a মরণঘাতী সময়
ঢাকা শনিবার, ১১ মাঘ ১৪৩২, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মরণঘাতী সময়


ফেসবুক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২, ০২:২৮
মরণঘাতী  সময়

ছবি: মুক্তা দাশ

মরণঘাতী  সময়
মু্ক্তা দাশ

একটা সময় ছিল
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ  ঠিকঠাক মতই হয়তো বুঝতাম ।  
দিনে দিনে বয়স বেড়েছে , অনেকগুলো বছরের সীমানা পেরিয়ে এসেছি
এখন বেলা প্রায় শেষ  !
সূর্য  অস্ত যাবার প্রস্তুতি চলছে দেহের প্রতিটি কোষে কোষে ।
নীড়ের পাখি নীড়হারা হওয়ার ভয়ে মুখ থুবড়ে জবুথবু ,
তবুও কি আকাশে ডানা মেলে না !?  মেলে তো ।
উড়ে যায়, উড়ে উড়ে যায়  নীলিমায়!
দিনশেষে  ঘরে ফিরতেই হয়,, ফিরে আসে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় !  ফিরতে তাকে হয় ই ।
পরিনত সময়ের নিয়মে এখন বুঝে উঠতে খুব কষ্ট হয়
কোনটা সুখ  আর কোনটা অসুখ  !?
ঝাপসা চোখে সুখে অসুখ খুঁজে পাই , আর
অসুখে কেবলি সুখ হাতড়ে বেড়াই ।
যোগ বিয়োগের নিয়মগুলো বেমালুম পাল্টে গেছে !
শরৎবাবু বেঁচে থাকলে  ,  দেবদাস আর পার্বতীকে
সময়ের ছাঁচে নতুন ভার্চুয়াল রূপে সাজাতো।
 নতুন আয়নায় আমি কেবলি সেকেলে আমাকে দেখি ,
লালন করি সময় অনুপযোগী অনুভব!
অনুভূতিগুলো কেমন ভোঁতা হয়ে গেছে ,
পোড় খেতে খেতে পুড়তেই ভালোবাসে, স্বেচ্ছায় ।
 পোড়া মনে পুড়তেও যে সুখ আছে ..!
 মরণঘাতী অসুখে  ই  চরম সুখ ।
ক'জন ই বা পায় এমন সুখ ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোহাম্মদের সমাধি প্রিন্স মাহমুদ


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৪
মোহাম্মদের সমাধি প্রিন্স মাহমুদ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মোহাম্মদের সমাধি
প্রিন্স মাহমুদ

যে স্বপন দেখিয়া ঘুম ভাঙ্গিল রজনী দ্বি-প্রহরে
তা’র বর্ণন করিবার আগে তওবা করি হাত ওঠায়ে বসিয়াছি বিছানার ওপরে
এলাহি কবুল করুন।
জান্নাতুল বাকীতে নাই বা যদি হয় মসজিদের ধারে
চিতায় না দিয়ে ঘুমা'তে দিয়েন বাসন্তীকে পাশের গোরে।
‘আল্লাহু-আকবার’ ডাক শুনি তা’রে লয়ে ওঠে
পরিতে পারি গো যেন আপনার চরণে লুটে।
দুনিয়ার জমিনের তলে
মোমেন মোমেনা যত ঘুমায়েছে পৃথিবীর আড়ালে
এই তওবা পৌঁছে দিন তা'দের তরে
আমার জনক জননীকে বিচার দিনে
আপনার হাবিবে সাফা নসিবে জুটায়ে দিয়েন জৌলুস আয়োজনে।
লা-ইলাহা ইল্লাললাহু মোহাম্মাদুর রাসূরুল্লাহ্ (স.)।।

উরুতে শুয়ে জিজ্ঞেস করিল মোহাম্মদ- মরণের পর
বলতে পার আয়েশা কোথা হবে আমার কবর?
হা প্রাণের স্বামী
কবরস্ত হবে কোথা তা জানি আমি।
বলিল মোহাম্মদ আনন্দে নাচি
"বল শুনি তুমি আমার অন্তর যাচি।"
ইয়া রাসূরুল্লাহ, মাতৃভূমি মক্কা মোয়াজ্জেমার উত্তরে
ঘুমায়ে রয়েছে খাদিজা জান্নাতুল মহল্লার তরে।
আমরা ন-জন নারী, সেবা করি
তাঁ'র গল্পই তবু তোমার প্রাণে জরি।
এ জন্যে আমার ধারনা
প্রথমা বিবির পাশ ছাড়া কোথাও ঘুমাইবে না।
আয়েশা! খাদিজার পাশে ঘুমা'ব, ঠিক করি নাই।
যদি অনুমতি দাও, আরেকটি জায়গার নাম বলতে চাই।
সম্মতি দিয়ে বলিল মোহাম্মদ- "এটা কোন স্থান?"
মদিনা থেকে মক্কা আসিবার পথে বাবলা বাগান
লাল বালির মরুভূমি'র আবয়া প্রান্তর
ঘুমায়ে রয়েছে বাবা-মা, কাল হতে কালান্তর।
ওনাদের পাশে
ঘুমাবে বলে পণ করেছ নিশ্চয়ই আশে আশে।
বলিল মোহাম্মদ- আয়শা! মরণের পর
ঠিক করি নাই হোক, বাবা-মা'র পাশে কবর।
আবার বলিল আয়শা- "ইয়া রাসূরুল্লা-হে
জান্নাতুল বাকীতে ঘুমা'বে বলতে পারি নিঃসন্দেহে।
তোমার স্বীয় হাতে গড়া মদিনার এই কবর স্থান
বানায়ে রাখিয়াছে আল্লা বেহেস্তের বাগান।
এই কবরে যা'রা ঘুমা'বে
আজাব বলতে কেয়ামত পর্যন্ত কিছু না বুঝবে।
স্বীয় হাতে দেয়া যখন দশ হাজার সাহাবীর কবর
বলতে পারি এই খানেই ঘুমাবে তুমি মরণের পর।
বলিল মোহাম্মদ- ওগো পূজারী মোর
ঠিক করি নাই হোক, জান্নাতুল বাকীতে গোর।
বুঝেছি, নাই বলিবে তুমি তোমার প্রশ্নের জবাবে
হার মেনে জিজ্ঞাসী প্রশ্নকরীকেই- "কোথা ঘুমাইবে?"
বলিল মোহাম্মদ- রয়েছি আজ যেথা যেই ভাবে শোয়ে
পশ্চিমে মাথা পূর্বে পা দক্ষিণে কাবায় মুখ ফিরে ঘুমায়ে
থাকতে চাই কেয়ামত পর্যন্ত যদি
মরণের পর দিবে কি তোমার ঘরে আমাকে সমাধি?
জবাবে বলিল আয়শা- ইয়া রাসুরুল্লাহে
তোমার কথা শুনে ভরে গেল হৃদয়, অক্ষয় উৎসাহে।
এই ঘরে! এইখানে, মরণের পর দিব তোমাকে কবর
মানুষ এসে ঘরটাও দেখে আমার সম্মান বাড়ায়ে চলিবে জনম ভর।

আজিকে সোম, মঙ্গল বুধ গিয়া বেলা আসর
গভীর ঘুমে ঘুমায়ে রয়েছে শেষ পয়গম্বর।
তিন দিন ধরি ঊনানে বসায়নি হাড়ি
দেখেনি চেয়ে শিশুরাও মায়ের বুকেরপুরী।
প্রিয় নবী প্রিয় নেতা নিয়াছে বিদায়
আঁধার পৃথিবী শোকে কাঁদে পিঠ লাগায়নি কেউ বিছানায়।
তলে তলে একে একে আসি পড়ে যানাজার নামায
ওয়াক্তের বেলায় নামিয়া আসিয়াছে সাঁঝ।
যায়নি শোনা বেলালের আযান ধ্বনির সুর
ইসলাম রবির আলো যাচ্ছে চলি দূর হতে দূর।
আরো সময় যায় যদি চলে ক্রমে ক্রমে
স্বীয় ধর্মের কথা যা'বে ভুলে এ জনমে।
রহিবে না আর কভু ধরিবার মত হাল
এই বিদায়ী-ই উড়ায়েছে ইসলাম রবির কিরণ-পাল।
হইবে না ঠিক আর রাখা মাটির ওপর
বিধাতার নিয়মেই দিতে হইবে কবর।
এই ভাবি সাহাবিগণ বসি এক সাথে
খাদিজার পাশে কেহ বলে মা-বাবা বা জান্নাতুল বাকীতে
প্রিয় নবী প্রিয় নেতাকে সমাহিত করিতে।
যত সব পরামর্শ, সিদ্ধান্ত বাক্য যায় গর্মিল জলে ভাসি
সবে মিলে বলিল শেষে, আয়েশার কাছে আসি
"প্রিয় নবী মরিবার পর
পৃথিবী আঁধারে ঢাকা, ভাঙ্গিয়াছে মক্কা মদিনার অধর।
আরো সময় যদি রাখি তাহাকে মাটির ওপরে
ইসলাম রবি নিভিয়া গিয়া চলিবে আর মোড়ে।
এই ভাবি কবরস্ত করিতে যত জায়গাই ঠিক করি
বৃথাই চলে জিজ্ঞাসী তাই- ‘পছন্দ রয়েছে না কি কোনো পুরী?’
জবাবে বলিল আয়শা- এই-খানে এক দিন রাসূল শোয়ে
বলিল- থাকতে চাই তোমার ঘরে ইহ জীবনের ঘুম ঘুমায়ে
তুমি নিবা না-কি বল আমার এ কথা কবুল করি?
জবাবে বলিলাম- আমার পরম ভাগ্য জনম জনম ধরি
তোমার কবর দেখিতে আসিয়া ঘরটাও দিখি দিখি
খোদার তরে আমার দাম বাড়ায়ে নিবে মানুষ ঠিকই।
 ইয়া রাসূরুল্লাহে
আমার ঘরে তোমাকে ঘুমাতে দিব বলিলাম উৎসাহে।
আয়েশার কথা শুনি সাহাবিগণ এক সাথে মিলি
স্বীয় পরামর্শ দিয়া দিল বলী।
অতপর সব ব্যথা বুকে সয়ে
কবর খুঁড়িল সবে মোহাম্মদের লাশ একটু খানি সরায়ে।
পশ্চিমে মাথা পূর্বে পা দক্ষিণে কাবার দিকে মুখ ফিরে
শেষ পয়গম্বরকে রাখি চলিয়া গেল সবে যার যার নীড়ে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২, ১১:৫৫
আজ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ

ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) ২০২২-২০২৩ মেয়াদের নির্বাচনে দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। প্রার্থী ও সমর্থকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার প্রাঙ্গণ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং আগামীকাল বুধবারও এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে।

নির্বাচনে প্রতিবারের মতে এবারও আওয়ামী লীগ ও সমমনা আইনজীবীদের ব্যানারে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী (সাদা প্যানেল) পরিষদ এবং বিএনপি জোট সমর্থক আইনজীবীদের ব্যানারে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের (নীল প্যানেল) প্রার্থীসহ মোট ৩৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি পদে রয়েছেন ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোট ভোটার আট হাজার ৬২৩ জন।

এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির এবং সম্পাদক পদে আইন সমিতির সাবেক সম্পাদক মো. আবদুন নূর দুলারের নেতৃত্বে ১৪ জনের একটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

অপরদিকে বিএনপি জোট সমর্থিত নীল প্যানেলে সভাপতি পদে সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল এবং সম্পাদক পদে বর্তমান সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজলের নেতৃত্বে ১৪ জনের একটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফেসবুক পাতা থেকে