a কুবিতে ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কুবিতে ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২১, ০২:২৪
কুবিতে ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ফাইল ফটো

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এশিয়ার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামানের ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদের নেতৃত্বে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ র‌্যালি, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কেক কেটে দিবসটি পালন করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এসময় ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ঐতিহ্যবাহী  ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় ছাত্রদের কথা বলে। বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাত্রবান্ধব করে গড়ে তুলতে ছাত্রলীগ সদা সচেষ্ট।

এছাড়া বিকাল ৪টায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কর্তৃক আয়োজিত ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করে কুবি ছাত্ররলীগ ‌র্যালিটি বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করে শাখা ছাত্রলীগ।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন মো. রশিদুল ইসলাম শেখ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া, প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি সভাপতি ড. মো. শামিমুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএম হলেন ২ কর্মকর্তা |


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২১, ০৩:২৫
বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএম

বাংলাদেশ ব্যাংকে পদোন্নতি পেয়ে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হয়েছেন দুই কর্মকর্তা। মহাব্যবস্থাপক (পরিসংখ্যান) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন আনিছুর রহমান এবং প্রধান কার্যালয়ের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল কাদির।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (পরিসংখ্যান) হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আনিছুর রহমান। সদ্য বিদায়ী বছরের ৩১ ডিসেম্বর তারিখের কর্মচারী নির্দেশে তাকে মহাব্যবস্থাপক (পরিসংখ্যান) হিসেবে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক পরিসংখ্যান বিভাগে বহাল করা হয়েছে।

আনিছুর রহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ হতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। তিনি পরিসংখ্যান বিভাগ, বিনিয়োগ বোর্ডসহ বিভিন্ন বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

আনিছুর রহমান দাফতরিক কাজে ভারত, ভুটান, চীন, জার্মানি এবং সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন। তিনি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল কাদির ৩১ ডিসেম্বর তারিখে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে বহাল হন।

এমবিএ ডিগ্রিধারী মো. আবদুল কাদির ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে অফিসার পদে যোগদান করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন পার্সোনেল ডিপার্টমেন্ট, বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ, ব্যয় ব্যবস্থাপনা বিভাগ, কমন সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট-১, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-১ এবং সিলেট অফিসে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি নেপাল ও সুইজারল্যান্ড ভ্রমণ করেন। এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক মো. আবদুল কাদির চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার উত্তর বিশকাটালী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

আজ বিশ্ব মা দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ০৯ মে, ২০২১, ১২:১২
আজ বিশ্ব মা দিবস

ফাইল ছবি

 

"মা" ছোট শব্দ কিন্তু এই শব্দের মাঝেই লুকিয়ে থাকে অকৃতিম ভালবাসা। মা কথাটি শুনলেই সকলের কষ্ট অর্ধেক হয়ে আসে। যিনি শত বাধা আর বিপত্তিকে পাশ কাটিয়ে আমাদের মুখে সব সময় হাসি ফুটিয়ে রাখেন তিনি হলেন মা। 

যার কল্যাণে আমরা এই বসুন্ধরার  আলোর মুখ দেখার সৌভাগ্য লাভ করেছি তিনিই মা। সেই জননির স্মরণে প্রত্যেক বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘বিশ্ব মা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। প্রকৃতপক্ষে মাকে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা জানানোর নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা দিন ঠিক করা যায় না। তারপরও মা দিবসে মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ।

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, প্রথম দিকে প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবসের পালন করার সূত্রপাত হলেও বর্তমানকালে মা দিবসের প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী। ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস নামের নারী মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন।

১৯০৫ সালে প্রথম তিনি তার সান ডে স্কুলে এ দিনটি মা দিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। তারই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে। 

প্রতিটি মায়ের জন্য অকৃতিম ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় ভরে উঠুক প্রতিটি মূহুর্ত। করোনাকালীন সময় হওয়াতে এ বছরব হয়ত কোন অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে না কিন্তু মাকে ভালবাসার ত কোন নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানেরও দরকার হয় না। মাকে সবসময় ই ভালবাসা যায়। ভাল থাকুক পৃথিবীর সকল মা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়