ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ আষাঢ় ১৪২৮, ১৭ জুন, ২০২১
Mukto Sangbad Protidin

জুম-এর উত্থান ও একটি ইতিহাস


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:২৭
জুম-এর উত্থান ও একটি ইতিহাস
ফাইল ছবি

চীনে উৎপত্তি হ্ওয়া করোনা বিশ্বব্যাপী মহামারী রোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ কোভিড-১৯ নামে। এই ভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের মার্চে থেকেই পুরো বিশ্বে আতঙ্ক চরমে ওঠে। অফিস, স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠান এক এক করে বন্ধ হয়ে যায়। করোনার ভয়ে মানুষ ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দেয়। ধীরে ধীরে ব্যবসা, পড়াশোনা, যোগাযোগ সব বন্ধ হয়ে গেলো। তখন মানুষ ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হতে লাগলো। 

আর মানুষের সেই কাজকে সহজ করে দিয়েছে অডিও-ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যম জুম। ইন্টারনেটের সাহায্যে ডিভাইসে (যেমন, মোবাইল, কম্পিউটার) অ্যাপ ব্যবহার করে এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে কয়েকজন ব্যবহারকারী একসঙ্গে ভিডিও কলে যুক্ত হতে পারেন। বলতে গেলে যোগাযোগকে সহজ এবং আরও বাস্তব করে তুলেছে জুম।

করোনাকালীন জুমের জনপ্রিয়তা:
মানুষ যখন করোনার কারনে ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে তখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য জুমের উপর নির্ভর হচ্ছিলো। লকডাউন শুরুর পর এই অ্যাপের ব্যবহার জনপ্রিয়তা কতটা বেড়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। জুমে কী না করেছে মানুষ? অনলাইন ক্লাস, ক্লাসপার্টি, অফিসের কাজ, মিটিং, আদালতের বিচারকাজ, সরকারি মিটিং, এমনকি বিয়ের আয়োজনও হয়েছে জুমে। 

কতক ক্ষেত্রে যে জুম মানুষকে পথ দেখিয়েছে, তা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারিতে জুম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২ দশমিক ২২ মিলিয়ন অর্থাৎ ২২ লাখ। যার পরিমান ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ছিল প্রতিদিনের ব্যবহারকারীর প্রায় ১০ মিলিয়নের মতো। সেখান থেকে ২০২১ সালের এপ্রিলে দৈনিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০০ মিলিয়নে।

জুমের জনপ্রিয়তার রহস্য :
অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে অন্যান্য অ্যাপ থাকতে জুম এত জনপ্রিয় কেন? কারন হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে, জুমের ফ্রি ভার্সনে একসঙ্গে ১০০ জন ব্যবহারকারী একসঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিং এ যুক্ত হতে পারেন। যেখানে মাইক্রোসফটের ফ্রি ভার্সনে মাত্র ৫০ জন এর বেশি ব্যবহারকারী একসাথে  যুক্ত হতে পারেন না। 

আবার ৪০ মিনিটের বেশি সময় কনফারেন্সিংয়ে যুক্ত থাকতে হলে মাসে খরচ করতে হয় ১৪ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার। তবে এন্টারপ্রাইজ ব্যবহারকারীদের খরচ করতে হয় ১৯ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার। জুমে রয়েছে, প্রাইভেট কল, সরাসরি মেসেজ পাঠানোর সুবিধা এবং পারসোনালাইজড টুলসহ নানা ফিচার।

জুমের যাত্রা:
২০১১ সালের শুরুরদিকে ৪০ জন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে নতুন একটি কোম্পানি চালু করেন এরিক ইউয়ান। শুরুতে এর নাম ছিল ‘সাসবি’। কোম্পানিটি প্রথমদিকে  বিনিয়োগ অভাবে কাজ করতে পারেনি। সকলের মত ছিল বর্তমানে ভিডিও টেলিফোনোর বাজার পড়ে গেছে। এ কারণেই কোনো ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান এর পেছনে বিনিয়োগে আগ্রহী ছিল না। ভাগ্যক্রমে সে বছরই বছরের জুন মাসে বেশ কিছু পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ পায় কোম্পানিটি। পরের বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে ‘সাসবি’ জুম নামটি ধারণ করে। 

২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে কোম্পানিটি একটি বেটা ভার্সন চালু করে যেটির মাধ্যমে ১৫ জন ব্যবহারকারী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হতে পারতেন। একই বছরের নভেম্বরে প্রথম গ্রাহক হিসেবে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে আরও কোম্পানিটি আরও বিনিয়োগ পায়। সেসময় জুম ১.১ ভার্সন চালু করে। এতে ২৫ জন ব্যবহারকারী একসঙ্গে যুক্ত হতে পারতেন। চালুর এক মাসের মধ্যে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ লাখ। এরপর মে মাসের মধ্যেই ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছে ১ মিলিয়নে।  

তবে মজার ইতিহাস হলো, জুমের আবিস্কার হয়েছে এরিক ইউয়ান এর একান্ত এক ব্যক্তিগত এক সম্পর্ক থেকে। কলেজে পড়ার সময় তার এক বান্ধবি ছিল তার সাথে দেখা করতে তাকে অনেকটা পথ পেরিয়ে যেতে হতো। সময় লেগে যেত প্রায় ১০ ঘণ্টা। তখন থেকেই চিন্তা করতেন যদি এমন কোনো মাধ্যম থাকতো, যার সাহায্যে দূর থেকেও একে অপরকে মূহুর্তেই মন চাইলে দেখে দেখে কথা বলা যেত। তখন হয়তো চিন্তাও করেন নাই তিনিই একদিন সেই মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষকে যুক্ত করে সেবা দিতে পারবেন। তার সেই ভাবনা- আজকের জুম। যা তাকে বিশ্বের শীর্ষ ৪০০ ধনীর কাতারে এনে দিয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শাওমির এক লগো ডিজাইনে খরচ ৩ লাখ ডলার


নিউজ ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৫২
শাওমির এক লগো ডিজাইনে খরচ ৩ লাখ ডলার

ফাইল ছবি

আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্বে অন্যতম দ্রুত বেড়ে উঠা স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় ব্রান্ড হচ্ছে চীনাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শাওমি (MI)। অল্প কিছুদিন পরেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার ১১ বছরে হতে যাচ্ছে। ১১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পূর্বেই এই জায়ান্ট কোম্পানিটি তাদের লগোতে পরিবর্তন আনার ঘোষণা দেয়। যেমন ঘোষণা তেমনি কাজ অল্প কিছুদিন হলো নিজেদের নতুন লগো ও ব্র্যান্ড কিট উন্মোচন করেছে শাওমি। 

শাওমির জন্য নতুন এই লগো ডিজাইন করেছেন জাপানীজ ডিজাইনার কেনায়া হ্যার। অবাক করার বিষয় হলো এই নতুন লগো ও ব্র্যান্ড নকশা করার জন্য নকশাবিদকে দিতে হয়েছে ৩ লাখ ডলার। এদিকে শাওমির এই নতুন লগো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা হচ্ছে। অনেকে বলছেন, আগের লগো এবং নতুন লগোর মধ্যে তেমন বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই। 

যদিও সমালোচকদের এই সমালোচনা অনেকটা যৌক্তিক বলেছে শাওমি ব্রান্ড স্বয়ং নিজেই। কেননা শাওমির নতুন লগোতে ব্যাগ্রাউন্ডের শেপ বর্গাকারের পরিবর্তে কিছুটা বৃত্তাকৃতির হয়ে গেছে। তাই সকলেই প্রশ্ন করতেছে যে এত সহজ একটা লগো ডিজাইন করতে ডিজাইনারকে এতো টাকা পারিশ্রমিক দিতে হলো কেন শাওমিকে?

বিশেষ কারন হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং নতুন লগোর কনসেপ্ট ফিলোসফি। শাওমির নতুন এই লগোর ডিজাইনার ‘কেনায়া হ্যার’ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, এই ডায়নামিক লগো ডিজাইনের মূল মন্ত্র বা কনসেপ্ট ছিল ‘আলাইভ’ (জেগে উঠা)।‘কেনায়া হ্যার’ আরও বলেন, এই লগোটি দেখতে যেন ‘ভিজ্যুয়াল অপ্টিমাল ডায়নামিক’ হয় তার জন্য এই লগোটি পরিপূর্ণ ভারসাম্য করতে আমাদের বিভিন্ন গাণিতিক সূত্র, অনেক হিসেবে নিকেশ এবং নকশা ডিজাইন নিয়ম ও অনুপাত প্রয়োগ করতে হয়েছে। 

আমাদের কোম্পানি এবার শাওমির জন্য লগোমার্ক এবং লগোটাইপ, এই দুই ধরণেরই লগো ডিজাইন করেছে। দুই লগোতেই আমরা ভিন্ন ধরনের টাইপোগ্রাফি ও কালার ফিলোসফি ব্যবহার করেছি।

অন্যদিকে শাওমি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমাদের এই নতুন লগোটি একক হওয়ায় এটি এখন সঠিকভাবে  এলাইনমেন্ট ছাড়াই প্রোডাক্ট ও কন্টেন্টের যে কোনো পজিশনে ব্যবহার করা যাবে। শাওমি বিশ্বাস করে, নতুন লগোর সাথে তারা অদূর ভবিষ্যতে  ইলেক্ট্রনিক গাড়ি বাজারে আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দেশব্যাপী মসজিদ-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দোয়া ও প্রার্থনা


নিউজ ডেস্ক:
শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:২৪
দেশব্যাপী মসজিদ-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দোয়া ও প্রার্থনা

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস সংক্রমণে দলীয় নেতাকর্মীসহ মৃতদের রুহের মাগফিরাত কামনা ও আক্রান্তদের সুস্থতায় আগামীকাল রবিবার সারা দেশে বিএনপি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দোয়া ও প্রার্থনা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

আজ শনিবার দলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ যেসব নেতাকর্মী ও দেশে ইন্তেকাল করেছেন তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশব্যাপী মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। 

এছাড়া বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ সারা দেশের নেতাকর্মী ও দেশের মানুষ অসুস্থ মানুষের সুস্থতার জন্য দোয়া/প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook
×