a ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরসহ ৬ জন খালাস পেলেন
ঢাকা শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরসহ ৬ জন খালাস পেলেন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৫:০০
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরসহ ৬ জন খালাস পেলেন

ফাইল ছবি: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর

 

বহুল আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অপর ৬ জন আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াকে মৃত্যুদণ্ড থেকে তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ৬ নভেম্বর ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। সেই দিন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির।

২০০৪ সালের ১ এপ্রিল সিইউএফএল ঘাট থেকে ১০ ট্রাকভর্তি অস্ত্রের চালান জব্দ করা হয়। এ নিয়ে কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের অভিযোগ এনে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেন।

এর মধ্যে অস্ত্র চোরাচালান মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া এবং দু’টি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। অস্ত্র আইনে করা অন্য মামলায় একই আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হয়।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রায়সহ মামলার নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে, ২০১৪ সালে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পৃথক আপিল করেন কারাগারে থাকা এসব দণ্ডিত আসামিরা।  সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পুলিশ কর্মকর্র্তার ড্রয়ার থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করলেন এএসপি


আমিনুল, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে, ২০২১, ০৮:৫১
পুলিশ কর্মকর্র্তার ড্রয়ার থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করলেন এএসপি

ফাইল ছবি

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার এসআই মো. রেজাউল করিমের ড্রয়ার থেকে ঘুষের আড়াই লাখ টাকা বের করেন সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাইমুড়ী সার্কেল) সাইফুল ইসলাম। এ ঘটনার পর এসআই রেজাউল করিমকে প্রত্যাহার করে নোয়াখালী পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, অভিযুক্ত এসআই মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে নোয়াখালী পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।  

ইতিপূর্বে, গত মঙ্গলবার রাতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেনের নির্দেশে অভিযুক্ত রেজাউল হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে এসআই রেজাউল বেগমগঞ্জের চৌমুহনী শহরের একজন পল্লী বিদ্যুৎ ডিলারের একটি মালবাহী ট্রাক আটক করেন। গাড়িতে থাকা মালামালগুলো অবৈধ বলে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করলে, একপর্যায়ে সেই ডিলারের নিকট থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জোরপূর্বক আদায় করেন।

পরে তিনি ওই ডিলারের কাছ থেকে আরও টাকা আদায়ের ফন্দি ফিকির করেন। এদিকে ডিলার ঘুষের টাকা প্রদানের সাথে সাথেই বিষয়টি নোয়াখালীর পুলিশ সুপারকে জানান। 

ভুক্তভোগী পুলিশ সুপারকে আরও জানান যে, দ্রুত অভিযুক্ত এসআইয়ের অফিসের ড্রয়ার তল্লাশি করলে তার দেওয়া ঘুষের টাকা পাওয়া যাবে। কথানুযায়ী পুলিশ সুপারের নির্দেশে নোয়াখালী সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাইমুড়ী সার্কেল) সাইফুল ইসলাম সোনাইমুড়ী থানায় এসে এসআই রেজাউলের টেবিলের ড্রয়ার খুলে ঘুষের টাকা পেয়ে ওই টাকা জব্দ করে পুরো ঘটনা ভিডিও ধারণ করে নেন। এ সময় এসআই রেজাউল করিম কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় তাকে তৎক্ষনাত প্রত্যাহার করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শরীয়তপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৪৮
শরীয়তপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ফাইল ছবি

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. দাদন খলিফা (৩০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গয়ঘর খলিফাকান্দি (নুরুল হক খলিফার বাড়ির মসজিদের সামনে) এ হত্যার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে ঢাকা নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। নিহত মো. দাদন খলিফা উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গয়ঘর গ্রামের সেকেন্দার খলিফার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গয়ঘর গ্রামের ইদ্রিস খার সাথে নিহত দাদনের বাবা সেকেন্দার খলিফার দন্দ্ব চলে আসছিল। তারই সূত্রধরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গয়ঘর খলিফাকান্দি নুরুল হক খলিফার বাড়ির মসজিদে নামাজ পড়ে দাদন বের হলে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা ইদ্রিস খা, এসকান্দার সরদারসহ ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে দাদনকে এলোপাথারীভাবে কোপাতে থাকে।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। দাদনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দাদনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। ঢাকা নেয়ার পথে পোস্তগোলা এলাকায় দাদনের মৃত্যু হয়।

দাদন খলিফার বাবা সেকেন্দার খলিফা বলেন, ইদ্রিস খার নের্তৃত্বে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেন জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন