a
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক শাখা) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আকতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক নাহিদুল ইসলাম। এসময় বিচারক ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে আসামি আকতারুল বলেন, 'আমি ছোট ভাইকে পরীক্ষা দিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে এসেছিলাম। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আসতে দেরি হওয়ায় ছোট ভাইকে ঢুকাতে গেলে গেট থেকে ধরে নিয়ে যায় প্রক্টর অফিস। তারপর তারা মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়।'
পরে বিচারক এজাহার পড়ে আসামিকে বলেন, 'আপনি মিথ্যা বলছেন কেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন মামলাটি করেছেন। পরীক্ষা দেয়ার পর আপনাকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে নেয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।' এসময় মিথ্যা বলার বিষয়টি স্বীকার করেন আসামির আইনজীবী ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজুর রহমান মন্টু। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত নেই, তাই রিমান্ড নেয়ার প্রয়োজন নেই বলেন এই আইনজীবী। পরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামি বড় চক্রের সদস্য। তাকে রিমান্ডে নিলে বাকি আসামিদের ধরা সহজ হতো। তবে আমাদের তদন্ত চলবে। প্রয়োজনে আবার রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেন তিনি।
গত ১৩ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন বাদী হয়ে আসামি আকতারুলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- মূলহোতা মো. রাব্বি ও মূল শিক্ষার্থী সিজান মাহফুজ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভুক্ত বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়া ছাত্র-ছাত্রীদের প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনের একটি কক্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয়া পরিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করছিলেন।
এসময় আকতারুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও সংযুক্ত ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আটক শিক্ষার্থী জানায়, পলাতক আসামি সিজান মাহফুজ ও মূলহোতা রাব্বির পরামর্শ, প্ররোচনায় ও সহযোগীতায় এক লাখ ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে পরীক্ষায় অংশ নেয় বলে তিনি স্বীকার করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, আমরা আজকে অবগত হলাম রিমান্ড না মঞ্জুর হয়েছে আবার এটাকে ডিফেন্ড করবে যাতে রিমান্ডে নেয়া ও এই চক্রকে ধরার জন্য কাজ চলছে, যদি পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হয় তাহলে মামলা সিআইডির হাতে হস্তান্তর করা হবে।
হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পে সব ধরনের স্থায়ী বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করাসহ কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট।
আজ বুধবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। বিস্তারিত ...
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসের কারনে যখন হিমসিম খাচ্ছে ভারত তখনি বিশ্বের সর্বোচ্চ টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট প্রধানের ভারত ছাড়া চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা টাইমস।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আগারওয়াল জানান, টিকার জন্য ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা এবং তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বড় বড় ব্যবসায়ীরা তাকে ফোন করেছেন। টিকার জন্য তাকে একরকম হুমকিই দিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমানে ব্রিটেনে অবস্থান করছেন আদর পুনেওয়ালা। লন্ডনে আরও কয়েকদিন থাকবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এই রকম চাপের মুখে তিনি পড়তে চান না। টিকা নিয়ে সবকিছুর চাপ তিনি একা বহন করতে নারাজ।
তবে সামাজিকযোগাযোগধ্যমে গুঞ্জন উঠেছে হুমকি পেয়েই ভারত ছেড়েছেন ভারতের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের এ কর্মকর্তা।
আদর পুনেওয়ালার বিশেষ নিরাপত্তার জন্য এরইমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার নিরাপত্তায় জন্য ১১ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। দেশের যে কোনো প্রান্তে এই নিরাপত্তা পাবেন আদর পুনেওয়ালা বলে নিশ্চিত করেছে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।