a
সংগৃহীত ছবি
মহান আল্লাহ ত'য়ালা আমাদেরকে প্যাকেজ হিসেবে রমজানের রোজা দিয়েছেন। কারণ আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন আমি রমজানে মানুষের নিকটে চলে আসি এবং বলতে থাকি-
الا من مستغفر فاغفر له ، الا من مسترزق فارزق له وهى كذا كذا.....
অর্থঃ এমন কোন গোনাহগার ব্যক্তি আছো যে আমার কাছে গোনাহ মাফ চাইবে, আর আমি তাকে ক্ষমা করে দিবো। এমন কোন অভাবগ্রস্থ ব্যক্তি আছো যে আমার কাছে রিযিক চাইবে, আর আমি তাকে রিযিক দেব।
আল্লাহ তা'য়ালা আরো বলেন-
রমজানে তোমরা যা ইবাদত করবে আমি তা সত্তর গুন বৃদ্ধি করে দেব, তাই আমাদের উচিৎ বেশি বেশি আল্লাহর ইবাদত করা।
মুরব্বীগন বলেন, যে ব্যক্তি রমজান পেলো কিন্তু দুইটি কাজ করল না সে যেন অসম্পর্ণ রয়ে গেল।
১। নিজে কিভাবে আল্লাহ এবং তার রাসূলের নিকটতম হওয়া যায়।
২। আমার প্রতিবেশীকে কিভাবে আল্লাহ এবং তার রাসূলের নিকটবর্তী করা যায়।
যদি আমরা এই দুইটি কাজ ভাল ভাবে করতে পারি তাহলে আমরা এই দুনিয়া এবং আখেরাতে উভয় জাহানে কামিয়াবী অর্জন করতে পারবো ইনশা আল্লাহ।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে এসমস্ত কথার উপর আমল করে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন ছুম্মা-আমিন।
ফাইল ছবি
কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য দোয়া চেয়ে নামাজ পড়েছেন কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার দুটি ইউনিয়নের কয়েকশ মানুষ। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মধ্যেই সোমবার শত শত মানুষ চর মহেন্দ্রপুর স্কুলের পাশে মাঠে জড়ো হয়ে এ নামাজ আদায় করেন।
কুমারখালীর জগন্নাথপুর এবং পার্শ্ববর্তী পাবনা জেলার চর ভবানীপুর গ্রামের মানুষ এ নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মোনাজাত পরিচালনা করেন চর জগন্নাথপুর গ্রামের স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম ইদ্রিস আলী।
বৃষ্টি না হওয়ায় দাবদাহে দেশের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এ রকম পরিস্থিতে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহ পাকের দরবারে পানি প্রার্থনা করে দোয়া করা সুন্নত। তাই এই নামাজের আয়োজন করা। কুষ্টিয়া জেলায় গত বেশ কয়েক মাস ধরে বৃষ্টি হয় না। তাই এই বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয় ।
ফাইল ছবি
টিকাভীতি কাটাতে সারা ভারত জুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবুও টিকা নিয়ে ভয় যে কাটেনি সাধারণ মানুষের মাঝে, তারই প্রমাণ মিলল মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার পাটানকালান গ্রামে। টিকা দেয়া কার্যক্রম চলছিল গ্রামে। তা দেখে ভয়ে এক ব্যক্তি গাছে উঠে পড়লেন সবার অগোচরে। যতক্ষণ না টিকাকরণ শিবির শেষ হয়, ততক্ষণ গাছেই বসে ছিলেন তিনি। এমনকি তার স্ত্রী যেন টিকা দিতে না পারেন, তাই স্ত্রীর আধার কার্ডও (ইআইডি) তিনি তার সঙ্গে নিয়ে চলে যান।
‘হিন্দুস্তান টাইমস’ গ্রুপের ‘লাইভ হিন্দুস্তান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি টিকাকরণের জন্য রাজগড় জেলার পাতানকালান গ্রামে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। গ্রামের অনেকেই টিকা নিতে ক্যাম্পে আসেন। কিন্তু কানওয়ারলাল নামে ঐ ব্যক্তি বেঁকে বসেন। নিজে টিকা নেননি এবং এখনও নেবেন না। অনেক বুঝিয়ে তার স্ত্রীকে টিকা নিতে রাজি করান স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় টিকাকরণ শিবিরে। সেই খবর জানতে পেরেই স্ত্রীর আধার কার্ড নিয়ে গাছে উঠে গা ঢাকার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি।
করোনা টিকাকরণের সময় যেহেতু আধার কার্ডের মতো পরিচয়পত্র আবশ্যিক, তাই খোঁজাখুঁজির পর কানওয়ারলালকে গাছে দেখে নেমে আসতে বলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু নিজের জেদে অনড় থাকেন। অবশেষে স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রাম থেকে চলে যাওয়ার পর নেমে পড়েন গাছ থেকে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় ব্লকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। কথা বলেন কানওয়ারলালের সঙ্গে। জানা যায়, প্রবল জ্বর, গায়ে ব্যথা ও সর্দির ভয়ে নিজে টিকা নিতে চাননি ওই ব্যক্তি। সে স্ত্রীকেও টিকা নিতে দেননি। যদিও করোনা টিকাকরণের পর জ্বর, গায়ে ব্যথা একেবারে স্বাভাবিক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া। তা দিনকয়েকের মধ্যে সেরেও যায়।
অবশেষে টিকাকরণ নিয়ে কানওয়ারলালের বিভ্রান্তি দূর করেন সেখানকার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং টিকা নিতেও রাজি করান। কানওয়ারলাল শেষটা সম্মতি দেন, গ্রামেরই অন্য একটি শিবিরে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে নিজেও টিকা নেবেন।