a
সংগৃহীত ছবি
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ২১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২১১ জন। উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ২১৮ জন ডেঙ্গু রোগী।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: সকল ধরণের নৌপরিবহন ও নদীবন্দরকে সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত করতে হলে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ভিত্তিতে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার, বেলা ১১.৩০ টায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকায় আয়োজিত “পাবলিক পরিবহন ও পাবলিক প্লেস শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরো শক্তিশালী করতে হবে” শীর্ষক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। মানববন্ধন কর্মসূচিটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যোবাকো কন্ট্রোল এডভোকেটস (বিটিসিএ) ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা)।
তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ দোয়া বখশ শেখ এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থ ডেভলপমেন্ট ফাউণ্ডেশন এর প্রধান নির্বাহী আমিনুল ইসলাম বকুল। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট-বাটার ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী ও প্রত্যাশা- মাদক বিরোধী সংস্থার সভাপতি হেলাল আহমেদ এর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন বিটিসিএ সচিবালয়ের প্রতিনিধি ফারহানা জামান লিজা, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সাংবাদিক আবু নাসের অনিক, পরিবেশবাদী ও উন্নয়নকর্মী উম্মে জান্নাত কনি, তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ ও মোয়াজ্জেম হোসেন টিপু, পরিবেশ উন্নয়নকর্মী সামিউল হাসান সজীব, ঘাট শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিনিধি মো: নয়ন ও ফেরদৌস হোসেন প্রমূখ।
কর্মসূচিতে জানানো হয়, দেশের নৌপরিবহন ব্যবস্থায় প্রতিদিন ১০-১২ লাখ যাত্রী চলাচল করেন। লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট ও নদীবন্দর এলাকায় ধূমপানের কারণে যাত্রী, নারী, শিশু এবং শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকে। পরোক্ষ ধূমপানের ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ নানাবিধ জটিলতা বাড়ছে। আয়োজক সংগঠনসমূহ মনে করে—শক্তিশালী আইন, কঠোর তদারকি এবং গণসচেতনতা—এই তিনটির সমন্বয় ছাড়া নৌপরিবহনে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
বক্তারা বলেন, নৌপরিবহন খাতে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে আইনকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প নেই। আইনের দুর্বলতা ও তদারকির অভাবের সুযোগে নদীবন্দরে তামাক কোম্পানিগুলো এখনো বিভিন্ন প্রচারণা চালাচ্ছে—যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা অর্জনের জন্য নৌপরিবহন খাতকে এখনই শতভাগ ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করতে হবে।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে পরিবহন মালিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আইনানুযায়ী প্রত্যেকটি পরিবহনে নিজ উদ্যোগে দৃশ্যমান জায়গায় “ধূমপান হইতে বিরত থাকুন, ইহা শাস্তিযোগ্য অপরাধ”-লেখা সম্বলিত সাইনেজ লাগানোর কথা থাকলেও সরেজমিনে তার বাস্তবায়ন তেমন একটা পরিলক্ষিত হয় না বললেই চলে। তাই এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য তিনি সকল লঞ্চ মালিকদের পরামর্শ দেন। তিনি তার বক্তব্যে লঞ্চ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে ধূমপান বন্ধের পাশাপাশি টার্মিনাল এলাকায় যত্রতত্র সিগারেটের দোকান বসতে না পারে এবং টার্মিনালের সার্বিক পরিবেশ যাতে সুষ্ঠুভাবে বজায় থাকে সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়ার জন্য উপস্থিত সকল লঞ্চ মালিক, শ্রমিক সহ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কর্মসূচিতে অন্যন্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নাগরিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, লঞ্চ মালিক সমিতি, কাউন্টার ম্যানেজার ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।
সভায় অংশগ্রহণকারীর
ছবি সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার ময়মনসিংহ যাচ্ছেন। পাঁচ বছর পর চতুর্থ বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নগর জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুপুর ১টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপটারযোগে ময়মনসিংহ স্টেডিয়াম মাঠে অবতরণ করবেন, সেখান থেকে সার্কিট হাউজে এসে বিশ্রাম নেওয়ার পর দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহ বিভাগ ও জেলার ৭৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং ৩০টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বেলা ৩টায় সার্কিট হাউজ মাঠে ময়মনসিংহ মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন তিনি।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের জোয়ারে ভাসছে গোটা ময়মনসিংহে। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যানার, পোস্টার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে সার্কিট হাউজ ময়দানের জনসভাস্থলসহ ময়মনসিংহ নগরীর প্রতিটি সড়ক ও পাড়া-মহল্লা। বর্ণিল আলোকসজ্জা ও রংতুলির আঁচড়ে সজ্জিত হয়েছে নগরী। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থক ছাড়াও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। জনসভাকে সফল করতে রাতদিন ব্যস্ত সময় পার করেছেন দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ কর্মীরাও। ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ ময়দানের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন।
আজ প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় নেতাকর্মীদের আনতে আটটি বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঐ দিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ময়মনসিংহ থেকে আটটি রেলপথে বিশেষ এসব ট্রেন চলবে বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সূত্র: ইত্তেফাক