a আজ ঋতুরাজ বসন্ত
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ ঋতুরাজ বসন্ত


খোরশেদ আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৪ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১১:৪৩
আজ ঋতুরাজ বসন্ত

ছবি: সংগৃহীত

আজ পহেলা ফাল্গুন। বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ। সেই ছয় ঋতুর এক ঋতু বসন্ত। আজ ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। আবহমান ধরে চলে আসছে বাংলার নৈসর্গিক সাজ সাজেএই প্রকৃতি। এসময় প্রকৃতি পালা-বদলের পর নীল আকাশে সোনা ঝরা আলোর মতোই সবার মাঝে বিরাজ করে হৃদয় আপ্লুত প্রাণভরা ভালোবাসা।

ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত! ফাল্গুনের দমকা হাওয়ায় তাই প্রকৃতিতে দোল লেগেছে। আজ প্রকৃতি নতুনরূপে উদ্ভাসিত, সেজেছে ঋতুরাজরূপে। মৌমাছিদের গুঞ্জন, দক্ষিনা হাওয়া, কচি-কিশলয় ও কোকিলের গানে জেগে উঠেছে এক নতুন দিন।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় চলছে বসন্ত উৎসব। বাহাদুর শাহ পার্ক, ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবর মঞ্চসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানান আয়োজনের মাধ্যমে বসন্তকে বরণ করছে সব ধরণের মানুষ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সঙ্গীত, কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, নৃত্য, বসন্তের পোষাক প্রদর্শনীসহ নান্দনিক আয়োজন থাকছে রাজধানীসহ গ্রামাঞ্চলেও।

অপরদিকে আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসার উৎসবে শহরের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে সারা গ্রাম-বাংলায়। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে বাংলা একাডেমির বইমেলা, বিভিন্ন উদ্যানগুলোতে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য ক্যাম্পাস জুড়ে মেতে উঠেছে সব ধরণের মানুষ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

একজন দেশপ্রেমিক চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ একটা ইতিহাস


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ০৯:২২
একজন দেশপ্রেমিক চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ একটা ইতিহাস

ছবি সংগৃহীত

কয়েক বছর ধরে পরেন একটা শার্ট, ওপরের বোতাম তার ছেঁড়া। কেউ একজন জিজ্ঞাসা করতে বলেছিলেন, "নষ্ট না হলে আমি কি করব, ফেলে তো দিতে পারি না !"

অথচ বাবা তার রাউজানের জমিদার। লন্ডনে পড়তে গিয়ে তার যে গাড়ি ছিল, দেশ থেকে  বড়ো কেউ গেলে সে গাড়িই ধার দেয়া হতো তাদের। তিনি যে দর্জির কাছে কাপড় সেলাই করতেন, সে দর্জি ছিলেন ব্রিটিশ রাজপুত্র প্রিন্স চার্লসের ব্যক্তিগত দর্জি৷ দেশে ফিরে দেশের মানুষের জীবদ্দশা দেখে সেই বিলাসী জীবন ত্যাগের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন জাফরুল্লাহ, আমৃত্যু তাই পালন করেছেন। 

লন্ডনের প্রকাশ্য রাস্তায় নিজেদের পাসপোর্টে আ'গুন ধরিয়ে দিলো কয়েকজন বন্ধু। এরা সবাই এবারের এফআরসিএস পরীক্ষার্থী৷ পরীক্ষা আর দেয়া হলো না, রাষ্ট্রহীন নাগরিক হিসেবে লন্ডন থেকে ফেরত পাঠানো হলো ভারতে৷ দেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন দিয়ে পাকিস্তানের পাসপোর্ট পোড়ানো সে বন্ধুদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

ভারতে এসে আগরতলা ক্যাম্পের একপাশে চট-বেড়া দিয়ে গড়ে তুললেন ৪৮০ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল। দিনরাত এক করে হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচানোর কাজ চলল তাতে। যুদ্ধ শেষ হলে এ হাসপাতালই হয়ে উঠল গরিবের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র৷ 

 আজ ৫০ বছর পরেও, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নর্মাল ডেলিভারি বা ডায়ালাইসিস খরচ ২৫০০ টাকা৷ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর ভদ্রলোকের জন্য ভিআইপি কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, আনা হচ্ছিল দামী ওষুধ৷ দুটোকেই 'না' করে জাফরুল্লাহ বললেন, ' নিজের হাসপাতালের ওপর নিজে ভরসা না রাখলে মানুষ কি করে রাখবে? যে ওষুধ গরীবে কিনে খেতে পারবে না, সে ওষুধ আমি নেব না।'

১৯৮২ সালে জাতীয় ওষুধ নীতির নেতৃত্ব দিয়েছেন জাফরুল্লাহ। স্বপ্নবাজ এ লোকটির হাত ধরেই ৯০ শতাংশ ওষুধ আজ দেশেই তৈরি হয়। বিনামূল্যে বিলি হয় গণস্বাস্থ্যের ওষুধ। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রই আবিষ্কার করেছিল বাংলাদেশের করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্স, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছিল যে টিকা, পায়নি কেবল বাংলাদেশে। 

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চাকরির কয়েকটা বাঁধাধরা নিয়ম তিনি করেছিলেন। কর্মরতদের ধূ'মপান নিষিদ্ধ । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিঞার চাকরির ব্যাপারে ১৯৯৬ সালে নেত্রী নিজেই ফোন করেন জাফরুল্লাহকে। তিনি  শেখ হাসিনাকে তখনই সাফ জানিয়েছিলেন, ' ধূ'মপান ছাড়তে না পারলে চাকরি হবে না। ' বাধ্য হয়ে একমাসেই ধূ'মপান ছাড়েন ডা. ওয়াজেদ। 

দোর্দণ্ড প্রতাপে যখন ক্ষমতায় এসেছেন জিয়াউর রহমান, জাফরুল্লাহকে মেজর জিয়া হাতে একটা ফাঁকা চেক ধরিয়ে আদেশ দিলেন, মন্ত্রী হও৷ সেদিন গরিবের ডাক্তার ৪ পৃষ্ঠার চিঠি লিখে জবাব দিয়েছিলেন, একজনও স্বাধীনতাবিরোধী থাকলে সে মন্ত্রীসভায় তিনি যাবেন না৷ ৮-১৮'র তরুণরা যখন নির্লিপ্ত, তখন ৮০ বছর বয়সেও হুইল চেয়ারে রাজপথ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন এই মানুষটি৷ দাঁড়িয়েছেন বিচারের কাঠগড়ায়,পেয়েছেন অর্থদন্ডও। 

নিজ প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্যের সম্পদ আছে কয়েক হাজার কোটি টাকার।পেয়েছেন ম্যাগসেসে পদকের মতো অসংখ্য আন্তর্জাতিক সম্মাননা। অথচ সমস্ত জীবন দেশের জন্য উৎসর্গ করে কপর্দকহীন হয়ে চলে গেলেন একগুঁয়ে মানুষটি। একেকটা হাসপাতাল যখন হয়ে উঠছে মানুষ মারার কল, তখন গরিব যাতে কম খরচে ক্যানসার চিকিৎসা পায়, ওষুধ পায়,  তার বন্দোবস্ত করে গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল গড়েছেন মানুষটি।  

জীবন-মরণের মাঝখানে দাঁড়িয়ে শেষবার জাফরুল্লাহ বলেছিলেন, কিছু হলে দেশেই হোক, বিদেশে চিকিৎসা তিনি কিছুতেই নেবেন না।
সারাজীবনের মতো একবারই এই মৃত্যু সাজ,
এতদিন প্রাণ ছিলো, অমরত্ব শুরু হলো আজ.. 

এই জেদ, এই উদ্যম,এই দেশপ্রেমকে কুর্নিশ। আপনি জিতে গেছেন ১৬ কোটি হৃদয়৷ অভিবাদন, মহামানব জাফরুল্লাহ চৌধুরী!

  -ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির লাশ নদীতে ফেলার চেষ্টা (ভিডিও)


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ৩০ মে, ২০২১, ০৮:৩২
করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির লাশ নদীতে ফেলার চেষ্টা

ফাইল ছবি

 

ভারতে করোনায় (কোভিড-১৯) আক্রান্তে  মারা যাওয়া এক ব্যক্তির লাশ সেতুর ওপর থেকে নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টার মর্মান্তিক দৃশ্য এক ভিডিওতে দেখা গেছে। 

আজ রবিবার দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 

গত ২৮ মে শুক্রবার ভারতের উত্তর প্রদেশের বলরামপুর জেলায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটতে দেখা যায়। নদীর ওপরে থাকা সেতু দিয়ে গাড়িতে করে যাওয়ার সময় কয়েকজন পুরো ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেন। তাদের করা ভিডিওটি অনলাইনে এলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, নদীতে ফেলার জন্য দুই ব্যক্তি মরদেহটি সেতুর রেলিংয়ে তুলছেন। দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের পরনে পিপিই। রেলিংয়ের ওপর তোলার পর পিপিই পরা ব্যক্তি মরদেহটি ব্যাগ থেকে বের করার চেষ্টা করছিলেন।

মরদেহটি করোনায় মৃত এক ব্যক্তির বলে নিশ্চিত করেছেন বলরামপুরের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তার স্বজনেরা লাশটি নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পরে লাশটি উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভিডিও লিংক:     www.youtube.com/watch?v=q3-g0ROtBG8&t=8s

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ফিচার

ফিচার এর সব খবর