a মরণঘাতী সময়
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মরণঘাতী সময়


ফেসবুক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২, ০২:২৮
মরণঘাতী  সময়

ছবি: মুক্তা দাশ

মরণঘাতী  সময়
মু্ক্তা দাশ

একটা সময় ছিল
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ  ঠিকঠাক মতই হয়তো বুঝতাম ।  
দিনে দিনে বয়স বেড়েছে , অনেকগুলো বছরের সীমানা পেরিয়ে এসেছি
এখন বেলা প্রায় শেষ  !
সূর্য  অস্ত যাবার প্রস্তুতি চলছে দেহের প্রতিটি কোষে কোষে ।
নীড়ের পাখি নীড়হারা হওয়ার ভয়ে মুখ থুবড়ে জবুথবু ,
তবুও কি আকাশে ডানা মেলে না !?  মেলে তো ।
উড়ে যায়, উড়ে উড়ে যায়  নীলিমায়!
দিনশেষে  ঘরে ফিরতেই হয়,, ফিরে আসে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় !  ফিরতে তাকে হয় ই ।
পরিনত সময়ের নিয়মে এখন বুঝে উঠতে খুব কষ্ট হয়
কোনটা সুখ  আর কোনটা অসুখ  !?
ঝাপসা চোখে সুখে অসুখ খুঁজে পাই , আর
অসুখে কেবলি সুখ হাতড়ে বেড়াই ।
যোগ বিয়োগের নিয়মগুলো বেমালুম পাল্টে গেছে !
শরৎবাবু বেঁচে থাকলে  ,  দেবদাস আর পার্বতীকে
সময়ের ছাঁচে নতুন ভার্চুয়াল রূপে সাজাতো।
 নতুন আয়নায় আমি কেবলি সেকেলে আমাকে দেখি ,
লালন করি সময় অনুপযোগী অনুভব!
অনুভূতিগুলো কেমন ভোঁতা হয়ে গেছে ,
পোড় খেতে খেতে পুড়তেই ভালোবাসে, স্বেচ্ছায় ।
 পোড়া মনে পুড়তেও যে সুখ আছে ..!
 মরণঘাতী অসুখে  ই  চরম সুখ ।
ক'জন ই বা পায় এমন সুখ ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এক টুকরো আমি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১, ১১:৪০
এক টুকরো আমি

ফাইল ফটো: মুক্তা দাশ

- মুক্তা দাশ 
আমার মতো করে কিছু চাওয়ার অধিকার হারিয়েছি!                         
বহু বছর হলো ... 
সেই যে,, যেদিন শাঁখার শেকলে হাত বেঁধেছি, 
যেদিন সিঁদুরে লাল রাজটীকা কপালে এঁকেছি, 
যেদিন মাতৃত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ সিঁথিতে 
        সিঁদুর  রাঙিয়েছি ! 
গোত্রান্তরিত হয়ে নাম লিখিয়েছি নতুন গোত্রে। 
নিজের মতো করে তোমাকে পাবার আশা 
কেবলি দুরাশা...!  অভ্যস্ত হয়ে গেছি 
তোমার মতো করে তোমাকে পেতে। 
আমার সব আমিগুলো গঙ্গার ঘাটে বিসর্জনের আরতীতে প্রতিনিয়ত ব্যতিব্যস্ত। 
তবুও অবশিষ্ট আছে  আজও, 
     "এক টুকরো আমি।"
ভাঙা আয়নায়
কাচের টুকরোর  মতোন...!! "আমি"। 
তাতানো রোদের আলো ঠিকরে পরে 
টুকরো টুকরো আয়নার পরে, 
সকাল সন্ধ্যা আমি নিজেকে দেখি  
কাঁচ ভাঙা আয়নার প্রতিবিম্বের গভীরে। 
দ্যুতি ছড়ায় টুকরো টুকরো ভাঙা " আমি "! 
 সম্পুর্ণ নতুন আমি হয়ে উঠার স্বপ্ন
মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে... 
পরক্ষণেই মিলিয়ে যায়,   খোলা জানালায় 
 লোহার শিকে মোড়া খড়কুটো জীবনে। 
স্নান সেড়ে  সিঁদুরে সিঁথি রাঙাই , 
কপালে এঁকে দিই রক্তাক্ত  রাজটীকা 
স্বচ্ছ জলের পরে মুখোমুখি হই নিজের 
রাতের সব অন্ধকার ...! 
মুছে দেই ভোরের আলোয়। 
আনমনে স্বপ্নের জাল বুনি 
আমার "আমি" হয়ে পথচলার ।।

........... ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম

‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়লেন মিথিলা


বিনোদন ডেস্ক
বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৪২
‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়লেন মিথিলা

ফাইল ফটো

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। আর তাই ‘মিস ইউনিভার্স’ হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মডেল তানজিয়া জামান মিথিলার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে প্রতিযোগিতা থেকে তার নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। সেইসাথে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’-এর ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে ফেলা হয়েছে এ প্রতিযোগীর নাম!

‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতার ৬৯তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার কথা ছিল ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী তানজিয়া জামান মিথিলার। সে অনুযায়ী মূল প্রতিযোগিতার ওয়েবসাইটে উঠেছিল তার নাম। ভোট দেওয়ারও সুযোগ ছিল। কিন্তু ১৯ এপ্রিল মিস ইউনিভার্সের ওয়েবসাইট ঘুরে কোথাও মিথিলার নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মূল আয়োজনের ওয়েবসাইট থেকে মিথিলার প্রোফাইল সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, ‘লকডাউন এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে আমরা প্রস্তুতি শেষ করতে পারিনি। তাই আমরা এবারের আসরে অংশ নিতে পারছি না। বিষয়টি মূল আয়োজকদের এই সপ্তাহে জানানো হয়েছে।’

এদিকে বাংলাদেশ থেকে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল মিথিলার। কিন্তু বিজয়ী হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিতর্ক আবারও শুরু হয় তাকে ঘিরে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য বয়স লুকানো ও পুরুষ হয়রানির বিষয়টি।

বিজয়ী হওয়ার পর ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ওয়েবসাইটে উঠেছিল মিথিলার নাম। যেখানে তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু হঠাৎ তাদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো মিথিলার নাম।

কেন সরিয়ে দেওয়া হলো মিথিলাকে? কারণ খুঁজতে গেলে এ প্রতিবেদকের হাতে আসে তিনটি স্ক্রিনশট। একটি বিউটি পেজেন্টদের নিয়ে কাজ করা ‘সাশ ফ্যাক্টর’ নামের অনলাইন ম্যাগাজিনের, আরেকটি ‘মিস ইউনিভার্স আপডেট’ নামের একটি গ্রুপের এবং অন্যটি ‘পেজেন্ট ফেনাটিক’ নামের একটি পেজের।

‘সাশ ফ্যাক্টর’ তাদের পোস্টে মিথিলার বয়স লুকোচুরি এবং যৌন হয়রানির বিষয়টিও তুলে ধরে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০ তানজিয়া জামান মিথিলাকে ঘিরে অনেক বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। অনেক বাংলাদেশি বিউটি পেজেন্টরা মিথিলাকে নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন এবং তাকে মূল প্রতিযোগিতার জন্য সাপোর্ট করছেন না।’

এছাড়া প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারীর বয়স ২৮ বছরের কম হতে হবে। অভিযোগ রয়েছে মিথিলার বয়সের সীমা আগেই পেরিয়েছেন।

মিথিলা এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি বয়স নিয়ে কোনও লুকোচুরি করিনি। আমার জন্ম ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে। সেটি আমার জন্মনিবন্ধন, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট সবকিছুতে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ১৯৯২ হলেও কিন্তু আমি কোয়ালিফাইড। আর মিস ইউনিভার্সের কাছে আমার সব তথ্য রয়েছে।’

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / saiful islam
Share on Facebook

সর্বশেষ - ফেসবুক পাতা থেকে