a ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা


খোরশেদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:২৮
১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

বিজয় মাসের প্রথম দিনকে (১ ডিসেম্বর) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মুক্তযোদ্ধা কল্যাণ ফাউন্ডেশন।

আলোচনা সভাটি বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় বাসকপ ভিআইপি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কার্যনির্বাহী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্র ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম মমতাজুল করিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তযোদ্ধা বিচারপতি ড. আবু তারিক ও প্রধান আলোচক বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস.এম. জাকির হোসেন।

প্রধান আলোচক তার বক্তৃতা বলেন, আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বুকের তাজা রক্ত বিসর্জন দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। এখন এদেশকে আমরা সকলে সুন্দরভাবে গড়ে তুলবো। তিনি আরো উল্লেখ করেন, এদেশের সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিতে যেন কার্পণ্য না করি। তিনি বলেন, আমার দপ্তরে কোন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাপ্তরিক কাজ থাকলে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার চেষ্টা করি। আমি আশা করি, অন্যরাও তাদের সম্মান দিতে যেন কার্পন্য না করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা .........,  ........ বাঙ্গালি ও মুক্তসংবাদ প্রতিদিনের সম্পাদক ও হিউম্যান রাইটস এন্ড এনভায়রমেন্ট ডেভেলপমেন্ট-এর নির্বাহী সম্পাদক মোহা. খোরশেদ আলম প্রমুখ।
 

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্য


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৮ আগষ্ট, ২০২৩, ১১:৩৭
বাংলাদেশের ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্য

ফাইল ছবি: ম্যাথিউ মিলার

বাংলাদেশ সরকার বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। একই সঙ্গে আইনটিকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করারও আহ্বান জানিয়েছে।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থানের কথা জানান দেশটির মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

এ সময় তিনি আইন সংস্কার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে আমরা স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, আগেও আমরা বলেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে সমালোচকদের গ্রেফতার, আটক ও তাদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে আইনটিকে রিভিউ করার জন্য সব পক্ষকে সুযোগ দিতে এবং তাদের মতামত এতে তুলে ধরতে বাংলাদেশ সরকারকে আমরা উৎসাহিত করছি।

ব্রিফিংয়ে আরেক সাংবাদিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন আত্মস্বীকৃত খুনির বিষয়ে বলেন, একজন খুনি এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। তাকে বাংলাদেশের হাতে ফেরত দেওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, প্রত্যাবর্তন বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না।

ম্যাথিউ মিলারকে আবারও প্রশ্ন করে ওই সাংবাদিক জানতে চান, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। প্যাসিফিক জোন এবং বাংলাদেশ নিয়ে সেখানে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা?

এ প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তার বেশি আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। ওইসব মিটিংয়ের পরই আমরা সেই বিবৃতি দিয়েছি।

এর আগে সোমবার মন্ত্রিসভা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কার করে নতুন একটি আইন করার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ নামটি পরিবর্তন করে তার বদলে নতুন নাম হবে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’।  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধিকাংশ ধারা নতুন আইনেও থাকবে। তবে বিতর্কিত বিভিন্ন ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

যেসব ধারা নিয়ে বেশি বিতর্ক ছিল, কয়েকটি ক্ষেত্রে সেগুলোর সাজা কমিয়ে আনা হবে।  যেমন- ‘জামিন অযোগ্য’ কয়েকটি ধারাকে করা হয়েছে ‘জামিন যোগ্য’।  

এ ছাড়া মানহানি মামলায় কারাদণ্ডের বিধান বাদ দিয়ে রাখা হবে শুধু জরিমানার বিধান। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সাজা কমানো হবে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদন বিষয়ে সিদ্ধান্ত অল্প সময়ে: আইনমন্ত্রী


স্বাস্থ্যডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৫০
খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদন বিষয়ে সিদ্ধান্ত অল্প সময়ে: আইনমন্ত্রী

ফাইল ছবি: বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার গত সোমবার এ আবেদন করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সোমবার আবেদন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি মতামত জানতে চেয়ে খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে করা আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনটি অল্প সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

দেড় মাসের বেশি সময় ধরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়া ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে তাঁর লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে আসছে। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লিভার সিরোসিসের কারণে খালেদা জিয়ার হৃদ্‌যন্ত্র ও কিডনির জটিলতা বেড়েছে। তিনি হাসপাতালে কখনো কিছুটা ভালো থাকছেন, পরক্ষণেই তাঁর স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। ফলে তাঁকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতির লক্ষণ না থাকায় তাঁর পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি এখন সামনে এসেছে।

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে নেতিবাচক নানা কথা বললেও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের অনেকে মনে করেন, সরকার চাইলে আদালতে না গিয়ে এমতাবস্থায় তাঁকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে পারে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে। ফলে এখন জেলে যাওয়া বা আদালতের আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

৪০১ ধারাতেই বলা আছে, নির্বাহী আদেশে শর্ত ছাড়াই মুক্তি দেওয়া যায়। এমনকি সরকার সাজা মওকুফও করতে পারে। ফলে সরকারই শর্তহীন মুক্তি দিয়ে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - গণমাধ্যম