a
ফাইল ছবি
ঢাকা থেকে বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুরের সালথায় তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে যাবার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত হয়ে উঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। এসময় তারা লাঠিসোটা হাতে নিয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সালথা-ফরিদপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় এবং বিক্ষোভ মিছিল করে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৫ এপ্রিল সালথার সরকারি বিভিন্ন দফতর ও থানায় হামলা চালিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতীরা। তারা সেদিন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আজ কিভাবে আবার সেই ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে আসেন। আমরা বেঁচে থাকতে সালথার মাটিতে তাদের ঢুকতে দেয়া হবেনা।
জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঢাকা থেকে বিএনপির একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল সালথার ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে আসার কথা ছিল। কারণবশত প্রোগ্রামটি স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে জেলা বিএনপির একটি সূত্র জানান, বিএনপির ওই আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঢাকা থেকে রওনা হয়ে আরিচা ঘাটে আসার পর সালথায় আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ ও শোডাউনের খবর পেয়ে তারা অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে ফিরে আসেন।
সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতের নেতাদের ইন্ধনে তাদের সমর্থকরা সালথার সরকারি দফতরে সেদিন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এখন আবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শন করে মানুষকে বোকা বানাতে চায়। কিন্তু সালথার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা হতে দেয়নি। তাদের আশার খবরে সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় (২৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের গণমাধ্যম শাখার সদস্য শায়রুল কবির খান। শায়রুল বলেন, 'গত দুইদিন ধরে উনার ডিসেন্ট্রি (আমাশয়) হচ্ছিল। গত বুধবার রাতে উনার শরীর বেশি দুর্বল হয়ে যায়। এরপর দ্রুত উনাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ভর্তির পরামর্শ দিলে তাকে ভর্তি করানো হয়।
বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।' শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতারা তার সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। উনি (নজরুল ইসলাম) এবং উনার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ফাইল ছবি
নতুন করে গোলাগুলির পর আবারও বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে ইউক্রেন-রাশিয়া সীমান্তে। মঙ্গলবার দুই জন সৈন্য নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে ইউক্রেন।
পূর্বাঞ্চলের সীমান্তে রাশিয়া সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে ইউক্রেনের লড়াই চলছে ২০১৪ সাল থেকে। তবে গত কয়েক দিন থেকে এই উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ইউক্রেনের অভিযোগ, হঠাৎ সীমান্তে রাশিয়া সেনা উপস্থিতি বাড়িয়েছে। ৭ বছর আগে ওই অঞ্চলে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রাইমিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয় মস্কো। নতুন করে ইউক্রেন সীমান্তে মস্কোর তৎপরতায় উদ্বেগ জানিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এই উত্তেজনার মাঝেই দ্রুত সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
ইউক্রেনের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এ বিষয়ে জোটগত সিদ্ধান্ত নেবে ন্যাটো।