবেন।
সূত্রটি আরো জানায়, অতিবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশপাশি কিছু জায়গায় নির্মাণেও অনিয়ম ধরা পড়েছে। এসব ঘর দ্রুতই মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই মেরামত কাজ দেখতেই এই সফর। পাশপাশি এই প্রকল্পের কোনো সমস্যা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের মধ্যদিয়ে তুলে আনা হবে।
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মাহবুব হোসেন এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে অনেকগুলো কেস (ঘটনা) পেয়েছি। আমাদের কাছে প্রতিটি কেসই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি বাড়ির সঙ্গে একেকটি পরিবারের স্বপ্ন জড়িত। এজন্যই এ রকম একটি মহামারি পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিদর্শনে নামছি।’
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। এর সঙ্গে আমাদের সবার আবেগ জড়িয়ে আছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে শাস্তি পেতেই হবে। কাউকেই বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবে না।’
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন ১ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে বাড়ি করে দেয়া হয়। ঝড়-বৃষ্টির কারণে সম্প্রতি কিছু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়াও ঘর নির্মাণ নিয়েও বেশকিছু অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। আর এ কারণেই তদন্ত করে ইতোমধ্যে ব্যবস্থাও নিয়েছেন তারা। এরইমধ্যে পাঁচ কর্মকর্তাকে (উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওএসডি করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও হয়েছে।