a
জান্নাতুল মাওয়া রুমা
প্রথমবারেই নিউইয়র্ক স্টেট বার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাটর্নি অ্যাট ল’ হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেন জান্নাতুল মাওয়া রুমা। ওয়েস্টার্ন নিউ ইংল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে জেডি ডিগ্রি অর্জনকারী রুমা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টসহ ৩৬টি স্টেটেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
রুমা ছাড়া বাংলাদেশি ও আমেরিকানদের মধ্য থেকে মাত্র ৯ জন এ যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
রুমা ২০১৪ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে (অ্যাডভোকেটশিপ) উত্তীর্ণ হন। রুমা চট্টগ্রাম জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য ছিলেন। পড়াশুনা করেছেন সাকের মোহাম্মদ চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহ উমরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, খুটাখালীর কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, চট্টগ্রামের এনায়েতবাজার মহিলা কলেজ ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে।
রুমা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম ও মরহুম মনজুর আলম সওদাগরের ষষ্ঠ সন্তান। বর্তমানে তিনি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্ধা।
ছবি: সংগৃহীত
বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির মধ্যে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পাশাপাশি ফল ও সবজির সংকট তীব্র ব্রিটেনে। বর্তমানে দেশটির সর্বত্র নাগরিকদের একসঙ্গে বেশি পরিমাণ সবজি কেনা নিষেধ রয়েছে। এই সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে টমেটো ও শসার ক্ষেত্রে।
ন্যাশনাল ফারমার্স ইউনিয়ন (এনএফইউ) সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে। আবহাওয়াজনিত কারণে বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন কমেছে ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকায়। ব্রেক্সিট-পরবর্তী বিধিনিষেধ ও সরবরাহের নিম্নগতি ফেলেছে এর বিরূপ প্রভাব। বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণেও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। তার ফলাফল দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনের সুপারমার্কেটগুলোতেও। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পরেছে সর্বত্রেই।
ব্র্যাডশ দেশে উৎপাদিত সবজির দিকে আগে সচেতন হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছেন। দেশের ভেতরে এতদিন যারা সবজি ও ফল চাষ করেছে, তাদের অধিকাংশই ক্ষতির সম্ভাবনায় চাষ করেনি। বিষয়টি সরকারিভাবে নজর দেয়া উচিত ছিল বলে বিভিন্ন সংস্থাকে দায়ি করা হচ্ছে।
আবার অনেকে মনে করছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করারও পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে ব্রিটেনের বাজারে। কারণ আগে ইউরোপীয় বাজার থেকে বেশির ভাগ সবজি ও ফল সংগ্রহ করা হতো। ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনের সবজি বাজারে বিরাট এক অংশ আসে মরক্কো ও স্পেন থেকে। সম্প্রতি বন্যা ও তুষারপাতে দেশ দুটিতে মারাত্মকভাবে ফসল সবজি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে ক্রেতাদের জন্য পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে আলদি, আসদা ও মরসিনের মতো স্টোরগুলো। টেস্কো ও আলদি দুটি করে শশা, তিনটি করে টমেটো, গোলমরিচ ও শসা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।
অন্যদিকে লেটুস, সালাদ ব্যাগ, ব্রকোলি, ফুলকপি নির্দিষ্ট করে দিয়েছে আসদা। মরিসন মাত্র দুটি করে টমেটো, শসা, লেটুস ও গোলমরিচ কিনতে অনুমতি দিচ্ছে।
খারাপ আবহাওয়া ও পরিবহনজনিত কারণে প্রভাব পড়েছে অন্যান্য সবজি ও ফলের বাজারেও। পরিবেশমন্ত্রী থেরেসা কফে দাবি করেন, “আমি জানি ভোক্তারা একটা বর্ষব্যাপী পরিকল্পনা চাচ্ছেন। বর্তমানে আমাদের সুপারমার্কেট ও খাদ্য সরবরাহকারীরা সেটাই করার চেষ্টা করছেন।”
পরিবেশমন্ত্রী জনগণকে পিঁয়াজ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে কমে এসেছে পিঁয়াজ সরবরাহও। এর মধ্যে বেশকিছু সুপারমার্কেট থেকে পিঁয়াজের ঘাটতির খবর ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
ফাইল ছবি
ঘণ্টায় ১৬ লাখ কিলোমিটার গতিবেগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ভয়ংকর সৌরঝড়। সোমবার এই সৌরঝড় পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে। আর সেই ঝড়ের কারণে সমস্যা তৈরি হতে পারে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থায়। বিপুল অংশে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে বিদ্যুৎ যোগাযোগ ব্যবস্থা।
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এর ফলে থমকে যেতে পারে প্রযুক্তির সাহায্যে চলা অনেক কিছুই। স্পেসওয়েদার ওয়েবসাইটের বরাতে এ খবর জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস ও টাইমস নাও নিউজ।
স্পেস ওয়েদার ডটকমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সূর্যের ভিতরে একটি ছিদ্র তৈরি হয়েছে। সেই ছিদ্র পথেই সৌরঝড় বেরিয়ে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। পৃথিবীতে এই ঝড় এসে পড়লে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। রেডিও সিগন্যাল বিচ্ছিন্ন হতে পারে। পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে অনেকটাই। নাসা জানিয়েছে, এই সৌরঝড়ের গতি ১৬ লাখ কিলোমিটারের থেকেও বাড়তে পারে।
আরো বলা হয়েছে, এর ফলে সমস্যা হতে পারে জিপিএস সিগন্যালিং ব্যবস্থায়। বিচ্ছিন্ন হতে পারে মোবাইল ফোন, টিভি। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে নেমে আসতে আরে আঁধার। যদিও বড় কিছু হওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই, কারণ পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্র পৃথিবীকে রক্ষা করবে।
এর আগে ১৯৮৯ সালে সৌরঝড়ের কারণে পৃথিবীর একটি অংশ বিপদের মুখে পড়েছিল। কানাডায় সেই সময়ে সৌরঝড়ের কারণে প্রায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।