a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১১২ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ হাজার ৩৮৮ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৭৬৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৯ লাখ ৪ হাজার ৪৩৬ জন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৪০২৭ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ১১ হাজার ৭০০ জন।
ফাইল ছবি
চীনে করোনার যে নতুন প্রজাতির ভাইরাস ভয়ংকরভাবে ছড়াচ্ছে, তা ভারতেও পাওয়া পাওয়া যাচ্ছে। আবার সেই ভাইরাসে আক্রান্ত চার জন। তবে এর মধ্যে দুইজন নভেম্বর মাসে গুজরাটে আক্রান্ত হন। তারা ভালো হয়ে গেছেন। দুইজন ওড়িশায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওমিক্রন ভাইরাসের দুই প্রজাতি বিএফডট৭ ও বিএফডট১২ চীনে ভংকরভাবে ছড়াচ্ছে। প্রচুর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারাও যাচ্ছেন।
কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে সতর্ক থাকতে এবং করোনা যাতে না বাড়ে তার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলেছে। সেইমতো প্রতিটি রাজ্যই ব্যবস্থা নিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও করোনা নজরদারি টিম করেছে। এই টিমে স্বাস্থ্যসচিব আছেন। কিছু বিশেষজ্ঞ করোনা চিকিৎসককে রাখা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কমিটিতে ডিএম ও ডিএইচএসরাও থাকবেন।
পশ্চিমবঙ্গে গত শনিবার কেউ করোনায়আক্রান্ত হননি। কিন্তু সোমবার আবার সাতজন আক্রান্ত হয়েছেন। একজন মারাও গেছেন।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার কাজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে। প্রতিটি রাজ্য সরকারকে বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্তদের নমুনা কেন্দ্রের কাছে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে।
কেন্দ্রের অনুরোধ, মানুষ যেন করোনার বিধি মেনে চলেন। দেশে অবশ্য কোথাও এখন করোনার কড়াকড়ি নেই। কোনও রাজ্যেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে রাজ্যগুলি আবার মাস্ক পরার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া জানিয়েছেন, করোনা চলে যায়নি। তাই সব রাজ্যকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি: ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক
ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সানজিদা আফরিন অনুমতি ছাড়া মিডিয়াতে স্টেটমেন্ট (বিবৃতি) দেওয়া ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে ডিএমপি সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার এ কথা বলেন।
এডিসি সানজিদা আফরিনের গণমাধ্যমের বক্তব্যের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সানজিদার সঙ্গে আমি কথা বলিনি। সানজিদা এ ধরণের কোনো স্টেটমেন্ট দিয়ে ঠিক করেননি। কারণ কমিশনারের অনুমতি ছাড়া তিনি এভাবে স্টেটমেন্ট দিতে পারেন না।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আমাদের কাছে মনে হয়েছে এডিসি হারুন এবং ইন্সপেক্টর মোস্তফা দুজনই বাড়াবাড়ি করেছেন। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা এরই মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি।
একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে আমাদের অফিসারদের কার কতটুকু দোষ সেই অনুসারে আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবো। অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার থাকলে পুলিশ সদর দপ্তর বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুপারিশসহ প্রেরণ করবো। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারবো না।
ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বক্তব্যের বিষয়ে কমিশনার বলেন, হারুন এই কথা কোথায় পেয়েছেন এটা হারুন বলতে পারবেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন