a
ফাইল ছবি
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র আঁকা সেই সুইডিশ কার্টুনিস্ট লার্স ভিকস সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। সিভিলিয়ান পুলিশের একটি গাড়িতে সফর করার সময় সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মার্কারিড শহরের কাছে একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় দু’জন পুলিশ অফিসারও নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ট্রাকচালক। খবর বিবিসি অনলাইনের।
রবিবারের ওই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি পুলিশ। তবে ডাগেন্স নাইহেটার খবরের কাগজ জানিয়েছে, লার্স ভিকসের পার্টনার তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা পরিষ্কার নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এতে কেউ ইচ্ছাকৃত জড়িত নয়।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে সে মহানবী (স.)-এর যে ব্যাঙ্গবিত্র এঁকেছিল, তা এক বছর পর ডেনমার্কের একটি খবরের কাগজ প্রকাশ করে।
মহানবী (স.)-এর ব্যাঙ্গচিত্র আঁকার পর সারা বিশ্ব থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানান মুসলিম উম্মাহ। তখন থেকেই পুলিশি নিরাপত্তায় চলাচল করতো ৭৫ বছর বয়সী লার্স ভিকস।
ফাইল ছবি
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের লড়াই তুলনামূলকভাবে বেড়েই চলেছে। ভারতের এএনআই নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের সরকার (এনইউজি) বাহিনীর ১৩২টি লড়াইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
বিদ্রোহী পক্ষের বরাতে রেডিও ফ্রি এশিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সেনা সদস্যদের মধ্যে প্রাণহানী বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে জান্তা ১২০টি টাওয়ার থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। শুধুমাত্র গত মাসেই দেশটির সেনাবাহিনীর ১ হাজার ৫৬০ জন সেনা নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৫৫২ জন।
তবে জান্তা সরকারের মুখপাত্র জাও মিন তু জাতীয় ঐক্যের সরকারের এমন দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি এত সংখ্যক সেনা সদস্য নিহত হতো, তাহলে দেশ পরিচালনার মতো কেউ থাকতো না।
গত ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত করে দেশটির জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। এরপর অভ্যুত্থানবিরোধী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ১৬ এপ্রিল সু চিকে স্টেট কাউন্সেলর করে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেন। এই সরকার মূলত দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় এবং নির্বাসিত থেকে কাজ করছে।
গত ৮ মাসে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ৭ হাজার ১৬৪ জন বিদ্রোহীকে আটক করাসহ ১ হাজার ১১৬ বিদ্রোহীকে গুলি করে হত্যা করেছে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজারের বেশি মানুষ। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: আশরাফুল, ছাত্রলীগ, খিলক্ষেত
নিউজ ডেস্ক: অটোরিকসা চলাচলে হাইকোর্টের আদেশের পর পরই রাজধানীজুড়ে সেই আদেশ প্রত্যাহারে বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচী দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি তারা এই দাবিকে যৌক্তিক আন্দোলনে রূপ দিতে ১১ দফা দাবি নিয়ে এক প্রকার মাঠ গরম করেছে। এই সুযোগে ছাত্রলীগসহ শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন মুখে মাস্ক পরে জঙ্গি মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।
গতকাল আন্দোলনের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মুখে মাস্ক পরে ছদ্মবেশে তারা জঙ্গি মিছিল করেছে। কোথাও কোথাও তাদের দেখে সন্দেহ হলে তাদের মুখ খুলতে বললে তারা সেখান থেকে দ্রুত সটকে পড়ছে।
বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন গোপনে রিকসাওয়ালাদের সাথে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার মাঝে দু'জন ছাত্রলীগ নেতা সাংবাদিকদের হাতে ধরা পড়ে। মাস্ক খুলতে না চাওয়ায় তাদের একজন ছাত্রলীগের কর্মী, নাম আশরাফুল। সে খিলক্ষেত ৪৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহসভাপতি বলে জানা যায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনদের মতে, রিকসাচালকেদের দেখলেই বুঝা যায়। অপরদিকে, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগসহ তাদের অন্যান্য সংগঠনের লোক লেখলেই বুঝতে পারা যায় এবং আন্দোলনে অধিকাংশ লোকজন ছাত্রলীগসহ তাদের বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার পায়তারা করছে।