a
ফাইল ছবি
আফগান ইস্যুতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে প্রতিবেশী পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন বসতে যাচ্ছে।
আফগানিস্তান থেকে আকস্মিকভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর চলমান গোলযোগপূর্ণ অবস্থা নিয়ে এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে আলোচনা করা হবে। এতে অংশ নেবেন আফগানিস্তানবিষয়ক চার দেশের বিশেষ প্রতিনিধি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
গতকাল (শনিবার) ইরান, রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে টেলিফোন আলাপে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ করা হয়। এরপর চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আফগানিস্তান ইস্যুতে খুব শিগগিরই ভার্চুয়াল সম্মেলনে বসার ব্যাপারে একমত হন।
এর আগে, গত মাসে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি ইরান সফরে করেন। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানের সঙ্গে আফগানিস্তানের ঘটনাবলি ও আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।
পরে তিনি এক টুইটার পোস্টে জানান, আঞ্চলিক শান্তি এবং আফগানিস্তানের বিষয়ে সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে দেশটির নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সমাধানের বিষয়ে কাজ করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এরপর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহিয়ান রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন। এসব আলাপে আফগানিস্তানে একটি অংশগ্রহণমূলক সরকার গঠনের বিষয় নিয়ে কথা হয়। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যার বয়স ৭৮ এবং তার স্ত্রীর বয়স ৬৯। তারা দুজন একসাথে আছেন প্রায় ৪৪ বছর ধরে। তবে বয়সের ভারে রোমান্টিকতা বিন্দুমাত্রও কমেনি এ দম্পতির। এখনও তারা ছোট খাটো বিষয়গুলোতে উপভোগ করেন ভালোবাসা।
গতকাল ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার জর্জিয়ার উদ্দেশ্যে অপেক্ষারত বিমানে উঠবেন প্রেসিডেন্ট যুগল। সে উদ্দেশ্যে তারা হোয়াইট হাউস থেকে বেরও হয়েছিলেন। হঠাৎ করেই মাটিতে কি যেন খুজে নিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। মুহূর্তেই ছোট্ট এক ঘাসফুল উপহার দিয়ে চমকে দেন স্ত্রীকে।
সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সকলেই বাইডেনের মাঝে এক রোমান্টিক তারুণ্যের ছাপ দেখতে পান। নিজ স্ত্রীকে উপহার দিচ্ছেন বাইডেন এবং এটা শুনার পর সবাই হয়ত নিশ্চিত যে দামি কিছু দিচ্ছেন! কিন্তু সকলকে অবাক করে স্ত্রীকে উপহার দিলেন মাটি থেকে তুলে নেয়া মূল্যহীন ঘাসফুল।
তাদের এমন রোমান্টিক দৃশ্য ধরা পড়ে গণমাধ্যমের ক্যামেরায়। এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও ছবি।
ফাইল ছবি: হাসিনা, রেহেনা, জয় ও সালমান এফ রহমান
নতুন নতুন প্রকল্প বের করার তাগাদা দিতেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যরা। নতুন প্রকল্প মানেই বড় অঙ্কের কমিশন। এসব সকল বিষয় জানতেন শেখ হাসিনা। তবে তিনি কখনো এসব বিষয়ে মাখা ঘামাননি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান। গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। সালমান এফ রহমানের দাবি, শেখ পরিবারের অতি লোভের কারণেই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এতটা শোচনীয় হয়েছে। তাতে সব সময়ই সায় দিতেন সরকারের শীর্ষস্থানীয় কিছু ব্যক্তি। শেখ হাসিনাকে বোঝাতে গিয়ে অনেকে ছিটকে পড়েছেন। কারণ, তিনি সব সময়ই তাঁর নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকতেন।
সালমান এফ রহমানের বরাত দিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এস আলমের মাধ্যমে দেশ থেকে পাচার হওয়া দেড় লাখ কোটি টাকার অর্ধেকই শেখ রেহানা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এসব অনিয়ম হয়। তবে এসব বিষয়ে কেউ কথা বলার সাহস পাননি। কেবল অর্থ পাচার নয়, দেশের ইস্টার্ন রিফাইনারি, চিনিকল হাতিয়ে নিলেও এস আলমের বিষয়ে সবাই নীরব থাকতেন।
সূত্রমতে, রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংককে লুটপাটের জন্য বেছে নিয়েছিলেন সালমান এফ রহমান। তাই নিজের পছন্দের মতো চেয়ারম্যান এবং এমডি নিয়োগ দিতেন। পছন্দ না হলে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ব্যাংকে যোগদান করতে দিতেন না। কেউ যোগদান করে ফেললেও অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করতেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এ প্রতিবেদককে বলেছেন, তাদের কাছে তথ্য এসেছে ‘সুকুক’ বন্ডের মাধ্যমে সালমান এফ রহমান তুলে নিয়েছেন ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। এই বন্ড কেনার জন্য ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করেছেন তিনি। প্রথম দিকে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগে রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সার্কুলার জারি করানো হয়, যাতে ব্যাংকগুলো বন্ডে বিনিয়োগে বাধ্য হয়। তবে বারবার নিজের অসুস্থতার দোহাই দিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন সালমান এফ রহমান।
গত ১৩ আগস্ট রাজধানী ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন