a দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতি আজ গভীর উদ্বিগ্ন!
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতি আজ গভীর উদ্বিগ্ন!


কর্নেল(অব.) আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৮ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৩:৫৮
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতি আজ গভীর উদ্বিগ্ন!

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: আমরা সবাই দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান নিজেও সামগ্রিক অবস্থা, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে তিনি RAOWA-তে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করার চেষ্টা করেছেন। তার বক্তব্য জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং জনগণের জন্য এটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুশীল সমাজ এটিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে।  

সেনাপ্রধান ও প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে কোনো ধরনের মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে কিনা, তা আমাদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। জনগণ চায়, তারা ভবিষ্যতেও দৃঢ়ভাবে একসঙ্গে কাজ করুক।  

BDR হত্যাকাণ্ড নিয়ে তার মন্তব্যকে অনেকে সম্প্রতি গঠিত তদন্ত কমিশনের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জাতীয় ইস্যু, যা গভীর মনোযোগ দাবি করে। কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি আগাম মন্তব্য করলে সত্য উদঘাটনের কাজ ব্যাহত হতে পারে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  

এটাই প্রথম নয় যে তিনি জাতিকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। কয়েক মাস আগে, সেনা সদর দপ্তরের প্রাঙ্গণে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও তিনি কঠিন সময়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলে। 

নিঃসন্দেহে, আগস্ট ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পর থেকে আমরা একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি। বাংলাদেশের জনগণ অতীতে কখনো এত সংকটময় সময় দেখেনি। আমরা ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি—এখানে হয় আমরা জিতব, নয়তো হারব। গোটা জাতি জাতীয় ঐক্যের কঠিন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, এবং আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যদি জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে দেশীয় বা আন্তর্জাতিক কোনো হুমকিই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।  

আমরা ১৯৭৫ সালের নভেম্বরেও আমাদের জাতীয় জীবনের অনুরূপ এক সংকটময় মুহূর্ত দেখেছি। তবে তখন আমাদের সৌভাগ্য ছিল যে, আমাদের দূরদর্শী নেতা জিয়াউর রহমান সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সফলভাবে উত্তরণ ঘটিয়েছিলেন। তিনি অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় সংকটকে প্রজ্ঞা ও কৌশলে মোকাবিলা করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন।  

বাংলাদেশের জনগণ তার নেতৃত্বে এক অভাবনীয় আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছিল। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যেতে পেরেছিল এবং তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করে জাতিকে রক্ষা করেছিলে। তিনি কেবল নিজেই ইতিহাস গড়েননি, বরং সমগ্র জাতির জন্য এক গৌরবময় অধ্যায় সৃষ্টি করেছেন।  

ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্তরিকভাবে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার চেষ্টা করছে, তবে দৃঢ়তা প্রদর্শনে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। তবুও জাতি তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল। সরকারকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে, তারা একা নয়—পুরো জাতি তাদের পাশে আছে। তাদের উচিত ‘জুলাই বিপ্লব’-এর চেতনা ধারণ করে কাজ করা এবং মনে রাখা যে, বাংলাদেশের জনগণ তাদের সঙ্গে রয়েছে।  

সরকারের উচিত জিয়াউর রহমানের নীতিকে অনুসরণ করা। তিনি দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মেধাবী ও অভিজ্ঞ মানুষদের খুঁজে বের করে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগিয়েছিলেন। তিনি প্রাক্তন CSP ও সেনাবাহিনীর জেনারেলদের দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার মহান লক্ষ্যে এগিয়ে গিয়েছিলেন। অপরদিকে, শেখ মুজিব এই দক্ষ জনবলকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, বরং পুরো আমলাতন্ত্র ও সামরিক বাহিনীকে ক্ষুব্ধ করেছিলেন, যার পরিণতি তাকে ভুগতে হয়েছিল।  

সরকারের সাত মাস অতিক্রান্ত হয়েছে, তবুও তারা এখনো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে, বিশেষ করে ঢাকায়। এটি কোনোভাবেই ভালো লক্ষণ নয় এবং মানুষ এ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। মূল্যস্ফীতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি, ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়ছে। এই সমস্ত বিষয় সরকার ও জনগণের জন্য বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, এবং সমাজে যেকোনো মুহূর্তে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।  

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। জাতিকে অবশ্যই এটি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। বিপ্লবের অংশীদারদের অবশ্যই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সর্বোচ্চ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা।  

যদিও কিছু মানুষ সেনাপ্রধানের বক্তব্যকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই যে তিনি ড. ইউনুসের সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। আমাদেরও উচিত আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরকারকে সমর্থন দেওয়া, যাতে তারা তাদের লক্ষ্যে সফল হতে পারে।  

জাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশ। প্রতিটি নাগরিকের উচিত দেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর মাধ্যমে তৈরি হওয়া বর্তমান সুযোগকে ধ্বংস করার জন্য যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতির ঐক্যই একমাত্র পথ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কুসিক নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন রিফাত


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২, ১১:১৮
কুসিক নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন রিফাত

ফাইল ছবি

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী (নৌকা প্রতীক) আরফানুল হক রিফাত।

বুধবার রাতে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে রিফাত পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু (টেবিল ঘড়ি প্রতীক) পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।

এ ছাড়া অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯৯ ভোট।

বুধবার সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে শেষ হয় বিকাল ৪টায়। উৎসবমুখর পরিবেশেই স্থানীয় সরকারের এই ধাপের নির্বাচন হয়েছে। দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে স্থাপিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফল ঘোষণা শুরু হয়। এই নির্বাচনে মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১০৫টি, ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন।

ভোটগ্রহণ শেষে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলেন, এ নির্বাচনে প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা তিনি পাননি। বেশকিছু ভোটকেন্দ্রে তার লোকজনকে হয়রানি করা হয়েছে এবং কোথাও মারধরও করা হয়েছে। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে জানান নৌকার প্রার্থী।

সাক্কু গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ খুবই সুন্দর হয়েছে। ইভিএমের কারণে ভোট কাস্টিং কম হয়েছে। অনেকে ভোট দিতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। আমি তো মনে করেছিলাম, ইভিএম শুধু জাতীয় নির্বাচনের জন্য। কিন্তু সিটি নির্বাচনের মাত্র একশ কেন্দ্রেই যে জটিলতা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনে তো হাজার হাজার কেন্দ্র থাকবে। এটা ইভিএমে যদি হয়, তাহলে কী হবে তা এখনই বুঝা যাচ্ছে।

নির্বাচনের পরিবেশের জন্য জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে আরেক মেয়র প্রার্থী নিজামউদ্দিন কায়সার বলেন, খুবই ভালো নির্বাচন হয়েছে। এখন যদি ইভিএমে কারচুপি না হয় তাহলে আমার পক্ষেই রায় আসবে। ঘোড়া প্রতীকে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে- ইভিএমে কোনো কারিগরি না করা হলে তা ফলাফলে প্রতিফলন ঘটবে।

এদিকে ভোটগ্রহণ শেষে ব্রিফিংয়ে এসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনায় বলা যায়, কুমিল্লা সিটিতে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ভোটারদের কাছ থেকেও তেমন কোনো অভিযোগ আসেনি। এ সিটিতে প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে। খুব বিরূপ মন্তব্যও আমরা পাইনি।’ সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মোল্লা বারদার তালেবান সরকারের প্রধান হচ্ছেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:১৯
মোল্লা বারদার তালেবান সরকারের প্রধান হচ্ছেন

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানে নতুন সরকারের প্রধান হতে যাচ্ছেন তালেবানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের প্রধান মোল্লা আবদুল গনি বারাদার। ইসলামপন্থী গোষ্ঠীটির তিনটি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। তালেবান সরকারপ্রধান হচ্ছেন মোল্লা বারাদার তালেবানের প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা ইয়াকুব ও শের মোহাম্মদ আব্বাস স্ট্যানেকজাই সরকারের জ্যেষ্ঠ পদে বসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে আফগানিস্তানে তালেবানের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা ঘোষণা করা হবে আজ শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর)। এরইমধ্যে মন্ত্রিসভার চার সদস্যের নামও ঘোষণা করেছে তালেবান। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ এবং মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কার মধ্যেই ক্ষমতা গ্রহণের তিন সপ্তাহের মাথায় অবশেষে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে গোষ্ঠীটি। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে এখন চলছে তালেবান সরকার গঠনের সর্ব্বোচ্চ প্রস্তুতি।

সংগঠনটির সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুনদজাদা হবেন দেশটির প্রধান নেতা। তার ডেপুটি থাকবেন তিনজন। তারা হলেন শীর্ষ নেতা মোল্লাহ আব্দুল গনি বারাদার, প্রভাবশালী হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান সিরাজিুদ্দিন হাক্কানি এবং মৌলবী ইয়াকুব। এছাড়া আগেই ঘোষিত চার মন্ত্রী হলেন, অর্থমন্ত্রী গুল আগা, ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদর ইব্রাহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা আবদুল কাইয়ুম জাকির ও ভারপ্রাপ্ত উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আবদুল বাকি হাক্কানি।

গেল ১৫ আগস্ট তালেবান কাবুল দখল করে নেয়ার মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। চুক্তি অনুযায়ী ৩১ আগস্ট আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দীর্ঘতম যুদ্ধের। একই সঙ্গে আফগানিস্তানে আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয় তালেবানের। এদিকে এমন পরিস্থিতিতে, পানশিরে নিয়ন্ত্রণে নিতে তালেবান ও প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যে তুমুল লড়াই হয়েছে। আর কাজের অধিকারের দাবিতে হেরাতে বিক্ষোভ করেছেন নারীরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

সর্বশেষ - রাজনীতি