a
দূষিত শহরের তালিকায় আজ মঙ্গলবার ঢাকার অবস্থান ৩ নম্বরে রয়েছে। এদিন সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ২১৫, যা বাতাসের মানকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে নির্দেশ করে।
একই সময় বায়ুদূষণের তালিকায় ২৭২ ও ২৫৫ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা ও দিল্লি যথাক্রমে ১ ও ২ নম্বরে অবস্থানে রয়েছে।
৪, ৫ ও ৬ নম্বরে আছে যথাক্রমে পাকিস্তানের করাচি ও লাহোর এবং চীনের হ্যাংজৌ। ৭ নম্বরে আছে চীনের আরেকটি শহর উহান। এসব শহরের স্কোর যথাক্রমে ১৯১, ১৮৭, ১৮৫ ও ১৮২। ১৭৮ স্কোর নিয়ে ৮ নম্বরে আছে আফগানিস্তানের কাবুল। ৯ নম্বরে আছে ঘানার আক্রা শহর, স্কোর: ১৭৪। ১০ নম্বরে আছে ভারতের মুম্বাই, স্কোর: ১৭১। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার প্রথম ডোজ টিকা নিয়ে যারা নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় ডোজ পাননি, তাদের দ্রুত যেকোনো কেন্দ্র থেকে ওই ডোজ দিতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) টিকা ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ও অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গত ৭ ফেব্রুয়ারি কোভিড-১৯ (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) টিকাদান শুরুর পর, সরবরাহের স্বল্পতার জন্য রেজিস্ট্রেশনকৃত জনগণের একটি অংশ প্রথম ডোজ টিকা নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছেন।
বর্তমানে এ টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায়, দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষমাণদের দ্রুত টিকাদানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। প্রথম ডোজ টিকা (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) নেওয়াদের টিকা কার্ড প্রদর্শনপূর্বক, প্রাপ্যতা সাপেক্ষে যে কোনো কেন্দ্র থেকেই অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিতে হবে এবং কিউআর কোড স্ক্যান করে উক্ত তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এইচআই, এএইচআই, স্বাস্থ্য সহকারী এবং পরিবার কল্যাণ সহকারীরা বাড়ি পরিদর্শনের সময় দ্বিতীয় ডোজ টিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের টিকা দেওয়ার কথা জানাবেন, দ্রুত টিকা নিতে উৎসাহিত করবেন। সরবরাহকৃত কোভিড-১৯ (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) টিকা থেকে দ্বিতীয় ডোজের পাশাপাশি প্রথম ডোজ দিতে হবে।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবশ্যই অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ দেওয়া শেষ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব পর্যায়ে, প্রতিদিন ভিএলএমআইএসের মাধ্যমে টিকা পাওয়া, টিকা দেওয়া এবং বর্তমান মজুদের তথ্য নিয়মিত ও সঠিকভাবে হালনাগাদ করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
ফাইল ছবি
১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত যাওয়ার পর প্রায় দীর্ঘ ১৯০ বছরে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন শোষণ ও নির্যাতনের হাত থেকে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ মুক্তি পেলেও পূর্ব বাংলার বাঙালির উপর নেমে আসে কঠিন অন্ধকার । ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত জিন্নাহর ভ্রান্ত দ্বিজাতি তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে ভারত থেকে আলাদা হয়ে পাকিস্তান নামের একটি অসম রাষ্ট্রর জন্ম হয়! এর মধ্য দিয়ে শুরু থেকে বাঙালির জীবনে আবারও নেমে আসে শোষণ, অত্যাচার, নির্যাতন। ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীন হলেও এই ভূখণ্ডের বাঙালি আবার পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। তবে থেমে থাকেনি বাঙালি জাতি। ঔপনিবেশিক পাকিস্তানের পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ বাঙালি জাতি শুরু থেকেই অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামে। পাকিস্তানের শৃঙ্খল ভেঙে বেরিয়ে আসতে ধাপে ধাপে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০- এর নির্বাচনসহ দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি ৭১ সালে এসে উপনীত হয়। অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন স্বাধিকার ও স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত হয়। আর বাঙালির এ আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিবুর রহমান।
পাকিস্তানের অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের এক পর্যায়ে এ স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বে আসেন শেখ মুজিবুর রহমান। ধারাবাহিক আন্দোলনকে স্বাধীনতার দিকে অগ্রসর করে নিয়েগিয়ে, শেখ মুজিব হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এক পর্যায়ে তিনি ভূষিত হন বঙ্গবন্ধু উপাধিতে।
"বঙ্গবন্ধু" শব্দের অর্থ, বাংলার বন্ধু। বাংলাদশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগে থেকেই, বাংলা তথা বাঙালীর অধিকার রক্ষায় নিজের জীবন কে সমপর্ণ করেছিলেন "শেখ মুজিবর রহমান"। তাঁর এই আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ ১৯৬৯ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, লক্ষ জনতার সমাবেশে এই মহান নেতাকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাংলা তথা বাঙালীকে যিনি আজীবন নিজের হৃদয়ে আগলে রেখেছিলেন, সেই মহান ব্যক্তিত্ব বাস্তবিকভাবেই ছিলেন বাংলার এবং বাঙালীর বন্ধু।"বঙ্গবন্ধু" উপাধি প্রদানের মাধ্যমে যথার্থ ভাবেই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে এবং সার্থক করে তোলা হয়েছে "বঙ্গবন্ধু" শব্দটিকে আক্ষরিক অর্থেই।
শ্রদ্ধেয় শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি তথা ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। "পূর্বপাকিস্তান" কে "বাংলাদেশ" নামে স্বাধীন দেশে রূপান্তরিত করার সংগ্রামে, তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলাদেশে, "জাতির পিতা" সম্মানেও ভূষিত করা হয়েছে তাঁকে।
সোহেল তানভীর, শিক্ষার্থী, রসায়ন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।