a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৮৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১০ হাজার ৮৬৯ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৩৬২৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জন।
আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৫২২৫ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৪ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
ফাইল ছবি
বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর বেশি মানুষের মৃত্যু হয় হৃদরোগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যখন বার্ধক্যের দিকে যায় তখন শরীরচর্চার অভাব এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। অথচ সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, দৈনিক মাত্র ২০ মিনিটের শরীরচর্চাও ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে হৃদরোগের আশঙ্কা কমিয়ে দিতে পারে অনেকটাই।
এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি আগে থেকে শরীরচর্চার অভ্যাস না থাকে তবুও বার্ধক্যে পৌঁছে শুরু করা যেতে পারে শরীরচর্চা। শুধু শারীরিক কসরতই নয়, সুফল মিলবে নিয়মিত হাঁটা, বাগানের পরিচর্যা করা, সাইকেল চালানো কিংবা সাঁতার কাটার মতো কাজেও।
শরীরচর্চা যে হৃদরোগের বিরুদ্ধে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার তা জানা ছিল আগে থেকেই, কিন্তু বেশি বয়সে গিয়ে শরীরচর্চা শুরু করলে তা আদৌ কতটা কার্যকরী হতে পারে সেটি নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না বিশেষজ্ঞরা।
দুই হাজার ৭৫৪ জন ব্যক্তির ওপর করা এই গবেষণা বলছে, এই গবেষণা চলাকালীন সময়ে এক হাজার ৩৭ জনের মধ্যে কোনও না কোনও হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা গিয়েছে। কিন্তু নিয়মিত কাজকর্ম ও শরীরচর্চা করা মানুষদের ক্ষেত্রে সংবহনতন্ত্রের রোগের ঝুঁকি ছিল অনেকটাই কম।
দেখা গেছে, যারা এই ধরনের কোনও শরীরচর্চা করেন না তাদের তুলনায় শরীরচর্চা করা ব্যক্তিদের রোগের ঝুঁকি প্রায় ৫২ শতাংশ কম। সব মিলিয়ে গবেষকদের পরামর্শ, যদি আগে থেকে শরীরচর্চা করার অভ্যাস না থেকে থাকে, তবুও সুস্থ থাকতে বার্ধক্যে পৌঁছে অবশ্যই শুরু করা উচিত নিয়মিত শরীরচর্চা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
ফাইল ছবি
প্রথম আলোর অনুসন্ধানী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দেশের ১১ বিশিষ্ট নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে উক্ত ঘটনা তলিয়ে দেখা ও হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের কর্মকাণ্ডের তদন্ত করার দাবি জানান।
আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিশিষ্ট নাগরিকেরা এই দাবি জানান। বিবৃতিদাতারা হলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, হাসান আজিজুল হক, অনুপম সেন, রামেন্দু মজুমদার, সারোয়ার আলী, মফিদুল হক, মামুনুর রশীদ, মুনতাসীর মামুন, শাহরিয়ার কবীর, আবদুস সেলিম এবং নাসির উদ্দীন ইউসুফ। তাঁরা বলেন, আমরা মনে করি রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তার মুক্তিলাভে সরকার বিবেচকের ভূমিকা পালন করবেন। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার এবং দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহনশীলতা, সরকারের ঘোষিত এই দুই নীতির সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে বিশিষ্ট নাগরিকেরা বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য সংগ্রহকালে যেভাবে কর্মকর্তাদের দ্বারা হেনস্তাও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য অপহরণের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন তা আমাদের বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ করেছে। বর্তমান করোনা দুর্যোগকালে সংকট মোকাবিলায় সরকার ও জনগণের যে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস পরিচালিত হচ্ছে তা সর্বতোভাবে জোরদার করার লক্ষ্যে আমরা সবাই সমবেত রয়েছি।
এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্যকর্মীরা গুরুদায়িত্ব পালন করে চলেছেন। একই সাথে মন্ত্রণালয়ের কতিপয় কর্মচারী-কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে সরকারও বিভিন্ন সময় বিব্রত হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এ ক্ষেত্রে রোজিনা ইসলামসহ অন্যান্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সহযোগিতার মাধ্যমে সরকার উপকৃত হয়েছেন।
উল্লেখ্য গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বিনা অনুমতিতে সরকারি কাগজ পত্রের ছবি তোলা এবং কিছু কাগজপত্র চুরি করার অভিযোগর ভিত্তিতে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় উক্ত মামলায় আজ পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলে আদালত রিমান্ড না মঞ্জুর করে তাকে আদালতে প্রেরণ করেন।