a
ফাইল ছবি
আজ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের ২৩তম জন্মদিন।
১৯৯৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্ম যাত্রা শুরু হয় গুগলের। ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ডের দুই পিএইচডির ছাত্র বড় আকারের সার্চ ইঞ্জিন তৈরির ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেন। ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিনের সেই ধারণা প্রকল্পই আজকের গুগলের এই পরিণতি।
বর্তমানে এটিই বিশ্বের বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর গুগল ২৩তম জন্মবার্ষিকী পালন করছে। বিশেষ দিন উপলক্ষে এটি তাদের হোমপেজে নতুন ডুডল তৈরি করেছে।
গুগলের নামে পেছনে যে গল্পটি রয়েছে তা হয়তো অনেকেরই অজানা। শব্দের বানান ভুল থেকে গুগল নামের উৎপত্তি।
গাণিতিক হিসাবের গোগল (googol)-এর অর্থ- একটি সংখ্যার পেছনে একশ শূন্য।
একজন প্রকৌশলী আসল নামের বদলে এই ভুল বানানটি লিখেছিলেন। সেই ভুল নামই গুগল! সূত্র: যুগান্তর
বিল গেটস ও মেলিন্ডার গেটস । ফাইল ছবি
সংসার ভাঙলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস-এর। বর্তমানে ৬৫ বছর বয়সী বিল গেটস ও ৫৬ বছর বয়সী মেলিন্ডার বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। দীর্ঘ ২৭ বছর একসঙ্গে থাকার পর বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন এই দম্পতি।
সোমবার দিবাগত রাতে তাদের নিজস্ব টুইটার পেইজে আলাদা পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করে। সংসার ভাঙার কারণ হিসেবে তারা জানান, নিজেদের সম্পর্কের ওপর নিরীক্ষা ও চিন্তাভাবনার পর আমরা আমাদের সংসারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যুগল হিসেবে আমরা আর থাকতে পারবো বলে মনে হয় না।
উল্লেখ্য, ১৯৮০’র দশকের শেষের দিকে মেলিন্ডা মাইক্রোসফটে যোগদানের পর বিল গেটসের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে। তারা একসঙ্গে দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলেন। এ ফাউন্ডেশন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করে যাচ্ছে।
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শায়েস্তাগন্জ,পচ্শিম বিরামচর জগন্নাথপুরে জমির মালিক ছিলেন আব্দুল গফুর মিয়া। তিনি মারা যাওয়ার পূর্বে ১২ শতাংশ জমি মসজিদের জন্য দান করে যান। নিকটে কোন মসজিদ না থাকায় তার বড় ছেলে মোহাম্মদ সৈয়দ মিয়া রমজান মাসে এলাকার মানুষের নামাজের ব্যবস্থা করতে দ্রুত সময়ে মসজিদটি নির্মাণ কাজে সহযোগিতা করেন।
শায়েস্তাগঞ্জ পশ্চিম বিরামচর জগন্নাথপুর উক্ত মসজিদটি মাত্র চারদিনে নির্মাণ করা হয়। এলাকাবাসী জানায়, অনেক দূরে আল ফালাহ নামে একটা মসজিদ আছে, সেখানে বয়স্ক মুসুল্লীসহ সব ধরণের নামাজী ব্যক্তিদের নামাজ পড়া অসুবিধা হচ্ছিল। এলাকার মানুষের এধরণের সমস্যা সমাধানে পবিত্র রমজান মাসে মরহুম আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সৈয়দ মিয়া ও এলাকার যুবকদের কায়িক পরিশ্রমে মাত্র ৪ দিনে ২২ মার্চে মসজিদের কাজ সম্পন্ন করে উক্ত মসজিদে তারাবি নামাজেরও ব্যবস্থা করা হয়।
অত্র এলাকার প্রবাসীরা মসজিদটি নির্মাণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন বলে এলাকাবাসী জানান। অত্র মসজিদ নির্মাণে অনেকে টাকা-পয়সা, আবার অনেকে দিন-রাত শ্রম দিয়ে দ্রুততম সময়ে আল্লাহর ঘর মসজিদটি নির্মাণে সহযোগিতা করেন।
এদিকে বিরামচর এলাকার সন্তান শায়েস্তাগন্জ পৌরযুবলীগের সভাপ্রতি মসজিদ নির্মাণ কাজের জন্য স্থানীয় এমপির বরাবর দরখাস্ত করেছেন, যাতে সরকার তথা ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে কিছু সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া যায়।
এলাকাবাসী আশা করছেন, রমজানের পর পর সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় মসজিদটির বিল্ডিং-এর কাজ শুরু করা হবে ইনশাল্লাহ্।
মসজিদটির জমি বরাদ্দের পর অস্থায়ীভাবে অর্থাৎ আপাতত বাঁশ, টিন দিয়েই মসজিদটি সম্পন্ন করা হয়, যাতে রমজান মাসের ওয়াক্তের নামাজ ও তারাবি নামাজ চালিয়ে নেওয়া যায়। আর এব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন মোহাম্মদ সৈয়দ মিয়া, মুজিবুর রহমান, মো. হাবিবুর, মো. জিয়াউর, আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ সৈয়দ মিয়া, মির হোসেন, মোহাম্মদ ইউনুছ আলী, শহিদ মিয়া জুবায়েল, ফজুলুল হকসহ অনেকে।